আমি জীবিতদের দেশে সদাপ্রভুর মঙ্গলভাব দেখিব, এমন বিশ্বাস যদি না করিতাম, [তবে আমার কি হইত]?
Cross references
মনুষ্য তাহার মূল্য জানে না, জীবিতদের দেশে তাহা পাওয়া যায় না।
যেন কূপ হইতে তাহার প্রাণ ফিরাইয়া আনেন, যেন সে জীবিতদের দীপ্তিতে দেদীপ্যমান হয়।
আহা! তোমার দত্ত মঙ্গল কেমন মহৎ, যাহা তুমি তোমার ভয়কারীদের জন্য সঞ্চয় করিয়াছ, যাহা মনুষ্য-সন্তানদের সাক্ষাতে তোমার শরণাপন্নদের পক্ষে সাধন করিয়াছ।
হে আমার প্রাণ, কেন অবসন্ন হও? আমার অন্তরে কেন ক্ষুব্ধ হও? ঈশ্বরে প্রত্যাশা রাখ; কেননা আমি আবার তাঁহার স্তব করিব; তিনি আমার মুখের পরিত্রাণ ও আমার ঈশ্বর।
ঈশ্বরও তোমাকে চিরতরে বিনষ্ট করিবেন, তোমাকে ধরিয়া তাম্বু হইতে টানিয়া লইবেন, জীবিতদের দেশ হইতে তোমাকে উন্মুলন করিবেন। সেলা।
যে সময়ে আমার ভয় লাগে, আমি তোমাতে নির্ভর করিব।
তুমি ত মৃত্যু হইতে আমার প্রাণ উদ্ধার করিয়াছ, তুমি কি পতন হইতে আমার চরণ [উদ্ধার কর নাই,] যেন আমি জীবিতদের দীপ্তিতে ঈশ্বরের সাক্ষাতে গমনাগমন করি?
আমি সদাপ্রভুর সাক্ষাতে যাতায়াত করিব, জীবিতদের দেশেই করিব।
আমি তোমার কাছে কাঁদিলাম, হে সদাপ্রভু, আমি কহিলাম, তুমিই আমার আশ্রয়, তুমি জীবিত লোকদের দেশে আমার অধিকার।
আমার কাকূক্তিতে অবধান কর, কেননা আমি অতিশয় ক্ষীণ হইয়াছি; আমার তাড়নাকারিগণ হইতে আমাকে উদ্ধার কর; কেননা আমা অপেক্ষা তাহারা বলবান।
আমি বলিলাম, আমি সদাপ্রভুকে জীবিতদের দেশে সদাপ্রভুকে আর দেখিব না, জগন্নিবাসীদের সঙ্গে মনুষ্যকেও আর দেখিব না।
জীবিত, জীবিত লোকই তোমার স্তবগান করিবে, আমি যেমন অদ্য করিতেছি; পিতা সন্তানগণকে তোমার সত্য জ্ঞাত করিবে।
কিন্তু আমি বধার্থে নীয়মান গৃহপালিত মেষশাবকের ন্যায় ছিলাম; জানিতাম না যে, তাহারা আমার বিরুদ্ধে কুমন্ত্রণা করিয়াছে, বলিয়াছে, আইস, আমরা ফলশুদ্ধ বৃক্ষটী নষ্ট করি, জীবিত লোকদের দেশ হইতে উহাকে ছেদন করিয়া ফেলি, যেন উহার নাম আর স্মরণে না থাকে।
তখন আমি তোমাকে পাতালগামীদের সঙ্গে প্রাক্কালীন লোকদের নিকটে নামাইব, এবং অধোভুবনে, চিরোৎসন্ন স্থানে, পাতালগামী সকলের সঙ্গে বাস করাইব, তাহাতে তুমি আর বসতিস্থান হইবে না; কিন্তু জীবিতদিগের দেশে আমি শোভা স্থাপন করিব ।
এই জন্য আমরা এই পরিচর্য্যা-পদ প্রাপ্ত হওয়ায়, যেরূপে দয়া পাইয়াছি, তদনুসারে নিরুৎসাহ হই না;
আমরা সর্ব্বপ্রকারে ক্লিষ্ট হইতেছি, কিন্তু সঙ্কটাপন্ন হই না;
এই জন্য আমরা নিরুৎসাহ হই না, কিন্তু আমাদের বাহ্য মনুষ্য যদ্যপি ক্ষীণ হইতেছে, তথাপি আন্তরিক মনুষ্য দিন দিন নূতনীকৃত হইতেছে।