তখন পিতর সচেতন হইয়া কহিলেন, এখন আমি নিশ্চয় জানিলাম, প্রভু নিজ দূতকে প্রেরণ করিলেন, ও হেরোদের হস্ত হইতে এবং যিহূদী লোকদের সমস্ত আকাঙ্ক্ষা হইতে আমাকে উদ্ধার করিলেন।
Cross references
তখন তিনি অব্রামকে কহিলেন, নিশ্চয় জানিও, তোমার সন্তানগণ পরদেশে প্রবাসী থাকিবে, এবং বিদেশী লোকদের দাস্যকর্ম্ম করিবে, ও লোকে তাহাদিগকে দুঃখ দিবে—চারি শত বৎসর পর্য্যন্ত;
তখন সদাপ্রভু অব্রাহামকে কহিলেন, সারা কেন এই বলিয়া হাসিল যে, আমি কি সত্যই প্রসব করিব, আমি যে বুড়ী?
তখন অবীমেলক ইস্হাককে ডাকাইয়া কহিলেন, দেখুন, ঐ স্ত্রী অবশ্য আপনার ভার্য্যা; তবে আপনি ভগিনী বলিয়া তাঁহার পরিচয় কেন দিয়াছিলেন? ইস্হাক উত্তর করিলেন, আমি ভাবিয়াছিলাম, কি জানি, তাঁহার জন্য আমার মৃত্যু হইবে।
যে দিন সদাপ্রভু সমস্ত শত্রুর হস্ত হইতে এবং শৌলের হস্ত হইতে দায়ূদকে উদ্ধার করিলেন, সেই দিন তিনি সদাপ্রভুর উদ্দেশে এই গীতের কথা নিবেদন করিলেন।
কেননা সদাপ্রভুর প্রতি যাহাদের অন্তঃকরণ একাগ্র, তাহাদের পক্ষে আপনাকে বলবান দেখাইবার জন্য তাঁহার চক্ষু পৃথিবীর সর্ব্বত্র ভ্রমণ করে। এ বিষয়ে আপনি অজ্ঞানের কার্য্য করিয়াছেন, কেননা ইহার পরে পুনঃপুনঃ আপনার বিপক্ষে যুদ্ধ উপস্থিত হইবে।
তিনি ছয় সঙ্কট হইতে তোমাকে উদ্ধার করিবেন, সপ্ত সঙ্কটে অমঙ্গল তোমাকে স্পর্শ করিবে না।
আমার তাম্বুর লোকে কি বলিত না, কোন্ ব্যক্তি উহার দত্ত মাংসে তৃপ্ত হয় নাই?
দেখ, সদাপ্রভুর দৃষ্টি তাহাদের উপরে, যাহারা তাঁহাকে ভয় করে, যাহারা তাঁহার দয়ার প্রতীক্ষা করে,
সদাপ্রভুর দূত, যাহারা তাঁহাকে ভয় করে, তাহাদের চারিদিকে শিবির স্থাপন করেন, আর তাহাদিগকে উদ্ধার করেন।
সদাপ্রভু আপন দাসদের প্রাণ মুক্ত করেন; তাঁহার শরণাগত কেহই দোষীকৃত হইবে না।
সদাপ্রভু তাহাকে রক্ষা করিবেন, জীবিত রাখিবেন, দেশে সে আশীর্ব্বাদ পাইবে; তুমি শত্রুগণের ইচ্ছাতে তাহাকে সমর্পণ করিও না।
হে সদাপ্রভু-প্রেমিকগণ, দুষ্টতাকে ঘৃণা কর; তিনি আপন সাধুবর্গের প্রাণ রক্ষা করেন, দুষ্টগণের হস্ত হইতে তাহাদিগকে উদ্ধার করেন।
কারণ তিনি দরিদ্রের দক্ষিণে দাঁড়াইয়া থাকেন, যেন তাহার প্রাণের বিচারকদের হইতে তাহাকে ত্রাণ করেন।
তখন রাজা কহিলেন, দেখ, আমি চারি ব্যক্তিকে দেখিতেছি; উহারা মুক্ত হইয়া অগ্নির মধ্যে গমনাগমন করিতেছে, উহাদের কোন হানি হয় নাই; আর চতুর্থ ব্যক্তির মূর্ত্তি দেবপুত্রের সদৃশ।
