আর মনুষ্যদের হইতে সম্মান পাইতে চেষ্টা করি নাই, তোমাদের হইতেও নয়, অন্যদের হইতেও নয়, যদিও খ্রীষ্টের প্রেরিত বলিয়া আমরা ভারস্বরূপ হইলেও হইতে পারিতাম;
Cross references
তিনি অনেক দিন অর্থাৎ এক শত আশী দিন পর্য্যন্ত আপন প্রতাপান্বিত রাজ্যের ঐশ্বর্য্য ও আপন উৎকৃষ্ট মহত্ত্বের গৌরব প্রদর্শন করিলেন।
আর হামন তাহাদের কাছে আপন ঐশ্বর্য্যের প্রতাপ ও সন্তান-বাহুল্যের কথা, এবং রাজা কিরূপে সকল বিষয়ে তাহাকে উচ্চ পদ দিয়াছেন ও কিরূপে তাহাকে অধ্যক্ষগণ ও রাজার দাসগণ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ আসন দিয়াছেন, এই সমস্ত তাহাদের কাছে বর্ণনা করিল।
অধিক মধু খাওয়া ভাল নয়, ভারী ভারী বিষয় অনুসন্ধান করা ভারী কথা।
রাজা এই কথা কহিলেন, এ কি সেই মহতী বাবিল নয়, যাহা আমি আপন বলের প্রভাবে ও আপন প্রতাপের মহিমার্থে রাজধানী করিবার জন্য নির্ম্মাণ করিয়াছি?
আমি মনুষ্যদের হইতে গৌরব গ্রহণ করি না!
তোমরা কিরূপে বিশ্বাস করিতে পার? তোমরা ত পরস্পরের নিকটে গৌরব গ্রহণ করিতেছ, এবং একমাত্র ঈশ্বরের নিকট হইতে যে গৌরব আইসে, তাহার চেষ্টা কর না।
যে আপনা হইতে বলে, সে আপনারই গৌরব চেষ্টা করে; কিন্তু যিনি আপন প্রেরণকর্ত্তার গৌরব চেষ্টা করেন, তিনি সত্যবাদী, আর তাঁহাতে কোন অধর্ম্ম নাই।
কেননা ঈশ্বরের কাছে গৌরব অপেক্ষা তাহারা বরং মনুষ্যদের কাছে গৌরব অধিক ভাল বাসিত।
আমি কি স্বাধীন নই? আমি কি প্রেরিত নই? আমাদের প্রভু যীশুকে আমি কি দেখি নাই? তোমরাই কি প্রভুতে আমার কৃত কর্ম্ম নও?
ভোজন পান করিবার অধিকার কি আমাদের নাই?
যদি তোমাদের উপরে কর্ত্তৃত্ব করিবার অন্য লোকদের অধিকার থাকে, তবে আমাদের কি আরও অধিকার নাই? তথাচ আমরা এই কর্ত্তৃত্ব ব্যবহার করি নাই, বরং সকলই সহ্য করিতেছি, যেন খ্রীষ্টের সুসমাচারের কোন বাধা না জন্মাই।
আর স্ত্রীর নিমিত্ত পুরুষের সৃষ্টি হয় নাই, কিন্তু পুরুষের নিমিত্ত স্ত্রীর।
ফলতঃ আমরা কি যিহূদী কি গ্রীক, কি দাস কি স্বাধীন, সকলেই এক দেহ হইবার জন্য একই আত্মাতে বাপ্তাইজিত হইয়াছি, এবং সকলেই এক আত্মা হইতে পায়িত হইয়াছি।
বস্তুতঃ আমরা আপনাদিগকে নয়, কিন্তু খ্রীষ্ট যীশুতেই প্রভু বলিয়া প্রচার করিতেছি, এবং আপনাদিগকে যীশুর নিমিত্ত তোমাদের দাস বলিয়া দেখাইতেছি।
আর আমি পৌল নিজে খ্রীষ্টের মৃদুতা ও সৌজন্য দ্বারা তোমাদিগকে অনুনয় করিতেছি। আমি নাকি সম্মুখে তোমাদের মধ্যে বিনত, কিন্তু অসাক্ষাতে তোমাদের প্রতি সাহসিক।
কেহ কেহ বলে, তাঁহার পত্র সকল ভারযুক্ত ও তেজস্বী বটে, কিন্তু সাক্ষাতে তাঁহার শরীর দুর্ব্বল এবং তাঁহার বাক্য হেয়।
এই কারণ আমি অনুপস্থিত হইয়া এই সকল কথা লিখিলাম, যেন উপস্থিত হইলে প্রভুর দত্ত ক্ষমতানুসারে তীক্ষ্ণ ভাব প্রয়োগ করিতে না হয়; সেই ক্ষমতা তিনি ভাঙ্গিয়া ফেলিবার নিমিত্ত নয়, কিন্তু গাঁথিয়া তুলিবার নিমিত্তই আমাকে দিয়াছেন।
আমি কি এখন মানুষকে লওয়াইতেছি না ঈশ্বরকে? অথবা আমি কি মানুষকে সন্তুষ্ট করিতে চেষ্টা করিতেছি? যদি এখনও মানুষকে সন্তুষ্ট করিতাম, তবে খ্রীষ্টের দাস হইতাম না।
অনর্থক দর্প না করি, পরস্পরকে জ্বালাতন না করি, পরস্পর হিংসাহিংসি না করি।
কেননা যাহারা ত্বক্ছেদ প্রাপ্ত হয়, তাহারা আপনারাও ব্যবস্থা পালন করে না; বরং তাহাদের ইচ্ছা এই যে, তোমরা ত্বক্ছেদ প্রাপ্ত হও, যেন তাহারা তোমাদের মাংসে শ্লাঘা করিতে পারে।
বস্তুতঃ, হে ভ্রাতৃগণ, আমাদের পরিশ্রম ও আয়াস তোমাদের স্মরণে আছে; তোমাদের কাহারও ভারস্বরূপ যেন না হই, তজ্জন্য আমরা দিবারাত্র কার্য্য করিতে করিতে তোমাদের কাছে ঈশ্বরের সুসমাচার প্রচার করিয়াছিলাম।
কেননা যদি তোমরা প্রভুতে স্থির থাক, তবে এখন আমরা বাঁচি।
যে প্রাচীনেরা উত্তমরূপে শাসন করেন, বিশেষতঃ যাঁহারা বাক্যে ও শিক্ষাদানে পরিশ্রম করেন, তাঁহারা দ্বিগুণ সমাদরের যোগ্য গণিত হউন।
অতএব, যাহা উপযুক্ত, তদ্বিষয়ে তোমাকে আজ্ঞা দিতে যদিও খ্রীষ্টে আমার সম্পূর্ণ সাহস আছে,