—যেমন লেখা আছে, “যে ব্যক্তি শ্লাঘা করে, সে প্রভুতেই শ্লাঘা করুক”।
Cross references
তাঁহার পবিত্র নামের শ্লাঘা কর; সদাপ্রভুর অন্বেষীদের চিত্ত আনন্দ করুক।
তোমরা বল, হে আমাদের ত্রাণেশ্বর, ত্রাণ কর, আমাদিগকে সংগ্রহ কর, জাতিগণ হইতে উদ্ধার কর, যেন আমরা তোমার পবিত্র নামের স্তব করি, যেন তোমার প্রশংসায় জয়ধ্বনি করি।
তাঁহার পবিত্র নামের শ্লাঘা কর; সদাপ্রভুর অন্বেষণকারীদের চিত্ত আনন্দ করুক।
তুমি তাহাদিগকে ঝাড়িবে বায়ু তাহাদিগকে উড়াইয়া লইবে, ও ঘূর্ণবায়ু তাহাদিগকে ছিন্নভিন্ন করিবে; আর তুমি সদাপ্রভুতে উল্লাস করিবে, ইস্রায়েলের পবিত্রতমের শ্লাঘা করিবে।
সদাপ্রভুতেই ইস্রায়েলের সমস্ত বংশ ধার্ম্মিকীকৃত হইবে, ও শ্লাঘা করিবে।
আর তুমি সত্যে, ন্যায়ে, ও ধার্ম্মিকতায় ‘জীবন্ত সদাপ্রভুর দিব্য’ বলিয়া শপথ করিবে, আর জাতিগণ তাঁহাতেই আপনাদিগকে আশীর্ব্বাদ করিবে, তাঁহারই শ্লাঘা করিবে।
সদাপ্রভু এই কথা কহেন, জ্ঞানবান্ আপন জ্ঞানের শ্লাঘা না করুক, বিক্রমী আপন বিক্রমের শ্লাঘা না করুক, ধনবান্ আপন ধনের শ্লাঘা না করুক।
তবে “যে শ্লাঘা করে, সে প্রভুতেই শ্লাঘা করুক;”
কেননা যাহারা ত্বক্ছেদ প্রাপ্ত হয়, তাহারা আপনারাও ব্যবস্থা পালন করে না; বরং তাহাদের ইচ্ছা এই যে, তোমরা ত্বক্ছেদ প্রাপ্ত হও, যেন তাহারা তোমাদের মাংসে শ্লাঘা করিতে পারে।
আমরাই ত ছিন্নত্বক্ লোক, আমরা যাহারা ঈশ্বরের আত্মাতে আরাধনা করি, এবং খ্রীষ্ট যীশুতে শ্লাঘা করি, মাংসে প্রত্যয় করি না।