তখন নবূখদ্নিৎসর এই কথা কহিলেন, ধন্য শদ্রকের, মৈশকের ও অবেদ্-নগোর ঈশ্বর, তিনি আপন দূত প্রেরণ করিয়া, তাঁহার সেই দাসদিগকে উদ্ধার করিলেন, যাহারা তাঁহাতে বিশ্বাস করিয়াছে, রাজার আজ্ঞা লঙ্ঘন করিয়াছে, এবং আপনাদের ঈশ্বর ব্যতিরেকে যেন অন্য কোন দেবের সেবা ও পূজা করিতে না হয়, সেই জন্য আপন আপন শরীর দিয়াছে।
আমার ঈশ্বর আপন দূত পাঠাইয়া সিংহগণের মুখ বদ্ধ করিয়াছেন, তাহারা আমার হিংসা করে নাই; কেননা তাঁহার সাক্ষাতে আমার নির্দ্দোষতা লক্ষিত হইল; এবং হে রাজন্, আপনার সাক্ষাতেও আমি কোন অপরাধ করি নাই।
কিন্তু চেতনা পাইলে সে বলিল, আমার পিতার কত মজুর বেশী বেশী খাদ্য পাইতেছে, কিন্তু আমি এখানে ক্ষুধায় মরিতেছি।
কিন্তু রাত্রিকালে প্রভুর এক দূত কারাগারের দ্বার সকল খুলিয়া দিলেন, ও তাঁহাদিগকে বাহিরে আনিয়া কহিলেন, তোমরা যাও,
আর দেখ, প্রভুর এক দূত তাঁহার কাছে আসিয়া দাঁড়াইলেন, এবং কারাকক্ষে আলোক প্রকাশ পাইল। তিনি পিতরের কুক্ষিদেশে আঘাত করিয়া তাঁহাকে জাগাইয়া কহিলেন, শীঘ্র উঠ। তখন তাঁহার দুই হস্ত হইতে শৃঙ্খল পড়িয়া গেল।
দিন হইলে যিহূদীরা ষড়যন্ত্র করিয়া আপনাদিগকে এক অভিশাপে আবদ্ধ করিল, বলিল, আমরা যে পর্য্যন্ত পৌলকে বধ না করিব, সে পর্য্যন্ত ভোজন কি পান করিব না।
কিন্তু দুই বৎসর অতীত হইলে পর্কিয় ফীষ্ট ফীলিক্সের পদ প্রাপ্ত হইলেন, আর ফীলিক্স যিহূদীদের প্রীতির পাত্র হইবার ইচ্ছা করিয়া পৌলকে বন্দি রাখিয়া গেলেন।
আর বিনতিপূর্ব্বক তাঁহার বিরুদ্ধে এই অনুগ্রহ যাচ্ঞা করিতে লাগিলেন, যেন পৌলকে যিরূশালেমে ডাকিয়া পাঠান। তাঁহারা পথিমধ্যে তাঁহাকে বধ করিবার জন্য ঘাঁটি বসাইতে চাহিয়াছিলেন।
কিন্তু ফীষ্ট যিহূদীদের প্রীতি-পাত্র হইবার ইচ্ছা করাতে পৌলকে উত্তর করিয়া কহিলেন, তুমি কি যিরূশালেমে গিয়া সেখানে আমার সাক্ষাতে এই সকল বিষয়ে বিচারিত হইতে সম্মত?
কারণ, হে ভ্রাতৃগণ, এশিয়ায় আমাদের যে ক্লেশ ঘটিয়াছিল, তোমরা যে সে বিষয় অজ্ঞাত থাক, ইহা আমাদের ইচ্ছা নয়; ফলতঃ আত্যন্তিক দুঃখভারে আমরা শক্তির অতিরিক্তরূপে ভারগ্রস্ত হইয়া পড়িয়াছিলাম; এমন কি, জীবনের আশাও ছাড়িয়া দিয়াছিলাম;
উহাঁরা সকলে কি সেবাকারী আত্মা নহেন? যাহারা পরিত্রাণের অধিকারী হইবে, উহাঁরা কি তাহাদের পরিচর্য্যার জন্য প্রেরিত নহেন?
ইহাতে জানি, প্রভু ভক্তদিগকে পরীক্ষা হইতে উদ্ধার করিতে, এবং অধার্ম্মিকদিগকে দণ্ডাধীনে বিচারদিনের জন্য রাখিতে জানেন।