আর অঙ্গারধানী ও বাটী সকল, স্বর্ণময় পাত্রের স্বর্ণ ও রৌপ্যময় পাত্রের রৌপ্য, রক্ষকসেনাপতি লইয়া গেলেন।
Cross references
আর তিনি তাহার সাতটী প্রদীপ এবং তাহার চিমটা ও শীষধানী নির্ম্মল স্বর্ণ দিয়া নির্ম্মাণ করিলেন।
তাঁহার উপহার পবিত্র স্থানের শেকল অনুসারে এক শত ত্রিশ [শেকল] পরিমাণ রৌপ্যের এক থাল, ও সত্তর শেকল পরিমাণ রৌপ্যের এক বাটি, এই দুই পাত্র ভক্ষ্য-নৈবেদ্যার্থে তৈলমিশ্রিত সূক্ষ্ম সূজিতে পূর্ণ;
হীরম ঐ সকল প্রক্ষালন-পাত্র, হাতা ও বাটি নির্ম্মাণ করিল। এইরূপে হীরম শলোমন রাজার জন্য সদাপ্রভুর গৃহের যে সকল কর্ম্মে প্রবৃত্ত হইয়াছিল, সে সমস্ত সমাপ্ত করিল;
শলোমন সদাপ্রভুর গৃহস্থিত সমস্ত পাত্র নির্ম্মাণ করাইলেন; স্বর্ণবেদি ও দর্শনরুটী রাখিবার স্বর্ণমেজ;
এইরূপে সদাপ্রভুর গৃহের জন্য শলোমন রাজার কৃত সমস্ত কার্য্য সম্পন্ন হইল। আর শলোমন আপন পিতা দায়ূদের পবিত্রীকৃত দ্রব্য সকল, অর্থাৎ রৌপ্য, স্বর্ণ ও পাত্র সকল আনাইয়া সদাপ্রভুর গৃহস্থিত ধনাগার সমূহে রাখিলেন।
কার্য্য সমাপ্ত করিয়া তাহারা অবশিষ্ট রৌপ্য রাজার ও যিহোয়াদার সম্মুখে আনিত, এবং তদ্দ্বারা সদাপ্রভুর গৃহের জন্য নানা পাত্র, অর্থাৎ পরিচর্য্যার্থক ও হোমীয় পাত্র এবং চমস, আর স্বর্ণময় ও রৌপ্যময় পাত্র নির্ম্মিত হইল। আর তাহারা যিহোয়াদার সমস্ত জীবনকালে সদাপ্রভুর গৃহে নিয়ত হোম করিত।
সেই সকল দ্রব্যের সংখ্যা; স্বর্ণময় ত্রিশখানি থাল, রৌপ্যময় সহস্র থাল, ঊনত্রিশখানি ছুরী,
সর্ব্বশুদ্ধ পাঁচ সহস্র চারি শত স্বর্ণময় ও রৌপ্যময় পাত্র। বন্দিদিগকে বাবিল হইতে যিরূশালেমে উঠাইয়া আনিবার সময়ে শেশ্বসর এই সকল দ্রব্য আনিলেন।
দ্রাক্ষারসের স্বাদ গ্রহণ করিতে করিতে বেল্শৎসর আজ্ঞা করিলেন, আমার পিতা নবূখদ্নিৎসর যিরূশালেমস্থ মন্দির হইতে যে সকল স্বর্ণের ও রৌপ্যের পাত্র লইয়া আসিয়াছিলেন, সে সকল আনীত হউক, যেন রাজা ও তাঁহার মহল্লোকেরা, তাঁহার পত্নীগণ ও তাঁহার উপপত্নীগণ সেই সকল পাত্রে পান করিতে পারেন।