অনেক মধুর বাক্যে সে তাহার চিত্ত হরণ করিল, ওষ্ঠাধরের চাটুবাদে তাহাকে আকর্ষণ করিল।
Cross references
তাঁহার স্ত্রী উৎসব-সপ্তাহের শেষ পর্য্যন্ত তাঁহার কাছে রোদন করিল; পরে তিনি সপ্তম দিবসে তাহাকে বলিয়া দিলেন; কেননা সে তাঁহাকে পীড়াপীড়ি করিয়াছিল। পরে ঐ স্ত্রী স্বজাতীয়দিগকে প্রহেলিকার অর্থ বলিয়া দিল।
পরে দলীলা তাঁহাকে কহিল, তুমি কি প্রকারে বলিতে পার যে, তুমি আমাকে ভালবাস? তোমার মন ত আমাতে নাই; এই তিন বার তুমি আমাকে উপহাস করিলে; কিসে তোমার এমন মহাবল হয়, তাহা আমাকে কহিলে না।
কিন্তু তিনি অসম্মত হইয়া কহিলেন, আমি ভোজন করিব না; তথাচ তাঁহার দাসগণ ও সেই স্ত্রীলোকটী আগ্রহপূর্ব্বক বিনয় করিলে তিনি তাহাদের কথা শুনিয়া ভূমি হইতে উঠিয়া খট্টায় বসিলেন।
এক দিন ইলীশায় শূনেমে যান। তথায় এক ধনবতী মহিলা ছিলেন; তিনি আগ্রহ সহকারে তাঁহাকে ভোজনের নিমন্ত্রণ করিলেন। পরে যত বার তিনি ঐ পথ দিয়া যাইতেন, তত বার আহার করণার্থে সেই স্থানে যাইতেন।
এই প্রকারে তাহারা আমার কাছে চারি বার লোক পাঠাইল, আর আমি তাহাদিগকে তদ্রূপ উত্তর দিলাম।
প্রতিজন প্রতিবাসীর সহিত অলীক কথা কহে; চাটুবাদী ওষ্ঠাধরে ও দ্বিধা চিত্তে কথা কহে।
কেননা পরকীয়া স্ত্রীর ওষ্ঠ হইতে মধু ক্ষরে, তাহার তালু তৈল অপেক্ষাও স্নিগ্ধ;
সে তোমাকে রক্ষা করিবে, দুষ্টা স্ত্রী হইতে, বিজাতীয়ার জিহ্বার চাটুবাদ হইতে।
তাহাতে তুমি পরকীয়া স্ত্রী হইতে রক্ষা পাইবে, চাটুভাষিণী বিজাতীয়া হইতে রক্ষা পাইবে।
তখন প্রভু দাসকে কহিলেন, বাহির হইয়া রাজপথে রাজপথে ও বেড়ায় বেড়ায় যাও, এবং আসিবার জন্য লোকদিগকে পীড়াপীড়ি কর, যেন আমার গৃহ পরিপূর্ণ হয়।
কিন্তু তাঁহারা সাধ্যসাধনা করিয়া কহিলেন, আমাদের সঙ্গে অবস্থিতি করুন, কারণ সন্ধ্যা হইয়া আসিল, বেলা প্রায় গিয়াছে। তাহাতে তিনি তাঁহাদের সঙ্গে অবস্থিতি করিবার জন্য গৃহে প্রবেশ করিলেন।
তিনি ও তাঁহার পরিবার বাপ্তাইজিত হইলে পর তিনি বিনতি করিয়া কহিলেন, আপনারা যদি আমাকে প্রভুতে বিশ্বাসিনী বলিয়া বিবেচনা করিয়া থাকেন, তবে আমার গৃহে আসিয়া অবস্থিতি করুন। আর তিনি আমাদিগকে সাধ্যসাধনা করিয়া লইয়া গেলেন।
কারণ খ্রীষ্টের প্রেম আমাদিগকে বশে রাখিয়া চালাইতেছে; কেননা আমরা এরূপ বিচার করিয়াছি যে, এক জন সকলের জন্য মরিলেন, সুতরাং সকলেই মরিল;