হে আমার বিদ্বেষিণি, আমার বিরুদ্ধে আনন্দ করিও না; পতিত হইলেও আমি উঠিব, অন্ধকারে বসিলেও সদাপ্রভু আমার আলোকস্বরূপ হইবেন।
Cross references
আমার বিদ্বেষীর বিপদে কি আনন্দ করিয়াছি? তাহার অমঙ্গলে কি উল্লসিত হইয়াছি?
পাছে শত্রু বলে, আমি তাহাকে জয় করিয়াছি; পাছে আমি বিচলিত হইলে বিপক্ষগণ উল্লাস করে।
তাহারা নত হইয়া পতিত হইয়াছে, কিন্তু আমরা উত্থিত হইয়া দাঁড়াইয়া আছি।
সদাপ্রভু আমার জ্যোতি, আমার পরিত্রাণ, আমি কাহা হইতে ভীত হইব? সদাপ্রভু আমার জীবন-দুর্গ, আমি কাহা হইতে ত্রাসযুক্ত হইব?
তথাপি তাহারা আমার পদস্খলনে আনন্দিত হইল, ও সকলে একত্র হইল; অধম লোকেরা আমার অজ্ঞাতসারে আমার বিরুদ্ধে একত্র হইল, তাহারা আমাকে বিদীর্ণ করিল, ক্ষান্ত হইল না।
আমার শত্রুগণকে আমার বিষয়ে অন্যায় আনন্দ করিতে দিও না, যাহারা অকারণে আমাকে দ্বেষ করে, তাহাদিগকে ভ্রূকুটি করিতে দিও না।
সদাপ্রভু, আমার ঈশ্বর, তোমার ধর্ম্মশীলতা অনুসারে আমার বিচার কর, উহারা আমার উপরে আনন্দ না করুক।
দুষ্ট ঋণ করিয়া পরিশোধ করে না, কিন্তু ধার্ম্মিক দয়াবান ও দানশীল।
পতিত হইলেও সে ভূতলশায়ী হইবে না; কেননা সদাপ্রভু তাহার হস্ত ধরিয়া রাখেন।
কেননা আমি কহিলাম, পাছে উহারা আমার বিষয়ে আনন্দ করে, আমার চরণ টলিলেই আমার বিপক্ষে দর্প করে।
হে সদাপ্রভু, তুমি আমার প্রতি কৃপা কর, আমাকে উঠাও, যেন আমি উহাদিগকে প্রতিফল দিই।
কারণ সদাপ্রভু ঈশ্বর সূর্য্য ও ঢাল; সদাপ্রভু অনুগ্রহ ও প্রতাপ প্রদান করেন; যাহারা সিদ্ধতায় চলে, তিনি তাহাদের মঙ্গল করিতে অস্বীকার করিবেন না।
দীপ্তি বপন করা গিয়াছে ধার্ম্মিকের জন্য, আর সরলচিত্তদের জন্য আনন্দ।
লোকেরা অন্ধকারে ও মৃত্যুচ্ছায়ায় বসিয়াছিল, দুঃখ-পাশে ও লৌহ-শৃঙ্খলে বদ্ধ ছিল;
সরল লোকের জন্য অন্ধকারে জ্যোতি উদিত হয়; সে কৃপাময়, স্নেহশীল ও ধার্ম্মিক।
শত্রু আমার প্রাণকে তাড়না করিয়াছে; সে আমার জীবন ভূমিতে চূর্ণ করিয়াছে; সে আমাকে অন্ধকারে বাস করাইয়াছে, চিরকালের মৃতগণের সদৃশ করিয়াছে।
কেননা ধার্ম্মিক সাত বার পড়িলেও আবার উঠে; কিন্তু দুষ্টেরা বিপৎপাতে নিপাতিত হইবে।
তোমার শত্রুর পতনে আনন্দ করিও না, সে নিপাতিত হইলে তোমার চিত্ত উল্লাসিত না হউক;
যাকোবের কুল, চল, আমরা সদাপ্রভুর দীপ্তিতে গমন করি।
যে জাতি অন্ধকারে ভ্রমণ করিত, তাহারা মহা-আলোক দেখিতে পাইয়াছে; যাহারা মৃত্যুচ্ছায়ার দেশে বাস করিত, তাহাদের উপরে আলোক উদিত হইয়াছে।
তুমি বন্দিগণকে বলিবে, বাহির হও; যাহারা অন্ধকারে আছে, তাহাদিগকে বলিবে প্রকাশিত হও। তাহারা পথে পথে চরিবে, ও বৃক্ষশূন্য গিরিশ্রেণী তাহাদের চরাণিস্থান হইবে।
তোমাদের মধ্যে এমন কে আছে, যে সদাপ্রভুকে ভয় করে, যে তাঁহার দাসের রবে কর্ণপাত করে? যে অন্ধকারে চলে যাহার দীপ্তি নাই, সে সদাপ্রভুর নামে বিশ্বাস করুক, আপন ঈশ্বরে নির্ভর দিউক।
উঠ, দীপ্তিমতী হও, কেননা তোমার দীপ্তি উপস্থিত, সদাপ্রভুর প্রতাপ তোমার উপরে উদিত হইল।
সূর্য্য আর দিবসে তোমার জ্যোতিঃ হইবে না, আলোকের জন্য চন্দ্রও তোমাকে জ্যোৎস্না দিবে না, কিন্তু সদাপ্রভুই তোমার চিরজ্যোতিঃ হইবেন, তোমার ঈশ্বরই তোমার ভূষণ হইবেন।
