তুমিই আপন পরাক্রমে সমুদ্রকে দ্বিধা করিয়াছিলে, তুমিই জলে নাগদের মস্তক ভগ্ন করিয়াছিলে।
Cross references
মোশি সমুদ্রের উপরে আপন হস্ত বিস্তার করিলেন, তাহাতে সদাপ্রভু সেই সমস্ত রাত্রি প্রবল পূর্ব্বীয় বায়ু দ্বারা সমুদ্রকে সরাইয়া দিলেন, ও তাহা শুষ্ক ভূমি করিলেন, তাহাতে জল দুই ভাগ হইল।
জল ফিরিয়া আসিল, ও তাহাদের রথ ও অশ্বারূঢ়দিগকে আচ্ছাদন করিল, তাহাতে ফরৌণের যে সকল সৈন্য তাহাদের পশ্চাৎ সমুদ্রে প্রবিষ্ট হইয়াছিল, তাহাদের এক জনও অবশিষ্ট রহিল না।
আর তুমি তাহাদের সম্মুখে সমুদ্রকে দ্বিভাগ করিলে, তাহাতে তাহারা সমুদ্রের মধ্যস্থলে শুষ্ক পথ দিয়া অগ্রসর হইল; কিন্তু প্রবল জলে যেমন প্রস্তর, তেমনি তুমি তাহাদের পশ্চাদ্ধাবনকারী লোকদিগকে অগাধ জলে নিক্ষেপ করিলে।
তিনি সমুদ্রকে শুষ্কভূমিতে পরিণত করিলেন; লোকেরা নদীর মধ্য দিয়া পদব্রজে গমন করিল, তাঁহাতে সেই স্থানে আমরা আনন্দ করিলাম।
তিনি সমুদ্রকে দ্বিধা করিয়া তাহাদিগকে পার করিয়াছিলেন, জলকে স্তূপাকারে দাঁড় করাইয়াছিলেন।
তথাপি তিনি আপন নামের অনুরোধে তাহাদিগকে পরিত্রাণ করিলেন, যেন তিনি আপন বিক্রম জ্ঞাত করেন।
[তাঁহার স্তব কর,] যিনি সূফ-সাগরকে দ্বিভাগ করিলেন; —তাঁহার দয়া অনন্তকালস্থায়ী—
আর সদাপ্রভু মিস্রীয় সমুদ্রের খাড়ী নিঃশেষে বিনষ্ট করিবেন, [ফরাৎ] নদীর উপরে নিজ উত্তপ্ত বায়ু সহকারে হস্ত দোলাইবেন, তাহাকে প্রহার করিয়া সপ্ত প্রণালী করিবেন, ও লোকদিগকে পাদুকা-চরণে পার করিবেন।
জাগ, জাগ, বল পরিধান কর, হে সদাপ্রভুর বাহু; জাগ, যেমন পূর্ব্বকালে, সেকালের পুরুষে পুরুষে জাগিয়াছিলে, তুমিই কি রহবকে কুচি কুচি করিয়া কাট নাই, প্রকাণ্ড জলচরকে বিদ্ধ কর নাই?
তুমি এই কথা বল, প্রভু সদাপ্রভু এই কথা কহেন, হে মিসর-রাজ ফরৌণ, দেখ, আমি তোমার বিপক্ষ; তুমি সেই প্রকাণ্ড কুম্ভীর, যে আপন স্রোতঃসমূহের মধ্যে শয়ন করে, বলে, আমার নদী আমারই, আমিই আপনার জন্য ইহা উৎপন্ন করিয়াছি।
হে মনুষ্য-সন্তান, তুমি মিসর-রাজ ফরৌণের জন্য বিলাপ কর, আর তাহাকে বল, জাতিগণের যুবাসিংহের সহিত তোমার তুলনা করা গিয়াছিল; কিন্তু তুমি জলচর কুম্ভীরের সদৃশ; তুমি আপন নদীগণের মধ্যে আস্ফালন করিতে, নিজ চরণ দ্বারা জল মলিন করিতে ও তথাকার নদনদী কর্দ্দমময় করিতে।