তাঁহার গণ্ডদেশ সুগন্ধি ওষধির চৌকা ও আমোদকারী লতার স্তম্ভস্বরূপ; তাঁহার ওষ্ঠাধর শোশন পুষ্পের ন্যায়, দ্রব গন্ধরস ক্ষরণকারী।
Cross references
অনেকে বলে, কে আমাদিগকে মঙ্গল দেখাইবে? হে সদাপ্রভু, আমাদের প্রতি নিজ মুখের দীপ্তি উদিত কর।
সদাপ্রভুর কাছে আমি একটী বিষয় যাচ্ঞা করিয়াছি, তাহারই অন্বেষণ করিব, যেন জীবনের সমুদয় দিন সদাপ্রভুর গৃহে বাস করি, সদাপ্রভুর সৌন্দর্য্য দেখিবার ও তাঁহার মন্দিরে অনুসন্ধান করিবার জন্য।
তুমি মনুষ্য-সন্তানগণ অপেক্ষা পরম সুন্দর; তোমার ওষ্ঠাধরে অনুগ্রহ সেচিত হয়; এই নিমিত্ত ঈশ্বর চিরকালের জন্য তোমাকে আশীর্ব্বাদ করিয়াছেন।
হে বীর, তোমার খড়্গ কটিদেশে বন্ধন কর, তোমার প্রভা ও প্রতাপ [গ্রহণ কর]।
ধন্য সেই প্রজারা, যাহারা সেই আনন্দধ্বনি জানে, হে সদাপ্রভু, তাহারা তোমার মুখের দীপ্তিতে গমনাগমন করে।
বেণী দ্বারা তোমার কপোলযুগল, হার দ্বারা তোমার কণ্ঠদেশ, শোভাযুক্ত হইতেছে।
হে আমার প্রিয়! দেখ, তুমি সুন্দর, হাঁ, তুমি মনোহর, আর আমাদের শয্যা হরিদ্বর্ণ।
আমি শারোণের গোলাপ, তলভূমির শোশন পুষ্প।
গন্ধরস ও কুন্দুরুতে সুবাসিত হইয়া, বণিকের সর্ব্বপ্রকার দ্রব্যে সুবাসিত হইয়া, ধূমস্তম্ভের ন্যায় প্রান্তর হইতে আসিতেছেন, উনি কে?
কান্তে! তোমার ওষ্ঠাধর হইতে ফোঁটা ফোঁটা মধু ক্ষরে, তোমার জিহ্বার তলে মধু ও দুগ্ধ আছে; তোমার বস্ত্রের গন্ধ লিবানোনের গন্ধের ন্যায়।
আমি আপন প্রিয়ের জন্য দুয়ার খুলিতে উঠিলাম; তখন গন্ধরসে আমার হস্ত ভিজিল, আমার অঙ্গুলি দ্রব গন্ধরসে ভিজিল, অর্গলের হাতলের উপরে।
আমার প্রিয়তম আপন উপবনে সুগন্ধি ওষধির চৌকাতে গিয়াছেন, উপবনে [পাল] চরাইবার জন্য ও শোশন পুষ্প চয়ন করিবার জন্য।
প্রভু সদাপ্রভু আমাকে শিক্ষাগ্রাহীদের জিহ্বা দিয়াছেন, যেন আমি বুঝিতে পারি, কিরূপে ক্লান্ত লোককে বাক্য দ্বারা সুস্থির করিতে হয়; তিনি প্রভাতে প্রভাতে জাগরিত করেন, আমার কর্ণ জাগরিত করেন, যেন আমি শিক্ষাগ্রাহীদের ন্যায় শুনিতে পাই।
আমি প্রহারকদের প্রতি আপন পৃষ্ঠ, যাহারা দাড়ি উপড়াইয়াছে, তাহাদের প্রতি আপন গাল পাতিয়া দিলাম, অপমান ও থুথু হইতে আপন মুখ আচ্ছাদন করিলাম না।
তাহাতে সকলে তাঁহার বিষয়ে সাক্ষ্য দিল, ও তাঁহার মুখনির্গত মধুর বাক্যে আশ্চর্য্য বোধ করিল; আর কহিল, এ কি যোষেফের পুত্র নহে?
“আর সেই নগরে দীপ্তিদানার্থে সূর্য্যের বা চন্দ্রের কিছু প্রয়োজন নাই; কারণ ঈশ্বরের প্রতাপ তাহা আলোকময় করে, এবং মেষশাবক তাহার প্রদীপস্বরূপ।