Cross references
তৎপরে ইয়োব মুখ খুলিয়া আপনার জন্মদিনকে শাপ দিতে লাগিলেন।
হে আমার স্বজাতি, আমার উপদেশ শ্রবণ কর, আমার মুখের বাক্যে কর্ণপাত কর।
শুন, কেননা আমি উৎকৃষ্ট কথা কহিব, আমার ওষ্ঠাধরের বিকাশ ন্যায়-সঙ্গত।
তুমি বোবাদিগের জন্য তোমার মুখ খোল, অনাথ সকলের জন্য খোল।
যেন ভাববাদীর দ্বারা কথিত এই বচন পূর্ণ হয়, “আমি দৃষ্টান্ত কথায় আপন মুখ খুলিব, জগতের পত্তনাবধি যাহা যাহা গুপ্ত আছে, সে সকল ব্যক্ত করিব।”
পরে তিনি আপন শিষ্যগণের প্রতি দৃষ্টিপাত করিয়া কহিলেন, ধন্য দীনহীনেরা, কারণ ঈশ্বরের রাজ্য তোমাদেরই।
তখন ফিলিপ মুখ খুলিয়া শাস্ত্রের সেই বচন হইতে আরম্ভ করিয়া তাঁহার কাছে যীশু-বিষয়ক সুসমাচার প্রচার করিলেন।
তখন পিতর মুখ খুলিয়া কহিলেন, আমি সত্যই বুঝিলাম, ঈশ্বর মুখাপেক্ষা করেন না;
কিন্তু যখন পৌল মুখ খুলিতে উদ্যত হইলেন, তখন গাল্লিয়ো যিহূদীদিগকে কহিলেন, কোন প্রকার অপরাধ কিম্বা দুষ্কার্য্য যদি হইত, তবে, হে যিহূদীরা, তোমাদের প্রতি সহিষ্ণুতা করা আমার পক্ষে যুক্তিসঙ্গত হইত;
সমস্ত পবিত্র লোকের জন্য এবং আমার পক্ষে বিনতি কর, যেন মুখ খুলিবার উপযুক্ত বক্তৃতা আমাকে দেওয়া যায়, যাহাতে আমি সাহস পূর্ব্বক সেই সুসমাচারের নিগূঢ়তত্ত্ব জ্ঞাত করিতে পারি,