আমি ত ধার্ম্মিকতায় তোমার মুখ দর্শন করিব, জাগিয়া তোমার মূর্ত্তিতে তৃপ্ত হইব।
Cross references
পরে ঈশ্বর কহিলেন, আমরা আমাদের প্রতিমূর্ত্তিতে, আমাদের সাদৃশ্যে মনুষ্য নির্ম্মাণ করি; আর তাহারা সমুদ্রের মৎস্যদের উপরে, আকাশের পক্ষীদের উপরে, পশুগণের উপরে, সমস্ত পৃথিবীর উপরে, ও ভূমিতে গমনশীল যাবতীয় সরীসৃপের উপরে কর্ত্তৃত্ব করুক।
তাহার সহিত আমি সম্মুখাসম্মুখি হইয়া কথা কহি, গূঢ় বাক্য দ্বারা নয়, কিন্তু প্রকাশ্যরূপে; এবং সে সদাপ্রভুর মূর্ত্তি দর্শন করিবে; অতএব আমার দাসের প্রতিকূলে, মোশির প্রতিকূলে, কথা কহিতে তোমরা কেন ভীত হইলে না?
যদি সদাপ্রভুর সেবা করা তোমাদের মন্দ বোধ হয়, তবে যাহার সেবা করিবে, তাহাকে অদ্য মনোনীত কর; নদীর ওপারস্থ তোমাদের পিতৃপুরুষদের সেবিত দেবগণ হয় হউক, কিম্বা যাহাদের দেশে তোমরা বাস করিতেছ, সেই ইমোরীয়দের দেবগণ হয় হউক; কিন্তু আমি ও আমার পরিজন আমরা সদাপ্রভুর সেবা করিব।
তদ্রূপ মনুষ্য শয়ন করিলে আর উঠে না, যাবৎ আকাশ লুপ্ত না হয়, সে জাগিবে না, নিদ্রা হইতে জাগরিত হইবে না।
আর আমার চর্ম্ম এইরূপে বিনষ্ট হইলে পর, তবু আমি মাংসবিহীন হইয়া ঈশ্বরকে দেখিব।
আমি তাঁহাকে আপনার সপক্ষ দেখিব, আমারই চক্ষু দেখিবে, অন্যে নয়। বক্ষোমধ্যে আমার হৃদয় ক্ষীণ হইতেছে।
অনেকে বলে, কে আমাদিগকে মঙ্গল দেখাইবে? হে সদাপ্রভু, আমাদের প্রতি নিজ মুখের দীপ্তি উদিত কর।
কিন্তু আমি তোমার দয়ার বাহুল্যে তোমার গৃহে প্রবেশ করিব, তোমার পবিত্র মন্দিরের অভিমুখে তোমার ভয়ে প্রণিপাত করিব।
কেননা সদাপ্রভু ধর্ম্মময়, ধর্ম্মকর্ম্মই ভালবাসেন; সরল লোক তাঁহার শ্রীমুখ দর্শন করিবে।
তুমি আমাকে জীবনের পথ জ্ঞাত করিবে, তোমার সম্মুখে তৃপ্তিকর আনন্দ, তোমার দক্ষিণ হস্তে নিত্য সুখভোগ।
তাহারা তোমার গৃহের পুষ্টিকর দ্রব্যে পরিতৃপ্ত হয়, তুমি তাহাদিগকে তোমার আনন্দ নদীর জল পান করাইয়া থাক।
তাহারা পাতালের জন্য নিযুক্ত মেষপালবৎ, মৃত্যু তাহাদিগকে চরাইবে; সরলগণ প্রভাতে তাহাদের উপরে কর্ত্তৃত্ব করিবে; তাহাদের রূপ পাতালে নষ্ট হইবে, তাহার কোন বসতিস্থান আর থাকিবে না।
ধন্য সেই, যাহাকে তুমি মনোনীত করিয়া নিকটে আন, সে তোমার প্রাঙ্গণে বাস করিবে; আমরা পরিতৃপ্ত হইব, তোমার গৃহের উত্তম দ্রব্যে, তোমার পবিত্র মন্দিরের উত্তম দ্রব্যে।
তোমার সাক্ষ্যকলাপ আমি চিরতরে অধিকার করিয়াছি, কারণ সে সকল আমার চিত্তের হর্ষজনক।
তোমার মৃতেরা জীবিত হইবে, আমার শবসমূহ উঠিবে; হে ধূলি-নিবাসীরা, তোমরা জাগ্রত হও, আনন্দ গান কর; কেননা তোমার শিশির দীপ্তির শিশির তুল্য, এবং ভূমি প্রেতদিগকে ভূমিষ্ঠ করিবে।
তখন আমি জাগ্রৎ হইয়া দৃষ্টিপাত করিলাম, আর আমার নিদ্রা আমার সুখদায়ক ছিল।
ধন্য যাহারা ধার্ম্মিকতার জন্য ক্ষুধিত ও তৃষিত, কারণ তাহারা পরিতৃপ্ত হইবে।
এবং কবর সকল খুলিয়া গেল, আর অনেক নিদ্রাগত পবিত্র লোকের দেহ উত্থাপিত হইল;
কিন্তু আমরা সকলে অনাবৃত মুখে প্রভুর তেজ দর্পণের ন্যায় প্রতিফলিত করিতে করিতে তেজ হইতে তেজ পর্য্যন্ত যেমন প্রভু হইতে, আত্মা হইতে হইয়া থাকে, তেমনি সেই মূর্ত্তিতে স্বরূপান্তরীকৃত হইতেছি।
তিনি আমাদের দীনতার দেহকে রূপান্তর করিয়া নিজ প্রতাপের দেহের সমরূপ করিবেন, যে কার্য্যসাধক-শক্তিতে তিনি সকলই আপনার বশীভূত করিতে পারেন, তাহারই গুণে করিবেন।
প্রিয়তমেরা, এখন আমরা ঈশ্বরের সন্তান; এবং কি হইব, তাহা এ পর্য্যন্ত প্রকাশিত হয় নাই। আমরা জানি, তিনি যখন প্রকাশিত হইবেন, তখন আমরা তাঁহার সমরূপ হইব; কারণ তিনি যেমন আছেন, তাঁহাকে তেমনি দেখিতে পাইব।
“ইহারা আর কখনও ক্ষুধিত হইবে না, আর কখনও তৃষ্ণার্ত্তও হইবে না, এবং ইহাদিগেতে রৌদ্র বা কোন উত্তাপ লাগিবে না;
পরে আমি সিংহাসন হইতে এই উচ্চ বাণী শুনিলাম, দেখ, মনুষ্যদের সহিত ঈশ্বরের আবাস; তিনি তাহাদের সহিত বাস করিবেন, এবং তাহারা তাঁহার প্রজা হইবে; এবং ঈশ্বর আপনি তাহাদের সঙ্গে থাকিবেন, ও তাহাদের ঈশ্বর হইবেন।
“আর সেই নগরে দীপ্তিদানার্থে সূর্য্যের বা চন্দ্রের কিছু প্রয়োজন নাই; কারণ ঈশ্বরের প্রতাপ তাহা আলোকময় করে, এবং মেষশাবক তাহার প্রদীপস্বরূপ।