কেননা আমি আপনাকে অতিশয় সম্মানিত করিব; আপনি আমাকে যাহা যাহা বলিবেন; আমি সকলই করিব; অতএব বিনয় করি, আপনি আসিয়া আমার নিমিত্তে সেই লোকদিগকে শাপ দিউন।
Cross references
এখন নিবেদন করি, আপনি আসিয়া আমার নিমিত্তে সেই লোকদিগকে শাপ দিউন; কেননা আমা হইতে তাহারা বলবান্; হয় ত আমি তাহাদিগকে আঘাত করিয়া দেশ হইতে দূর করিয়া দিতে পারিব; কেননা আমি জানি, আপনি যাহাকে আশীর্ব্বাদ করেন, সে আশীঃপ্রাপ্ত হয়, ও যাহাকে শাপ দেন, সে শাপগ্রস্ত হয়।
আর বালাক বিলিয়মকে কহিলেন, আমি আপনাকে ডাকিয়া আনিতে কি অতি যত্নপূর্ব্বক লোক পাঠাই নাই? আপনি আমার নিকটে কেন আইসেন নাই? আপনাকে সম্মানিত করিতে আমি কি সত্যই অসমর্থ?
তাহাতে বালাক বিলিয়মের বাক্যানুসারে সেইরূপ করিলেন; তখন বালাক ও বিলিয়ম এক এক বেদিতে এক একটী গোবৎস ও এক একটী মেষ উৎসর্গ করিলেন।
বিলিয়ম বালাককে কহিল, এই স্থানে আমার নিমিত্তে সাতটী বেদি নির্ম্মাণ করুন, এবং এই স্থানে আমার জন্য সাতটী গোবৎসের ও সাতটী মেষের আয়োজন করুন।
এখন স্বস্থানে পলায়ন করুন; আমি বলিয়াছিলাম, আপনাকে অতিশয় গৌরবান্বিত করিব, কিন্তু দেখুন, সদাপ্রভু আপনাকে গৌরব বিরহিত করিলেন।
তুমি সাত সপ্তাহ গণনা করিবে; ক্ষেত্রস্থ শস্যে প্রথম কাস্ত্যা দেওয়া অবধি সাত সপ্তাহ গণনা করিতে আরম্ভ করিবে।
আর হামন তাহাদের কাছে আপন ঐশ্বর্য্যের প্রতাপ ও সন্তান-বাহুল্যের কথা, এবং রাজা কিরূপে সকল বিষয়ে তাহাকে উচ্চ পদ দিয়াছেন ও কিরূপে তাহাকে অধ্যক্ষগণ ও রাজার দাসগণ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ আসন দিয়াছেন, এই সমস্ত তাহাদের কাছে বর্ণনা করিল।
পরে রাজার সাক্ষাতে উপস্থিত হর্বোণা নামে এক নপুংসক কহিল, দেখুন, যে মর্দখয় মহারাজের পক্ষে হিত-জনক সংবাদ দিয়াছিলেন, তাঁহার জন্য হামন-পঞ্চাশ হস্ত উচ্চ ফাঁশিকাষ্ঠ প্রস্তুত করিয়াছে, তাহা হামনের বাটীতে স্থাপিত আছে। রাজা কহিলেন, তাহারই উপরে ইহাকে ফাঁশি দেও।
আবার দিয়াবল তাঁহাকে অতি উচ্চ এক পর্ব্বতে লইয়া গেল, এবং জগতের সমস্ত রাজ্য ও সেই সকলের প্রতাপ দেখাইল,
এই জন্য তিনি শপথপূর্ব্বক এই প্রতিজ্ঞা করিলেন, তুমি যাহা চাহিবে, তাহাই তোমাকে দিব।
বস্তুতঃ মনুষ্য যদি সমুদয় জগৎ লাভ করিয়া আপন প্রাণ হারায়, তবে তাহার কি লাভ হইবে? কিম্বা মনুষ্য আপন প্রাণের পরিবর্ত্তে কি দিবে?