তোমার পরিত্রাণে তিনি মহাগৌরবান্বিত; তুমি তাঁহার উপরে প্রভা ও প্রতাপ রাখিয়াছ।
Cross references
অতএব এখন তুমি আমার দাস দায়ূদকে এই কথা বল, বাহিনীগণের সদাপ্রভু এই কথা কহেন, আমার প্রজার উপরে, ইস্রায়েলের উপরে নায়ক করিবার জন্য আমিই তোমাকে মেষবাথান হইতে ও মেষের পশ্চাৎ হইতে গ্রহণ করিয়াছি।
আর হে প্রভু সদাপ্রভু, তোমার দৃষ্টিতে ইহাও ক্ষুদ্র বিষয় হইল; তুমি আপন দাসের কুলের বিষয়েও সুদীর্ঘ কালের উদ্দেশে কথা কহিলে; হে প্রভু সদাপ্রভু, এ কি মনুষ্যের নিয়ম?
আর তোমার পিতা দায়ূদ যেমন চলিত, তেমনি তুমি যদি আমার আজ্ঞা সকল ও আমার বিধি সকল পালন করিতে আমার পথে চল, তবে আমি তোমার আয়ু দীর্ঘ করিব।
আর তোমার দিন সম্পূর্ণ হইলে যখন তোমাকে আপন পিতৃলোকদের নিকটে যাইতে হইবে, তখন আমি তোমার পরে তোমার বংশকে, তোমার পুত্রগণের মধ্যে এক জনকে, স্থাপন করিব; এবং তাহার রাজ্য স্থির করিব।
এখন তুমি অনুগ্রহ করিয়া আপন দাসের কুলকে আশীর্ব্বাদ করিয়াছ, যেন সেই কুল তোমার সম্মুখে চিরকাল থাকে; কেননা, হে সদাপ্রভু, তুমিই আশীর্ব্বাদ করিয়াছ, তাই তাহা চিরকালের জন্য আশীর্ব্বাদযুক্ত।
কিন্তু, হে সদাপ্রভু, তুমিই আমার বেষ্টনকারী ঢাল, আমার গৌরব, ও আমার মস্তক উত্তোলনকারী।
তুমি ঈশ্বর অপেক্ষা তাহাকে অল্পই ন্যূন করিয়াছ, গৌরব ও প্রতাপের মুকুটে বিভূষিত করিয়াছ।
তিনি চিরকাল ঈশ্বরের সাক্ষাতে বসতি করিবেন; দয়া ও সত্যকে তাঁহার রক্ষার্থে নিযুক্ত কর।
আমার পরিত্রাণ ও আমার গৌরব ঈশ্বরনিষ্ঠ; আমার বলের শৈল ও আমার আশ্রয় ঈশ্বরে বিদ্যমান।
প্রভা ও প্রতাপ তাঁহার অগ্রবর্ত্তী; শক্তি ও শোভা তাঁহার ধর্ম্মধামে বিদ্যমান।
সদাপ্রভু আমার প্রভুকে বলেন, তুমি আমার দক্ষিণে বস, যাবৎ আমি তোমার শত্রুগণকে তোমার পাদপীঠ না করি।
তাহা হর্ম্মোণের শিশিরের সদৃশ, যাহা সিয়োন পর্ব্বতে ক্ষরিয়া পড়ে; কারণ তথায় সদাপ্রভু আশীর্ব্বাদ আজ্ঞা করিলেন, অনন্তকালের জন্য জীবন আজ্ঞা করিলেন।
আর এখন সদাপ্রভু বলেন; যিনি আমাকে গর্ভাবধি নির্ম্মাণ করিয়াছেন, যেন আমি তাঁহার দাস হইয়া যাকোবকে তাঁহার কাছে পুনরানয়ন করি, যেন ইস্রায়েল তাঁহার কাছে সংগৃহিত হয়; —বাস্তবিক, সদাপ্রভুর দৃষ্টিতে আমি সম্মানিত, এবং আমার ঈশ্বর আমার বল হইয়াছেন;
উনি কে, যিনি ইদোম হইতে আসিতেছেন, রক্তরঞ্জিত বস্ত্র পরিয়া বস্রা হইতে আসিতেছেন? উনি কে, যিনি আপন পরিচ্ছদে প্রতাপান্বিত, আপন শক্তির বাহুল্যে চলিয়া আসিতেছেন? ‘এ আমি, যিনি ধর্ম্মশীলতায় কথা বলেন, ও যিনি পরিত্রাণ করণে বলবান্।’
তখন যীশু নিকটে আসিয়া তাঁহাদের সহিত কথা কহিলেন, বলিলেন, স্বর্গে ও পৃথিবীতে সমস্ত কর্ত্তৃত্ব আমাকে দত্ত হইয়াছে।
সে বাহিরে গেলে পর যীশু কহিলেন, এখন মনুষ্যপুত্র মহিমান্বিত হইলেন, এবং ঈশ্বর তাঁহাতে মহিমান্বিত হইলেন।
যীশু এই সকল কথা কহিলেন; আর স্বর্গের দিকে চক্ষু তুলিয়া বলিলেন, পিতঃ, সময় উপস্থিত হইল; তোমার পুত্রকে মহিমান্বিত কর, যেন পুত্র তোমাকে মহিমান্বিত করেন;
আর এক্ষণে, হে পিতঃ, জগৎ হইবার পূর্ব্বে তোমার কাছে আমার যে মহিমা ছিল, তুমি সেই মহিমায় তোমার নিজের কাছে আমাকে মহিমান্বিত কর।
আর তুমি আমাকে যে মহিমা দিয়াছ, তাহা আমি তাহাদিগকে দিয়াছি; যেন তাহারা এক হয়, যেমন আমরা এক;
যাহা তিনি খ্রীষ্টে সাধন করিয়াছেন; ফলতঃ তিনি তাঁহাকে মৃতগণের মধ্য হইতে উঠাইয়াছেন, এবং স্বর্গীয় স্থানে নিজ দক্ষিণ পার্শ্বে বসাইয়াছেন,
এই কারণ ঈশ্বর তাঁহাকে অতিশয় উচ্চপদান্বিতও করিলেন, এবং তাঁহাকে সেই নাম দান করিলেন, যাহা সমুদয় নাম অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ;
এই সমস্ত কথার সার এই, আমাদের এমন এক মহাযাজক আছেন, যিনি স্বর্গে, মহিমা-সিংহাসনের দক্ষিণে, উপবিষ্ট হইয়াছেন।
তিনি স্বর্গে গমন করিয়া ঈশ্বরের দক্ষিণে আছেন; দূতগণও কর্ত্তৃত্ব সকল ও পরাক্রমসমূহ তাঁহার বশীকৃত হইয়াছে।
তিনি যখন পুস্তকখানি গ্রহণ করেন, তখন ঐ চারি প্রাণী ও চব্বিশ জন প্রাচীন মেষশাবকের সাক্ষাতে প্রণিপাত করিলেন; তাঁহাদের প্রত্যেকের কাছে একটী বীণা ও সুগন্ধি ধূপে পরিপূর্ণ স্বর্ণময় বাটি ছিল; সেই ধূপ পবিত্রগণের প্রার্থনাস্বরূপ।