কারণ যাহারা ব্যবস্থা শুনে, তাহারা যে ঈশ্বরের কাছে ধার্ম্মিক, এমন নয়, কিন্তু যাহারা ব্যবস্থা পালন করে, তাহারাই ধার্ম্মিক গণিত হইবে—
Cross references
এক্ষণে, হে ইস্রায়েল, আমি যে যে বিধি ও শাসন পালন করিতে তোমাদিগকে শিক্ষা দিই, তাহা শ্রবণ কর; যেন তোমরা বাঁচিতে পার, এবং তোমাদের পিতৃপুরুষদের ঈশ্বর সদাপ্রভু তোমাদিগকে যে দেশ দিতেছেন, তাহার মধ্যে প্রবেশ করিয়া তাহা অধিকার করিতে পার।
তখন মোশি সমস্ত ইস্রায়েলকে ডাকিলেন, ও তাহাদিগকে কহিলেন, হে ইস্রায়েল, আমি তোমাদের কর্ণগোচরে অদ্য যে সকল বিধি ও শাসন বলি, সে সকল শুন, তোমরা তাহা শিক্ষা কর, ও যত্নপূর্ব্বক পালন কর।
অতএব হে ইস্রায়েল, শুন, এ সমস্ত যত্নপূর্ব্বক পালন করিও, তাহাতে তোমার পিতৃপুরুষদের ঈশ্বর সদাপ্রভু তোমাকে যেরূপ বলিয়াছেন, তদনুসারে দুগ্ধমধুপ্রবাহী দেশে তোমার মঙ্গল হইবে ও তোমরা অতিশয় বর্দ্ধিষ্ণু হইবে।
তাহা স্বর্গে নয় যে, তুমি বলিবে, আমরা যেন তাহা পালন করি, এই জন্য কে আমাদের নিমিত্ত স্বর্গারোহণ করিয়া তাহা আনিয়া আমাদিগকে শুনাইবে?
তোমার দাসকে বিচারে আনিও না, তোমার সাক্ষাতে ত কোন প্রাণী ধার্ম্মিক নয়।
আর আমি তাহাদিগকে আমার বিধিকলাপ দিলাম, ও আমার শাসনকলাপ জ্ঞাত করিলাম, যাহা পালন করিলে তদ্দ্বারা মনুষ্য বাঁচে।
আর, হে মনুষ্য-সন্তান, তোমার জাতির সন্তানেরা ভিত্তির নিকটে ও গৃহ সকলের দ্বারদেশে তোমার বিষয়ে কথাবার্ত্তা কহে, ও প্রত্যেকে আপন আপন প্রতিবাসীকে ও ভ্রাতাকে বলে, চল, আমরা গিয়া শুনি, সদাপ্রভু হইতে যে বাক্য বাহির হয়, তাহা কি।
যাহারা আমাকে হে প্রভু, হে প্রভু বলে, তাহারা সকলেই যে স্বর্গ-রাজ্যে প্রবেশ করিতে পাইবে, এমন নয়, কিন্তু যে ব্যক্তি আমার স্বর্গস্থ পিতার ইচ্ছা পালন করে, সেই পাইবে।
তিনি উত্তর করিয়া তাহাদিগকে কহিলেন, এই যে ব্যক্তিরা ঈশ্বরের বাক্য শুনে ও পালন করে, ইহারাই আমার মাতা ও ভ্রাতৃগণ।
আর দেখ, এক জন ব্যবস্থাবেত্তা উঠিয়া তাঁহার পরীক্ষা করিয়া কহিল, হে গুরু, কি করিলে আমি অনন্ত জীবনের অধিকারী হইব?
