তিনি মিসরে আপন চিহ্ন সকল, সোয়নের মাঠে আপন অদ্ভুত লক্ষণ সকল, স্থাপন করিলেন।
Cross references
কিন্তু আমি জানি, মিসরের রাজা তোমাদিগকে যাইতে দিবে না, পরাক্রান্ত হস্ত দেখাইলেও দিবে না।
আর সদাপ্রভু মোশিকে কহিলেন, তুমি যখন মিসরে ফিরিয়া যাইবে, দেখিও, আমি তোমার হস্তে যে সকল অদ্ভুত কর্ম্মের ভার দিয়াছি, ফরৌণের সাক্ষাতে সে সকল করিও; কিন্তু আমি তাহার হৃদয় কঠিন করিব, সে লোকদিগকে ছাড়িয়া দিবে না।
কিন্তু আমি ফরৌণের হৃদয় কঠিন করিব, এবং মিসর দেশে আমি বহুসংখ্যক চিহ্ন ও অদ্ভুত লক্ষণ দেখাইব।
কিম্বা তোমাদের ঈশ্বর সদাপ্রভু মিসরে তোমাদের সাক্ষাতে যে সকল কর্ম্ম করিয়াছেন, ঈশ্বর কি তদনুসারে গিয়া পরীক্ষাসিদ্ধ প্রমাণ, চিহ্ন, অদ্ভুত লক্ষণ, যুদ্ধ, বলবান্ হস্ত, বিস্তারিত বাহু ও ভয়ঙ্কর মহামহাকর্ম্ম দ্বারা অন্য জাতির মধ্য হইতে আপনার জন্য এক জাতি গ্রহণ করিতে উপক্রম করিয়াছেন?
এবং আমাদের সাক্ষাতে সদাপ্রভু মিসরে, ফরৌণে ও তাঁহার সমস্ত কুলে মহৎ ও ক্লেশদায়ক নানা চিহ্ন ও অদ্ভুত লক্ষণ দেখাইলেন।
এবং ফরৌণে, তাঁহার সমস্ত দাসগণে ও তাঁহার দেশের প্রজা সকলে নানা চিহ্ন ও অদ্ভুত লক্ষণ দেখাইয়াছিলে; কেননা তুমি জানিতে যে, মিস্রীয়েরা তাহাদের বিরুদ্ধে গর্ব্ব করিত; ইহাতে তুমি আপনার নাম প্রতিষ্ঠিত করিলে, যেমন অদ্য রহিয়াছে।
তিনি তাহাদের পিতৃপুরুষদের সাক্ষাতে নানা আশ্চর্য্য কার্য্য করিয়াছিলেন। মিসর দেশে, সোয়নের মাঠে করিয়াছিলেন।
তাঁহারা উহাদের মধ্যে তাঁহার নানা চিহ্ন, হামের দেশে নানা অদ্ভুত লক্ষণ দেখাইলেন।
হে মিসর! তিনি তোমার মধ্যে চিহ্ন ও লক্ষণমালা পাঠাইয়াছিলেন, ফরৌণের ও তাঁহার সমস্ত দাসের বিরুদ্ধে।
আর তাহারা যে জাতির দাস হইবে, আমিই তাহার বিচার করিব,” ঈশ্বর আরও কহিলেন, “তৎপরে তাহারা বাহির হইয়া আসিবে, এবং এই স্থানে আমার আরাধনা করিবে।”