জ্ঞানীর নিবাসে বহুমূল্য ধনকোষ ও তৈল আছে; কিন্তু হীনবুদ্ধি তাহা খাইয়া ফেলে।
Cross references
সে ধন গ্রাস করিয়াছে, আবার তাহা বমন করিবে; ঈশ্বর তাহার উদর হইতে তাহা বাহির করিবেন;
সে আপন পরিশ্রমের ফল ফিরিয়া দিবে, গ্রাস করিবে না, সে নিজ লব্ধ সম্পত্তি অনুসারে আমোদ করিবে না।
তুমি আমার শত্রুগণের সাক্ষাতে আমার সম্মুখে মেজ সাজাইয়া থাক; তুমি আমার মস্তক তৈলে সিক্ত করিয়াছ; আমার পানপাত্র উথলিয়া পড়িতেছে।
তাহার গৃহে ধন ও ঐশ্বর্য্য থাকে, তাহার ধার্ম্মিকতা নিত্যস্থায়ী।
সদাপ্রভুর আশীর্ব্বাদই ধনবান করে, এবং তিনি তাহার সহিত মনোদুঃখ দেন না।
ধার্ম্মিকের গৃহে মহাধন থাকে; কিন্তু দুষ্টের আয়ে উদ্বেগ থাকে।
আবার ঈশ্বর যে কোন ব্যক্তিকে ধন-সম্পত্তি দান করেন, তাহাকে তাহা ভোগ করিতে, আপন অংশ লইতে ও আপন পরিশ্রমে আনন্দ করিতে ক্ষমতা দেন, ইহাই ঈশ্বরের দান।
পৈতৃক ধনের ন্যায় প্রজ্ঞা ভাল; তাহা সূর্য্যদর্শী লোকদের পক্ষে আরও উৎকৃষ্ট।
হাস্যের নিমিত্ত ভোজ প্রস্তুত করা হয়, এবং দ্রাক্ষারস জীবন আনন্দযুক্ত করে, আর রৌপ্য সকলই যোগায়।
কিন্তু তাহাদের মধ্যে দশ জনকে পাওয়া গেল, যাহারা ইশ্মায়েলকে কহিল, আমাদিগকে বধ করিবেন না, কেননা ক্ষেত্রে আমাদের গোম, যব, তৈল, ও মধুর গুপ্ত ভাণ্ডার আছে। তাহাতে সে ক্ষান্ত হইল, তাহাদের ভ্রাতৃগণের মধ্যে তাহাদিগকে বধ করিল না।
তোমরা পৃথিবীতে আপনাদের জন্য ধন সঞ্চয় করিও না; এখানে ত কীটে ও মর্চ্চ্যায় ক্ষয় করে, এবং এখানে চোরে সিঁধ কাটিয়া চুরি করে।
কারণ যাহারা নির্বুদ্ধি, তাহারা আপন আপন প্রদীপ লইল, সঙ্গে তৈল লইল না;
আর নির্বুদ্ধিরা সুবুদ্ধিদিগকে বলিল, তোমাদের তৈল হইতে আমাদিগকে কিছু দেও, কেননা আমাদের প্রদীপ নিবিয়া যাইতেছে।
ভাল মানুষ আপন হৃদয়ের ভাল ভাণ্ডার হইতে ভালই বাহির করে; এবং মন্দ মানুষ মন্দ ভাণ্ডার হইতে মন্দই বাহির করে; যেহেতুক হৃদয়ের উপচয় হইতে তাহার মুখ কথা কহে।
সে সমস্ত ব্যয় করিয়া ফেলিলে পর সেই দেশে ভারী আকাল হইল, তাহাতে সে কষ্টে পড়িতে লাগিল।
আর তিনি শিষ্যদিগকেও কহিলেন, এক জন ধনবান্ লোক ছিল, তাহার এক দেওয়ান ছিল; সে স্বামীর ধন অপচয় করিতেছে বলিয়া তাহার নিকটে অপবাদিত হইল।
এক জন ধনবান্ লোক ছিল, সে বেগুনে কাপড় ও সূক্ষ্ম বস্ত্র পরিধান করিত, এবং প্রতিদিন জাঁকজমকের সহিত আমোদ প্রমোদ করিত।