সে তাহাদিগকে কহিল, আমাকে নয়মী [মনোরমা] বলিও না; বরং মারা [তিক্তা] বলিয়া ডাক, কেননা সর্ব্বশক্তিমান আমার প্রতি অতিশয় তিক্ত ব্যবহার করিয়াছেন।
Cross references
অব্রামের নিরানব্বই বৎসর বয়সে সদাপ্রভু তাঁহাকে দর্শন দিলেন ও কহিলেন, আমি সর্ব্বশক্তিমান্ ঈশ্বর, তুমি আমার সাক্ষাতে গমনাগমন করিয়া সিদ্ধ হও।
সর্ব্বশক্তিমান্ ঈশ্বর তোমাদিগকে সেই ব্যক্তির কাছে করুণার পাত্র করুন, যেন তিনি তোমাদের অন্য ভাইকে ও বিন্যামীনকে ছাড়িয়া দেন। আর যদি আমাকে পুত্রহীন হইতে হয়, তবে পুত্রহীন হইলাম।
আমি অব্রাহামকে, ইস্হাককে ও যাকোবকে ‘সর্ব্বশক্তিমান্ ঈশ্বর’ বলিয়া দর্শন দিতাম, কিন্তু আমার যিহোবা [সদাপ্রভু] নাম লইয়া তাহাদিগকে আমার পরিচয় দিতাম না।
পরে তাহারা মারাতে উপস্থিত হইল, কিন্তু মারার জল পান করিতে পারিল না, কারণ সেই জল তিক্ত; এই জন্য তাহার নাম মারা [তিক্ততা] রাখা হইল।
দেখ, ধন্য সেই ব্যক্তি, যাহাকে ঈশ্বর অনুযোগ করেন, অতএব তুমি সর্ব্বশক্তিমানের দত্ত শাস্তি তুচ্ছ করিও না।
কারণ সর্ব্বশক্তিমানের বাণ সকল আমার ভিতরে প্রবিষ্ট, আমার আত্মা সে সকলের বিষ পান করিতেছে, ঈশ্বরীয় ত্রাসদল আমার বিরুদ্ধে শ্রেণীবদ্ধ।
তিনি আমাকে শ্বাস টানিতে দেন না, বরং তিক্ততায় পরিপূর্ণ করেন।
তুমি কি অনুসন্ধান দ্বারা ঈশ্বরকে পাইতে পার? সর্ব্বশক্তিমানের সম্পূর্ণ তত্ত্ব পাইতে পার?
এখন জান, ঈশ্বর আমার প্রতি অন্যায় করিয়াছেন, আপন জালে আমাকে ঘেরিয়াছেন।
কেননা আমি সমস্ত দিন আহত হইয়াছি, প্রতি প্রভাতে শাস্তি পাইয়াছি।
বাল্যকাল হইতে আমি দুঃখী ও মৃতকল্প; আমি তোমার ত্রাসভারে সঙ্কুচিত।
আমি প্রাতঃকাল পর্য্যন্ত নীরব থাকিলাম; তিনি সিংহের ন্যায় আমার অস্থি সকল চূর্ণ করেন, তুমি এক দিবারাত্রের মধ্যে আমাকে শেষ করিবে।
আমি সেই ব্যক্তি, যে তাঁহার ক্রোধের দণ্ডঘটিত দুঃখ দেখিয়াছে।
কোন শাসনই আপাততঃ আনন্দের বিষয় বোধ হয় না, কিন্তু দুঃখের বিষয় বোধ হয়; তথাপি তদ্দ্বারা যাহাদের অভ্যাস জন্মিয়াছে, তাহা পরে তাহাদিগকে ধার্ম্মিকতার শান্তিযুক্ত ফল প্রদান করে।
আমি আল্ফা এবং ওমিগা, আদি এবং অন্ত, ইহা প্রভু ঈশ্বর কহিতেছেন, যিনি আছেন ও যিনি ছিলেন, ও যিনি আসিতেছেন, যিনি সর্ব্বশক্তিমান্।
আর আমি নগরের মধ্যে কোন মন্দির দেখিলাম না; কারণ সর্ব্বশক্তিমান্ প্রভু ঈশ্বর এবং মেষশাবক স্বয়ং তাহার মন্দিরস্বরূপ।