রাজার মুখের দীপ্তিতে জীবন, তাঁহার অনুগ্রহ অন্তিম বর্ষার মেঘ।
Cross references
তাহারা যেমন বৃষ্টির, তেমনি আমার প্রতীক্ষা করিত; যেন শেষ বর্ষার জন্য মুখ বিস্তার করিত।
অনেকে বলে, কে আমাদিগকে মঙ্গল দেখাইবে? হে সদাপ্রভু, আমাদের প্রতি নিজ মুখের দীপ্তি উদিত কর।
তুমি তাঁহাকে চিরস্থায়ী আশীর্ব্বাদযুক্ত করিয়াছ, তোমার শ্রীমুখে তাঁহাকে আনন্দে পুলকিত করিয়াছ।
কেননা তাঁহার ক্রোধ নিমেষমাত্র থাকে, তাঁহার অনুগ্রহেতেই জীবন; সন্ধ্যাকালে রোদন অতিথিরূপে আইসে, কিন্তু প্রাতঃকালে আনন্দ উপস্থিত।
ছিন্নতৃণ মাঠে বৃষ্টির ন্যায় তিনি নামিয়া আসিবেন, ভূমি সিঞ্চনকারী জলধারার ন্যায় আসিবেন।
রাজার কোপ সিংহের হুঙ্কারের তুল্য; কিন্তু তাঁহার অনুগ্রহ তৃণের উপরিস্থ শিশিরবৎ।
অনেকে শাসনকর্ত্তার অনুগ্রহ অন্বেষণ করে; কিন্তু মনুষ্যের বিচার সদাপ্রভু হইতেই হয়।
আইস, আমরা সদাপ্রভুকে জ্ঞাত হই, জ্ঞাত হইবার জন্য অনুধাবন করি; অরুণোদয়ের ন্যায় তাঁহার উদয় নিশ্চিত; আর তিনি আমাদের নিকটে বৃষ্টির ন্যায় আসিবেন, ভূমি-সেচনকারী শেষ বর্ষার ন্যায় আসিবেন।
তোমরা শেষ বর্ষার সময়ে সদাপ্রভুর কাছে বৃষ্টি যাচ্ঞা কর; সদাপ্রভু বিদ্যুতের উৎপাদক। তিনি লোকদিগকে প্রচুর বৃষ্টি দিবেন, প্রত্যেক জনের ক্ষেত্রে তৃণ দিবেন।
তুমি আমাকে জীবনের পথ জ্ঞাত করিয়াছ, তোমার শ্রীমুখ দ্বারা আমাকে আনন্দে পূর্ণ করিবে।”