তিনি বলিলেন, আমি রাত্রিকালে দর্শন পাইলাম, আর দেখ, রক্তবর্ণ অশ্বে আরোহী এক পুরুষ, তিনি নিম্নভূমিস্থ গুলমেদিবৃক্ষ সকলের মধ্যে দাঁড়াইয়াছিলেন, এবং তাঁহার পশ্চাৎ রক্তবর্ণ, পাণ্ডুর ও শ্বেতবর্ণ কতিপয় অশ্ব ছিল।
Cross references
কিন্তু রাত্রিতে ঈশ্বর স্বপ্নযোগে অবীমেলকের নিকটে আসিয়া কহিলেন, দেখ, ঐ যে নারীকে গ্রহণ করিয়াছ, তাহার জন্য তুমি মৃত্যুর পাত্র, কেননা সে এক ব্যক্তির স্ত্রী।
পরে ঈশ্বর রাত্রিতে ইস্রায়েলকে দর্শন দিয়া কহিলেন, হে যাকোব, হে যাকোব। তিনি উত্তর করিলেন, দেখ, এই আমি।
তিনি কহিলেন, তোমরা আমার বাক্য শুন; তোমাদের মধ্যে যদি কেহ ভাববাদী হয়, তবে আমি সদাপ্রভু তাহার নিকটে কোন দর্শন দ্বারা আপনার পরিচয় দিব, স্বপ্নে তাহার সহিত কথা কহিব।
যিরীহোর নিকটে অবস্থিতি-কালে যিহোশূয় চক্ষু তুলিয়া চাহিলেন, আর দেখ, এক পুরুষ তাঁহার সম্মুখে দণ্ডায়মান, তাঁহার হস্তে একখানা নিষ্কোষ খড়গ; যিহোশূয় তাঁহার কাছে গিয়া জিজ্ঞাসা করিলেন, আপনি আমাদের পক্ষ, কি আমাদের শত্রুদের পক্ষ?
গিবিয়োনে সদাপ্রভু রাত্রিকালে স্বপ্নযোগে শলোমনকে দর্শন দিলেন। ঈশ্বর কহিলেন, যাচ্ঞা কর, আমি তোমাকে কি দিব?
রাত্রিকালীন স্বপ্নদর্শনে যখন ভাবনা জন্মে, মনুষ্য সকল যখন গভীর নিদ্রায় নিমগ্ন হয়,
হে বীর, তোমার খড়্গ কটিদেশে বন্ধন কর, তোমার প্রভা ও প্রতাপ [গ্রহণ কর]।
আমার প্রিয় আমারই, আর আমি তাঁহারই; তিনি শোশন পুষ্পবনে [আপন পাল] চরান।
আমার প্রিয়তম আপন উপবনে সুগন্ধি ওষধির চৌকাতে গিয়াছেন, উপবনে [পাল] চরাইবার জন্য ও শোশন পুষ্প চয়ন করিবার জন্য।
আমি প্রান্তরে, এরস, বাবলা, গুলমেঁদি ও তৈলবৃক্ষ রোপন করিব; আমি মরুভূমিতে দেবদারু, তিধর ও তাশূর বৃক্ষ একত্র লাগাইব;
কন্টকবৃক্ষের পরিবর্ত্তে দেবদারু, শ্যাকুলের পরিবর্ত্তে গুলমেঁদি উৎপন্ন হইবে; আর তাহা সদাপ্রভুর কীর্ত্তিস্বরূপ হইবে, লোপহীন নিত্যস্থায়ী চিহ্ন হইবে।
কেননা যিনি উচ্চ ও উন্নত, যিনি অনন্তকালনিবাসী, যাঁহার নাম “পবিত্র”, তিনি এই কথা কহেন, আমি ঊর্দ্ধলোকে ও পবিত্র স্থানে বাস করি, চূর্ণ ও নম্রাত্মা মনুষ্যের সঙ্গেও বাস করি, যেন নম্রদিগের আত্মাকে সঞ্জীবিত করি ও চূর্ণ লোকদের হৃদয়কে সঞ্জীবিত করি।
উনি কে, যিনি ইদোম হইতে আসিতেছেন, রক্তরঞ্জিত বস্ত্র পরিয়া বস্রা হইতে আসিতেছেন? উনি কে, যিনি আপন পরিচ্ছদে প্রতাপান্বিত, আপন শক্তির বাহুল্যে চলিয়া আসিতেছেন? ‘এ আমি, যিনি ধর্ম্মশীলতায় কথা বলেন, ও যিনি পরিত্রাণ করণে বলবান্।’
তখন রাত্রিকালীন দর্শনে দানিয়েলের কাছে ঐ নিগূঢ় বিষয় প্রকাশিত হইল; তখন দানিয়েল স্বর্গের ঈশ্বরকে ধন্যবাদ করিলেন।
আমি রাত্রিকালে আমার দর্শনে দৃষ্টিপাত করিলাম, আর দেখ, মহাসমুদ্রের উপরে আকাশের চারি বায়ু প্রচণ্ড বেগে বহিতেছে।
আমি রাত্রিকালীন দর্শনে দৃষ্টিপাত করিলাম আর দেখ, আকাশের মেঘ সহকারে মনুষ্য-পুত্রের ন্যায় এক পুরুষ আসিলেন, তিনি সেই অনেক দিনের বৃদ্ধের নিকটে উপস্থিত হইলেন, তাঁহার সম্মুখে আনীত হইলেন।
প্রথম রথে রক্তবর্ণ অশ্বগণ, দ্বিতীয় রথে কৃষ্ণবর্ণ অশ্বগণ,
হে খড়্গ, তুমি আমার পালকের, আমার সজাতীয় পুরুষের বিরুদ্ধে জাগ্রৎ হও, ইহা বাহিনীগণের সদাপ্রভু বলেন; পালককে আঘাত কর, তাহাতে পালের মেষেরা ছড়াইয়া পড়িবে; আর আমি ক্ষুদ্রগণের প্রতি আপন হস্ত ফিরাইব।
ইফিষস্থ মণ্ডলীর দূতকে লিখ;—যিনি নিজ দক্ষিণ হস্তে সেই সপ্ত তারা ধারণ করেন, যিনি সেই সপ্ত সুবর্ণ দীপবৃক্ষের মধ্যে গমনাগমন করেন, তিনি এই কথা কহেন;
পরে আর একটী অশ্ব বাহির হইল, সেটী লোহিতবর্ণ, এবং যে তাহার উপরে বসিয়া আছে, তাহাকে ক্ষমতা দত্ত হইল, যেন সে পৃথিবী হইতে শান্তি অপহরণ করে, আর যেন মনুষ্যেরা পরস্পরকে বধ করে; এবং একখান বৃহৎ খড়গ তাহাকে দত্ত হইল।
পরে আমি দেখিলাম, ঐ অশ্বারোহী ব্যক্তির ও তাঁহার সৈন্যের সহিত যুদ্ধ করিবার জন্য সেই পশু ও পৃথিবীর রাজগণ ও তাহাদের সৈন্যগণ একত্র হইল।