সে ঈশ্বরের প্রতাপবিশিষ্ট; তাহার জ্যোতিঃ বহুমূল্য মণির, স্ফটিকবৎ নির্ম্মল সূর্য্যকান্তমণির তুল্য।
Cross references
স্বর্ণ ও কাচ তাহার সমান হইতে পারে না, তাহার পরিবর্ত্তে কাঞ্চনের পাত্র দত্ত হইবে না।
আর সদাপ্রভু সিয়োন পর্ব্বতস্থ সমস্ত আবাসের ও তাহার সভা সকলের উপরে দিনমানে মেঘ ও ধূম, এবং রাত্রিতে প্রজ্বলিত অগ্নির তেজ সৃষ্টি করিবেন, বস্তুতঃ সকল প্রতাপের উপরে চন্দ্রাতপ থাকিবে।
উঠ, দীপ্তিমতী হও, কেননা তোমার দীপ্তি উপস্থিত, সদাপ্রভুর প্রতাপ তোমার উপরে উদিত হইল।
সূর্য্য আর দিবসে তোমার জ্যোতিঃ হইবে না, আলোকের জন্য চন্দ্রও তোমাকে জ্যোৎস্না দিবে না, কিন্তু সদাপ্রভুই তোমার চিরজ্যোতিঃ হইবেন, তোমার ঈশ্বরই তোমার ভূষণ হইবেন।
আর সেই প্রাণীর মস্তকের উপরে এক বিতানের আকৃতি ছিল, তাহা ভয়ঙ্কর স্ফটিকের আভার ন্যায় তাহাদের মস্তকের উপরে বিস্তারিত ছিল।
আর তাহাদের মস্তকের উপরিস্থ বিতানের ঊর্দ্ধে এক সিংহাসনের, নীলকান্তমণিবৎ আভাবিশিষ্ট এক সিংহাসনের মূর্ত্তি ছিল; সেই সিংহাসন-মূর্ত্তির উপরে মনুষ্যের আকৃতিবৎ এক মূর্ত্তি ছিল, তাহা তাহার ঊর্দ্ধে ছিল।
তুমি ঈশ্বরের উদ্যান এদনে ছিলে; সর্ব্বপ্রকার বহুমূল্য প্রস্তর, চূণি, পীতমণি, হীরক, বৈদূর্য্যমণি, গোমেদক, সূর্য্যকান্ত, নীলকান্ত, হরিণ্মণি ও মরকত, এবং স্বর্ণ তোমার আচ্ছাদন ছিল, তোমার ঢাকের ও বাঁশীর কারুকার্য্য তোমার মধ্যে ছিল; তোমার সৃষ্টিদিনে এ সকল প্রস্তুত হইয়াছিল।
তোমার বাণিজ্যবাহুল্যে তোমার অভ্যন্তর দৌরাত্ম্যে পরিপূর্ণ হইল, তুমি পাপ করিলে, তাই আমি তোমাকে ঈশ্বরের পর্ব্বত হইতে ভ্রষ্ট করিলাম, এবং হে আচ্ছাদক করূব, তোমাকে অগ্নিময় প্রস্তর সকলের মধ্য হইতে লুপ্ত করিলাম।
আর দেখ, পূর্ব্বদিক্ হইতে ইস্রায়েলের ঈশ্বরের প্রতাপ আসিল; তাঁহার শব্দ জলরাশির শব্দের ন্যায়, এবং তাঁহার প্রতাপে পৃথিবী দীপ্তিময় হইল।
পরিধি আঠার সহস্র [হস্ত]* পরিমিত হইবে; আর সেই দিন অবধি নগরটীর এই নাম হইবে, “সদাপ্রভু তত্র”।
যিনি বসিয়া আছেন, তিনি দেখিতে সূর্য্যকান্তের ও সার্দ্দীয় মণির তুল্য; আর সেই সিংহাসনের চারিদিকে মেঘধনুক, তাহা দেখিতে মরকত মণির তুল্য।
আর সেই সিংহাসনের সম্মুখে যেন স্ফটিকবৎ কাচময় এক সমুদ্র আছে, এবং সিংহাসনের মধ্যে ও সিংহাসনের চারিদিকে চারি প্রাণী আছেন; তাঁহারা সম্মুখে ও পশ্চাতে চক্ষুতে পরিপূর্ণ।
তাহাতে ঈশ্বরের প্রতাপ হইতে ও তাঁহার পরাক্রম হইতে উৎপন্ন ধূমে মন্দির পরিপূর্ণ হইল; এবং ঐ সপ্ত দূতের সপ্ত আঘাত সমাপ্ত না হওয়া পর্য্যন্ত কেহ মন্দিরে প্রবেশ করিতে পারিল না।
প্রাচীরের গাঁথনি সূর্য্যকান্তমণির, এবং নগর নির্ম্মল কাচের সদৃশ পরিষ্কৃত সুবর্ণময়।
আর আমি নগরের মধ্যে কোন মন্দির দেখিলাম না; কারণ সর্ব্বশক্তিমান্ প্রভু ঈশ্বর এবং মেষশাবক স্বয়ং তাহার মন্দিরস্বরূপ।
আর তিনি আমাকে “জীবন-জলের নদী” দেখাইলেন, তাহা স্ফটিকের ন্যায় উজ্জ্বল, তাহা ঈশ্বরের ও মেষশাবকের সিংহাসন হইতে নির্গত হইয়া তথাকার চকের মধ্যস্থানে বহিতেছে;
সেখানে রাত্রি আর হইবে না, এবং প্রদীপের আলোকে কিম্বা সূর্য্যের আলোকে লোকদের কিছু প্রয়োজন হইবে না, কারণ “প্রভু ঈশ্বর তাহাদিগকে আলোকিত করিবেন; এবং তাহারা যুগপর্য্যায়ের যুগে যুগে রাজত্ব করিবে”।