ওহে তোমরা, যাহারা আমার অধিকার লুট করিতেছ, তোমরা ত আনন্দ ও উল্লাস করিতেছ, শস্যমর্দ্দনকারিণী গাভীর ন্যায় নাচিতেছ, তেজস্বী অশ্বের ন্যায় হেষ্রা রব করিতেছ;
হে ঊষদেশ-নিবাসিনি ইদোম-কন্যে, তুমি আনন্দ কর ও পুলকিতা হও। তোমার নিকটেও সেই পানপাত্র আসিবে, তুমি মত্তা হইবে, উলঙ্গিনী হইবে।
কেননা প্রভু সদাপ্রভু এই কথা কহেন, তুমি ইস্রায়েল-দেশের বিরুদ্ধে হাততালি দিয়াছ, পদাঘাত করিয়াছ ও প্রাণের সহিত সম্পূর্ণ অবজ্ঞাভাবে আনন্দ করিয়াছ।
তুমি ইস্রায়েল-কুলের অধিকার ধ্বংসিত দেখিয়া যেরূপ আনন্দ করিয়াছ, আমি তোমার সহিত সেইরূপ ব্যবহার করিব; হে সেয়ীর পর্ব্বত, তুমি ধ্বংস হইবে, সমস্ত ইদোম, তাহার সমস্তই হইবে; তাহাতে লোকে জানিবে যে, আমিই সদাপ্রভু।
সেই দিন আমি দায়ূদের পতিত কুটীর উত্থাপন করিব, তাহার ফাটা বুজাইয়া দিব, ও উৎপাটিত স্থান সকল উঠাইব, এবং পূর্ব্বকালের ন্যায় তাহা নির্ম্মাণ করিব;
কিন্তু তোমার ভ্রাতার দিনে, তাহার বিষম দুর্দ্দশার দিনে, তাহার দিকে দৃষ্টি করিও না; যিহূদার সন্তানদের বিনাশের দিনে তাহাদের বিষয়ে আনন্দ করিও না, এবং সঙ্কটের দিনে দর্পকথা বলিও না।
তাহা দেখিয়া আমার বিদ্বেষিণী লজ্জায় আচ্ছন্ন হইবে; সে ত আমাকে বলিত, ‘তোমার ঈশ্বর সদাপ্রভু কোথায়?’ আমি স্বচক্ষে তাহাকে দেখিব; এখন সে পথের কর্দ্দমের ন্যায় পদতলে দলিতা হইবে।
কিন্তু তোমরা যে আমার নাম ভয় করিয়া থাক, তোমাদের প্রতি ধার্ম্মিকতা-সূর্য্য উদিত হইবেন, তাঁহার পক্ষপুট আরোগ্যদায়ক; এবং তোমরা বাহির হইয়া পালের গোবৎসদের ন্যায় নাচিবে।
যে জাতি অন্ধকারে বসিয়াছিল, তাহারা মহা আলো দেখিতে পাইল, যাহারা মৃত্যুর দেশে ও ছায়াতে বসিয়াছিল, তাহাদের উপরে আলো উদিত হইল।”
ইহা আমাদের ঈশ্বরের সেই কৃপাযুক্ত স্নেহহেতু হইবে, যদ্দ্বারা ঊর্দ্ধ হইতে ঊষা আমাদের তত্ত্বাবধান করিবে,
যীশু আবার লোকদের কাছে কথা কহিলেন, তিনি বলিলেন, আমি জগতের জ্যোতি; যে আমার পশ্চাৎ আইসে, সে কোন মতে অন্ধকারে চলিবে না, কিন্তু জীবনের দীপ্তি পাইবে।
সত্য, সত্য, আমি তোমাদিগকে বলিতেছি, তোমরা ক্রন্দন ও বিলাপ করিবে, কিন্তু জগৎ আনন্দ করিবে; তোমরা দুঃখার্ত্ত হইবে, কিন্তু তোমাদের দুঃখ আনন্দে পরিণত হইবে।
যেন তুমি তাহাদের চক্ষু খুলিয়া দেও, যেন তাহারা অন্ধকার হইতে জ্যোতির প্রতি, এবং শয়তানের কর্ত্তৃত্ব হইতে ঈশ্বরের প্রতি ফিরিয়া আইসে, যেন আমাতে বিশ্বাস করণ দ্বারা পাপের মোচন ও পবিত্রীকৃত লোকদের মধ্যে অধিকার প্রাপ্ত হয়।’
কারণ যে ঈশ্বর বলিয়াছিলেন, ‘অন্ধকারের মধ্য হইতে দীপ্তি প্রকাশিত হইবে,’ তিনিই আমাদের হৃদয়ে দীপ্তি প্রকাশ করিলেন, যেন যীশু খ্রীষ্টের মুখমণ্ডলে ঈশ্বরের গৌরবের জ্ঞান দীপ্তি প্রকাশ পায়।
আর পৃথিবী-নিবাসীরা তাঁহাদের বিষয়ে আনন্দিত হইবে, আমোদপ্রমোদ করিবে, ও পরস্পর উপঢৌকন পাঠাইবে, কেননা এই দুই ভাববাদী পৃথিবী-নিবাসীদিগকে যন্ত্রণা দিতেন।
“আর সেই নগরে দীপ্তিদানার্থে সূর্য্যের বা চন্দ্রের কিছু প্রয়োজন নাই; কারণ ঈশ্বরের প্রতাপ তাহা আলোকময় করে, এবং মেষশাবক তাহার প্রদীপস্বরূপ।