আমি কীর্ত্তনীয় সদাপ্রভুকে ডাকিব, এইরূপে আমার শত্রুগণ হইতে ত্রাণ পাইব।
Cross references
আমি কীর্ত্তনীয় সদাপ্রভুকে ডাকিব, এইরূপে আমার শত্রুগণ হইতে ত্রাণ পাইব।
পরে যেশূয় ও কদ্মীয়েল, বানি, হশব্নিয়, শেরেবিয়, হোদিয়, শবনিয়, পথাহিয়, এই কয়েক জন লেবীয় এই কথা কহিল, উঠ; তোমাদের ঈশ্বর সদাপ্রভুর ধন্যবাদ কর, যিনি অনাদিকাল হইতে অনন্তকাল পর্য্যন্ত [ধন্য]। তোমার প্রতাপান্বিত নামের ধন্যবাদ হউক, যাহা যাবতীয় ধন্যবাদ ও প্রশংসার অতীত।
আমি স্বরবে সদাপ্রভুকে ডাকি, আর তিনি আপন পবিত্র পর্ব্বত হইতে আমাকে উত্তর দেন। সেলা।
মম রাজন্, মম ঈশ্বর, মম আর্ত্তনাদের রব শুন, কেননা আমি তোমারই কাছে প্রার্থনা করিতেছি।
সদাপ্রভু, আমি তোমাকে ডাকিতেছি; আমার শৈল, আমার প্রতি বধির হইও না; পাছে, যদি তুমি আমার প্রতি নীরব হও, আমি গর্ত্তগামীদের তুল্য হইয়া পড়ি।
আমাকে সেই জাল হইতে উদ্ধার কর, যাহা লোকে আমার জন্য গোপনে পাতিয়াছে, কেননা তুমিই আমার দৃঢ় আশ্রয়।
সদাপ্রভু মহান্ ও অতীব কীর্ত্তনীয়, আমাদের ঈশ্বরের নগরে, তাঁহার পবিত্র পর্ব্বতে।
আর সঙ্কটের দিনে আমাকে ডাকিও; আমি তোমাকে উদ্ধার করিব, ও তুমি আমার গৌরব করিবে।
আমি কিন্তু ঈশ্বরকে ডাকিব, তাহাতে সদাপ্রভু আমাকে পরিত্রাণ করিবেন।
তোমরা কত কাল এক জন মনুষ্যকে আক্রমণ করিবে, সকলে তাহাকে হনন করিবে, হেলিয়া পড়া ভিত্তি ও ভাঙ্গা বেড়ার ন্যায়?
হে লোক সকল, সতত তাঁহাতে নির্ভর কর, তাঁহারই সম্মুখে তোমাদের মনের কথা ভাঙ্গিয়া বল; ঈশ্বরই আমাদের আশ্রয়। সেলা।
হে ঈশ্বর, সিয়োনে প্রশংসা তোমার অপেক্ষা করে, তোমার উদ্দেশে মানত পূর্ণ করা যাইবে।
তুমি আমার বসতির শৈল হও, যেখানে আমি নিত্য যাইতে পারি; তুমি আমার পরিত্রাণ করিতে আজ্ঞা করিয়াছ; কেননা তুমিই আমার শৈল ও আমার দুর্গ।
মৃগয়ার পর্ব্বতমালা হইতে তুমি তেজোময় ও মহিমান্বিত।
আমি সদাপ্রভুর বিষয়ে বলিব, ‘তিনি আমার আশ্রয়, আমার দুর্গ, আমার ঈশ্বর, আমি তাঁহাতে নির্ভর করিব’।
সে আমাকে ডাকিবে, আমি তাহাকে উত্তর দিব; আমি সঙ্কটে তাহার সঙ্গে থাকিব; আমি তাহাকে উদ্ধার করিব, গৌরবান্বিতও করিব।
কেননা সদাপ্রভু মহান ও অতি কীর্ত্তনীয়, তিনি সমস্ত দেবতা অপেক্ষা ভয়ার্হ।
ধন্য সদাপ্রভু, আমার শৈল, তিনিই আমার হস্তকে যুদ্ধ শিখান, আমার অঙ্গুলি সকলকে সংগ্রাম শিক্ষা দেন।
সদাপ্রভু মহান্ ও অতীব কীর্ত্তনীয়; তাঁহার মহিমার তত্ত্ব পাওয়া যায় না।
হে সদাপ্রভু, আমার বল ও আমার দুর্গ, এবং সঙ্কটকালে আমার আশ্রয়, পৃথিবীর প্রান্ত সকল হইতে জাতিগণ তোমার নিকটে আসিয়া বলিবে, ‘কেবল মিথ্যা বিষয়ে ও অসার বস্তুতে আমাদের পিতৃপুরুষদের অধিকার ছিল, তাহার মধ্যে একটাও উপকারী নয়।
আমাদের শত্রুগণ হইতে ও যাহারা আমাদিগকে দ্বেষ করে, তাহাদের সকলের হস্ত হইতে পরিত্রাণ করিয়াছেন।
আর এইরূপ হইবে, যে কেহ প্রভুর নামে ডাকিবে, সেই পরিত্রাণ পাইবে।”
এই সকল ধরিয়া আমরা কি বলিব? ঈশ্বর যখন আমাদের সপক্ষ, তখন আমাদের বিপক্ষ কে?
কোন বিষয়ে ভাবিত হইও না, কিন্তু সর্ব্ববিষয়ে প্রার্থনা ও বিনতি দ্বারা ধন্যবাদ সহকারে তোমাদের যাচ্ঞা সকল ঈশ্বরকে জ্ঞাত কর।
‘হে আমাদের প্রভু ও আমাদের ঈশ্বর, তুমিই প্রতাপ ও সমাদর ও পরাক্রম গ্রহণের যোগ্য; কেননা তুমিই সকলের সৃষ্টি করিয়াছ, এবং তোমার ইচ্ছাহেতু সকলই অস্তিত্বপ্রাপ্ত ও সৃষ্ট হইয়াছে।’
তাঁহারা উচ্চৈঃস্বরে কহিলেন, ‘মেষশাবক, যিনি হত হইয়াছিলেন, তিনিই পরাক্রম ও ধন ও জ্ঞান ও শক্তি ও সমাদর ও গৌরব ও ধন্যবাদ, এই সকল গ্রহণ করিবার যোগ্য।’