যাবৎ দিবস শীতল না হয়, ও ছায়া সকল পলায়ন না করে, হে আমার প্রিয়! তাবৎ তুমি ফিরিয়া আইস, আর মৃগের কিম্বা হরিণশাবকের সদৃশ হও, বেথর পর্ব্বতশ্রেণীর উপরে।
Cross references
সে প্রেমিকা হরিণী ও কমনীয়া বাতপ্রমীবৎ; তাহারই কুচযুগ দ্বারা তুমি সর্ব্বদা আপ্যায়িত হও, তাহার প্রেমে তুমি সতত মোহিত থাক।
ঐ মম প্রিয়ের রব! দেখ, তিনি আসিতেছেন, পর্ব্বতগণের উপর দিয়া, উপপর্ব্বতগণের উপর দিয়া লম্ফে ঝম্ফে আসিতেছেন।
যাবৎ দিবস শীতল না হয়, ও ছায়া সকল পলায়ন না করে, তাবৎ আমি গন্ধরসের পর্ব্বতে যাইব, আর কুন্দুরুর পর্ব্বতে যাইব।
হে আমার প্রিয়, শীঘ্র চল, মৃগের কিম্বা হরিণশাবকের সদৃশ হও, সুগন্ধময় পর্ব্বতশ্রেণীর উপরে।
ইহা আমাদের ঈশ্বরের সেই কৃপাযুক্ত স্নেহহেতু হইবে, যদ্দ্বারা ঊর্দ্ধ হইতে ঊষা আমাদের তত্ত্বাবধান করিবে,
রাত্রি প্রায় গেল, দিবস আগতপ্রায়; অতএব আইস, আমরা অন্ধকারের ক্রিয়া সকল ত্যাগ করি, এবং দীপ্তির রণসজ্জা পরিধান করি।
তাহারা স্বর্গীয় বিষয়ের দৃষ্টান্ত ও ছায়া লইয়া আরাধনা করে, যেমন মোশি যখন তাম্বুর নির্ম্মাণ সম্পন্ন করিতে উদ্যত ছিলেন, তখন এই আদেশ পাইয়াছিলেন, [ঈশ্বর] কহেন, “দেখিও, পর্ব্বতে তোমাকে যে আদর্শ দেখান গেল, সেইরূপ সকলই করিও।”
কারণ ব্যবস্থা আগামী উত্তম উত্তম বিষয়ের ছায়াবিশিষ্ট, তাহা সেই সকল বিষয়ের অবিকল মূর্ত্তি নহে; সুতরাং একরূপ যে সকল বার্ষিক যজ্ঞ নিয়ত উৎসর্গ করা যায়, তদ্দ্বারা, যাহারা নিকটে উপস্থিত হয়, তাহাদিগকে ব্যবস্থা কখনও সিদ্ধ করিতে পারে না।
আর ভাববাণীর বাক্য দৃঢ়তর হইয়া আমাদের নিকটে রহিয়াছে; তোমরা যে সেই বাণীর প্রতি মনোযোগ করিতেছ, তাহা ভালই করিতেছ; তাহা এমন প্রদীপের তুল্য, যাহা যে পর্য্যন্ত দিনের আরম্ভ না হয় এবং প্রভাতীয় তারা তোমাদের হৃদয়ে উদিত না হয়, সেই পর্য্যন্ত অন্ধকারময় স্থানে দীপ্তি দেয়।