আমার হৃদয়ে শুভকথা উথলিয়া উঠিতেছে; আমি রাজার বিষয়ে আপন রচনা বিবৃত করিব; আমার জিহ্বা দ্রুত লেখকের লেখনীস্বরূপ।
Cross references
আমার দ্বারা সদাপ্রভুর আত্মা বলিয়াছেন, তাঁহার বাণী আমার জিহ্বাগ্রে রহিয়াছে।
ইষ্রা মোশির ব্যবস্থায়, ইস্রায়েলের ঈশ্বর সদাপ্রভুর দত্ত ব্যবস্থায়, ব্যুৎপন্ন অধ্যাপক ছিলেন, এবং তাঁহার উপরে তাঁহার ঈশ্বর সদাপ্রভুর হস্ত থাকায় রাজা তাঁহার সমস্ত বাঞ্ছিত বিষয় তাঁহাকে দিলেন।
কেননা আমি কথায় পরিপূর্ণ, আমার অন্তরস্থ আত্মা আমাকে প্রবর্ত্তনা করিতেছে।
আমার বাক্য মনের সরলতা দেখাইবে, আমার ওষ্ঠাধর যাহা জানে, সরল ভাবে কহিবে।
আইসুন, যাহা ন্যায্য তাহাই মনোনীত করি, ভাল কি, আপনাদের মধ্যে নিশ্চয় করি।
আমিই আমার রাজাকে স্থাপন করিয়াছি আমার পবিত্র সিয়োন-পর্ব্বতে।
হে পুরদ্বার সকল, মস্তক তোল; হে চিরন্তন কবাট সকল, উত্থিত হও; প্রতাপের রাজা প্রবেশ করিবেন।
দ্বিতীয় খণ্ড। [1] হরিণী যেমন জলস্রোতের আকাঙ্ক্ষা করে, তেমনি, হে ঈশ্বর, আমার প্রাণ তোমার আকাঙ্ক্ষা করিতেছে।
আমার মুখ প্রজ্ঞার কথা কহিবে, আমার চিত্তের আলোচনা বুদ্ধির ফল হইবে।
হে ঈশ্বর, আমাকে পরিত্রাণ কর, কেননা আমার প্রাণ পর্য্যন্ত জল উঠিয়াছে।
হে ইস্রায়েলের পালক, কর্ণপাত কর, যোষেফকে মেষপালবৎ চালাও যে তুমি, করূবদ্বয়ে আসীন যে তুমি, তুমি দেদীপ্যমান হও।
সদাপ্রভু আমার প্রভুকে বলেন, তুমি আমার দক্ষিণে বস, যাবৎ আমি তোমার শত্রুগণকে তোমার পাদপীঠ না করি।
শুন, কেননা আমি উৎকৃষ্ট কথা কহিব, আমার ওষ্ঠাধরের বিকাশ ন্যায়-সঙ্গত।
জ্ঞানবানের হৃদয় তাহার মুখকে বুদ্ধি দেয়, তাহার ওষ্ঠে পাণ্ডিত্য যোগায়।
পরমগীত; ইহা শলোমনের।
যখন রাজা সভায় বসিলেন, আমার জটামাংসীর সৌরভ বিস্তারিত হইল।
আমি আপন প্রিয়ের উদ্দেশে তাঁহার দ্রাক্ষাক্ষেত্রের বিষয়ে আমার প্রিয়ের একটী গীত গান করি। [1] আমার প্রিয়ের এক দ্রাক্ষাক্ষেত্র ছিল, অতি উর্ব্বর এক গিরিশৃঙ্গে।
দেখ, এক রাজা ধার্ম্মিকতায় রাজত্ব করিবেন, ও শাসনকর্ত্তৃগণ ন্যায়ে শাসন করিবেন।
ভাল মানুষ ভাল ভাণ্ডার হইতে ভাল দ্রব্য বাহির করে, এবং মন্দ মানুষ মন্দ ভাণ্ডার হইতে মন্দ দ্রব্য বাহির করে।
তখন রাজা আপনার দক্ষিণ দিকে স্থিত লোকদিগকে বলিবেন, আইস, আমার পিতার আশীর্ব্বাদ পাত্রেরা, জগতের পত্তনাবধি যে রাজ্য তোমাদের জন্য প্রস্তুত করা গিয়াছে, তাহার অধিকারী হও।
আর উহারা তাঁহার মস্তকের উপরে তাঁহার বিরুদ্ধে এই দোষের কথা লিখিয়া লাগাইয়া দিল, ‘এ ব্যক্তি যীশু, যিহূদীদের রাজা’।
এই নিগূঢ়তত্ত্ব মহৎ, কিন্তু আমি খ্রীষ্টের উদ্দেশে ও মণ্ডলীর উদ্দেশে ইহা কহিলাম।
কারণ ভাববাণী কখনও মনুষ্যের ইচ্ছাক্রমে উপনীত হয় নাই, কিন্তু মনুষ্যেরা পবিত্র আত্মা দ্বারা চালিত হইয়া ঈশ্বর হইতে যাহা পাইয়াছেন, তাহাই বলিয়াছেন।