আমি তোমাদিগকে বলিতেছি, এই ব্যক্তি ধার্ম্মিক গণিত হইয়া নিজ গৃহে নামিয়া গেল, ঐ ব্যক্তি নয়; কেননা যে কেহ আপনাকে উচ্চ করে, তাহাকে নত করা যাইবে; কিন্তু যে আপনাকে নত করে, তাহাকে উচ্চ করা যাইবে।
আর মোশির ব্যবস্থাতে তোমরা যে সকল বিষয়ে ধার্ম্মিক গণিত হইতে পারিতে না, যে কেহ বিশ্বাস করে, সে সেই সকল বিষয়ে এই ব্যক্তিতেই ধার্ম্মিক গণিত হয়।
বাস্তবিক ত্বক্ছেদে লাভ আছে বটে, যদি তুমি ব্যবস্থা পালন কর, কিন্তু যদি ব্যবস্থা লঙ্ঘন কর, তবে তোমার ত্বক্ছেদ অত্বক্ছেদ হইয়া পড়িল।
যেহেতুক ব্যবস্থার কার্য্য দ্বারা কোন প্রাণী তাঁহার সাক্ষাতে ধার্ম্মিক গণিত হইবে না, কেননা ব্যবস্থা দ্বারা পাপের জ্ঞান জন্মে।
কেননা সকলেই পাপ করিয়াছে এবং ঈশ্বরের গৌরববিহীন হইয়াছে—
হাঁ, পরজাতীয়দেরও ঈশ্বর, কেননা বাস্তবিক ঈশ্বর এক, আর তিনি ছিন্নত্বক্ লোকদিগকে বিশ্বাসহেতু, এবং অচ্ছিন্নত্বক্ লোকদিগকে বিশ্বাস দ্বারা ধার্ম্মিক গণনা করিবেন।
কারণ অব্রাহাম যদি কার্য্য হেতু ধার্ম্মিক গণিত হইয়া থাকেন, তবে শ্লাঘার বিষয় তাঁহার আছে; কিন্তু ঈশ্বরের কাছে নাই;
কারণ মোশি লিখেন, যে ব্যক্তি ব্যবস্থামূলক ধার্ম্মিকতার অনুষ্ঠান করে, সে তদ্দ্বারা জীবিত থাকিবে।
তথাপি বুঝিয়াছি, ব্যবস্থার কার্য্য হেতু নয়, কেবল যীশু খ্রীষ্টে বিশ্বাস দ্বারা মনুষ্য ধার্ম্মিক গণিত হয়, সেই জন্য আমরাও খ্রীষ্ট যীশুতে বিশ্বাসী হইয়াছি, যেন ব্যবস্থার কার্য্য হেতু নয়, কিন্তু খ্রীষ্টে বিশ্বাস হেতু ধার্ম্মিক গণিত হই; কারণ ব্যবস্থার কার্য্য হেতু কোন মর্ত্ত্য ধার্ম্মিক গণিত হইবে না।
কিন্তু ব্যবস্থার দ্বারা কেহই ঈশ্বরের সাক্ষাতে ধার্ম্মিক গণিত হয় না, ইহা সুস্পষ্ট, কারণ “ধার্ম্মিক ব্যক্তি বিশ্বাস হেতু বাঁচিবে”।
তোমরা যে সকল লোক ব্যবস্থা দ্বারা ধার্ম্মিক গণিত হইতে যত্ন করিতেছ, তোমরা খ্রীষ্ট হইতে বিচ্ছিন্ন হইয়াছ, তোমরা অনুগ্রহ হইতে পতিত হইয়াছ।
আর বাক্যের কার্য্যকারী হও, আপনাদিগকে ভুলাইয়া শ্রোতামাত্র হইও না।
আমাদের পিতা অব্রাহাম কর্ম্মহেতু, অর্থাৎ যজ্ঞবেদির উপরে আপন পুত্র ইস্হাককে উৎসর্গকরণ হেতু, কি ধার্ম্মিক গণিত হইলেন না?
যদি জান যে তিনি ধার্ম্মিক, তবে ইহাও জানিতে পার, যে কেহ ধর্ম্মাচরণ করে, সে তাঁহা হইতে জাত।
বৎসেরা, কেহ যেন তোমাদিগকে ভ্রান্ত না করে; যে ধর্ম্মাচরণ করে সে ধার্ম্মিক, যেমন তিনি ধার্ম্মিক।