তোমার তালু উত্তম দ্রাক্ষারসের ন্যায় হউক, যাহা সহজে আমার প্রিয়ের গলায় নামিয়া যায়, নিদ্রাগতদের ওষ্ঠ দিয়া সরিয়া যায়।
Cross references
মনোহর বাক্য মৌচাকের ন্যায়; তাহা প্রাণের পক্ষে মধুর, অস্থির পক্ষে স্বাস্থ্যকর।
অয়ি মম কপোতি! তুমি শৈলের ফাটালে, ভূধরের গুপ্ত স্থানে রহিয়াছ, আমাকে তোমার রূপ দেখিতে দেও, তোমার স্বর শুনিতে দেও, কেননা তোমার স্বর মিষ্ট ও তোমার রূপ মনোহর।’
‘আমায় দুয়ার খুলিয়া দেও; অয়ি মম ভগিনি! মম প্রিয়ে! মম কপোতি! মম শুদ্ধমতি! কারণ আমার মস্তক ভিজিয়া গিয়াছে শিশিরে, আমার কেশপাশ রাত্রির জলবিন্দুতে।’
তাঁহার মুখ অতীব মধুর; হাঁ, তিনি সর্ব্বতোভাবে মনোহর। অয়ি যিরূশালেমের কন্যাগণ! এই আমার প্রিয়, এই আমার সখা।
সদাপ্রভু আপন দক্ষিণ হস্ত ও আপন বলবান্ বাহু তুলিয়া শপথ করিয়াছেন, নিশ্চয় আমি অন্নের নিমিত্ত তোমার শত্রুদিগকে তোমার গোম আর দিব না, এবং বিজাতি-সন্তানেরা তোমার পরিশ্রম দ্বারা প্রস্তুত তোমার দ্রাক্ষারস আর পান করিতে পাইবে না;
বাহিনীগণের সদাপ্রভু তাহাদিগকে রক্ষা করিবেন, তাহাতে তাহারা গ্রাস করিবে, ও ফিঙ্গার প্রস্তর সকল পদতলে দলিত করিবে; আর তাহারা পান করিবে, এবং দ্রাক্ষারসে মত্ত লোকের ন্যায় শব্দ করিবে; আর তাহারা বৃহৎ পানপাত্রের ন্যায় পূর্ণ হইবে, যজ্ঞবেদির কোণের ন্যায় হইবে।
—এবং ক্রীতীয় ও আরবীয় লোক যে আমরা, আমাদের নিজ নিজ ভাষায় উহাদিগকে ঈশ্বরের মহৎ মহৎ কর্ম্মের কথা বলিতে শুনিতেছি।
আর তাহারা প্রতিদিন একচিত্তে ধর্ম্মধামে নিবিষ্ট থাকিয়া এবং বাটীতে রুটী ভাঙ্গিয়া উল্লাসে ও হৃদয়ের সরলতায় খাদ্য গ্রহণ করিত;
তাঁহারা প্রার্থনা করিলে, যে স্থানে তাঁহারা সমবেত হইয়াছিলেন, সেই স্থান কাঁপিয়া উঠিল; এবং তাঁহারা সকলেই পবিত্র আত্মায় পরিপূর্ণ হইলেন ও সাহসপূর্ব্বক ঈশ্বরের বাক্য বলিতে থাকিলেন।
আর তাঁহাদিগকে বাহিরে আনিয়া বলিল, মহাশয়েরা, পরিত্রাণ পাইবার জন্য আমাকে কি করিতে হইবে?
আর এরূপ কর, কারণ তোমরা এই কাল জ্ঞাত আছ; ফলতঃ এখন তোমাদের নিদ্রা হইতে জাগিবার সময় হইল; কেননা যখন আমরা বিশ্বাস করিয়াছিলাম, তখন অপেক্ষা এখন পরিত্রাণ আমাদের আরও সন্নিকট।
তোমাদের মুখ হইতে কোন প্রকার কদালাপ বাহির না হউক, কিন্তু প্রয়োজনমতে গাঁথিয়া তুলিবার জন্য সদালাপ বাহির হউক, যেন যাহারা শুনে, তাহাদিগকে অনুগ্রহ দান করা হয়।
খ্রীষ্টের বাক্য প্রচুররূপে তোমাদের অন্তরে বাস করুক; তোমরা সমস্ত বিজ্ঞতায় গীত, স্ত্রোত্র ও আত্মিক সঙ্কীর্ত্তন দ্বারা পরস্পর শিক্ষা ও চেতনা দান কর; অনুগ্রহে আপন আপন হৃদয়ে ঈশ্বরের উদ্দেশে গান কর।
তোমাদের বাক্য সর্ব্বদা অনুগ্রহ সহযুক্ত হউক, লবণে আস্বাদযুক্ত হউক, কাহাকে কেমন উত্তর দিতে হয়, তাহা যেন তোমরা জানিতে পার।
কিন্তু, হে ভ্রাতৃগণ, আমরা চাহি না যে, যাহারা নিদ্রাগত হয়, তাহাদের বিষয়ে তোমরা অজ্ঞাত থাক; যেন যাহাদের প্রত্যাশা নাই, সেই অন্য সকল লোকের মত তোমরা দুঃখার্ত্ত না হও।
অতএব আইস, আমরা তাঁহারই দ্বারা ঈশ্বরের উদ্দেশে নিয়ত স্তব-বলি, অর্থাৎ তাঁহার নাম স্বীকারকারী ওষ্ঠাধরের ফল, উৎসর্গ করি।
পরে আমি স্বর্গ হইতে এই বাণী শুনিলাম, তুমি লিখ, ধন্য সেই মৃতেরা যাহারা এখন অবধি প্রভুতে মরে, হাঁ, আত্মা কহিতেছেন, তাহারা আপন আপন শ্রম হইতে বিশ্রাম পাইবে; কারন তাহাদের কার্য্য সকল তাহাদের সঙ্গে সঙ্গে চলে।