ইহা শুনিয়া রাজা অত্যন্ত ক্রুদ্ধ ও কোপান্বিত হইয়া বাবিলের সমস্ত বিদ্বান্ লোককে বধ করিতে আজ্ঞা দিলেন।
Cross references
কারণ মনস্তাপ অজ্ঞানকে নষ্ট করে, ঈর্ষা নির্বোধকে বিনাশ করে।
অবশ্য, মনুষ্যের ক্রোধ তোমার স্তব করিবে; তুমি ক্রোধের অবশেষ দ্বারা কটিবন্ধন করিবে।
রাজার ক্রোধ মৃত্যুর দূতগণের ন্যায়; কিন্তু জ্ঞানবান লোক তাহা শান্ত করে।
রাজার কোপ সিংহের হুঙ্কারের তুল্য; কিন্তু তাঁহার অনুগ্রহ তৃণের উপরিস্থ শিশিরবৎ।
রাজার ভয়ঙ্করতা সিংহের হুঙ্কারের ন্যায়; যে তাঁহার ক্রোধ জন্মায়, সে আপন প্রাণের বিরুদ্ধে পাপ করে।
প্রস্তর ভারী ও বালি গুরু, কিন্তু অজ্ঞানের অসন্তোষ ঐ উভয় অপেক্ষা ভারী।
কোপন-স্বভাব ব্যক্তি বিবাদ উত্তেজনা করে ক্রোধী ব্যক্তি বিস্তর অধর্ম্ম করে।
রাজা উত্তর করিয়া কল্দীয়দিগকে কহিলেন, আমার এই আদেশবাক্য বাহির হইয়াছে; তোমরা যদি সেই স্বপ্ন ও স্বপ্নের তাৎপর্য্য আমাকে জ্ঞাত না কর, তবে খণ্ডবিখণ্ড হইবে, এবং তোমাদের গৃহ সকল সারের ঢিবী করা যাইবে;
তখন নবূখদ্নিৎসর ক্রোধে ও কোপে শদ্রক, মৈশক ও অবেদ্-নগোকে আনিতে আদেশ করিলেন; তাহাতে তাঁহারা রাজার সম্মুখে আনীত হইলেন।
তখন নবূখদ্নিৎসর ক্রোধে পরিপূর্ণ হইলেন, এবং শদ্রক, মৈশক ও অবেদ্-নগোর বিরুদ্ধে তাঁহার মুখ বিকটাকার হইল; তিনি বলিয়া দিলেন ও আদেশ করিলেন, অগ্নিকুণ্ড যে পরিমাণে উত্তপ্ত আছে, তাহা অপেক্ষা যেন সাত গুণ অধিক উত্তপ্ত করা হয়;
পরে হেরোদ যখন দেখিলেন যে, তিনি পণ্ডিতগণ কর্ত্তৃক তুচ্ছীকৃত হইয়াছেন, তখন মহাক্রুদ্ধ হইলেন, এবং সেই পণ্ডিতদের নিকটে বিশেষ করিয়া যে সময় জানিয়া লইয়াছিলেন, তদনুসারে দুই বৎসর ও তাহার অল্প বয়সের যত বালক বৈৎলেহম ও তাহার সমস্ত পরিসীমার মধ্যে ছিল, লোক পাঠাইয়া সে সকলকে বধ করাইলেন।
কিন্তু আমি তোমাদিগকে কহিতেছি, যে কেহ আপন ভ্রাতার প্রতি ক্রোধ করে, সে বিচারের দায়ে পড়িবে; আর যে কেহ আপন ভ্রাতাকে বলে, ‘রে নির্ব্বোধ,’ সে মহাসভার দায়ে পড়িবে। আর যে কেহ বলে, ‘রে মূঢ়,’ সে অগ্নিময় নরকের দায়ে পড়িবে।