এবং অনেক বিনতি করিয়া কহিলেন, আমার মেয়েটী মারা যায়, আপনি আসিয়া তাহার উপরে হস্তার্পণ করুন, যেন সে সুস্থ হইয়া বাঁচে।
Cross references
পরে নাথন আপন গৃহে প্রস্থান করিলেন। আর সদাপ্রভু ঊরিয়ের স্ত্রীর গর্ভজাত দায়ূদের পুত্রটীকে আঘাত করিলে সে অতিশয় পীড়িত হইল।
তখন নামান ক্রুদ্ধ হইয়া চলিয়া গেলেন, আর কহিলেন, দেখ, আমি ভাবিয়াছিলাম, তিনি অবশ্য বাহির হইয়া আমার নিকটে আসিবেন, এবং দাঁড়াইয়া আপন ঈশ্বর সদাপ্রভুর নামে ডাকিবেন, আর কুষ্ঠ-স্থানের উপর হাত দোলাইয়া কুষ্ঠীকে উদ্ধার করিবেন।
আর সঙ্কটের দিনে আমাকে ডাকিও; আমি তোমাকে উদ্ধার করিব, ও তুমি আমার গৌরব করিবে।
সঙ্কটে তাহারা সদাপ্রভুর কাছে ক্রন্দন করে, আর তিনি তাহাদিগকে কষ্ট হইতে ত্রাণ করেন।
তখন তিনি হাত বাড়াইয়া তাহাকে স্পর্শ করিলেন, কহিলেন, আমার ইচ্ছা, তুমি শুচীকৃত হও; আর তখনই সে কুষ্ঠ হইতে শুচীকৃত হইল।
তখন তিনি সে স্থানে আর কোন পরাক্রম-কার্য্য করিতে পারিলেন না, কেবল কয়েক জন রোগগ্রস্ত লোকের উপরে হস্তার্পণ করিয়া তাহাদিগকে সুস্থ করিলেন।
আর তাঁহারা অনেক ভূত ছাড়াইলেন, ও অনেক পীড়িত লোককে তৈল মাখাইয়া তাহাদিগকে সুস্থ করিলেন।
কারণ তখনই একটী স্ত্রীলোক, যাহার একটী মেয়ে ছিল, আর সেটীকে অশুচি আত্মায় পাইয়াছিল, তাঁহার বিষয় শুনিতে পাইয়া আসিয়া তাঁহার চরণে পড়িল।
তখন লোকেরা এক জন বধির তোৎলাকে তাঁহার নিকটে আনিয়া তাঁহাকে তাহার উপরে হস্তার্পণ করিতে বিনতি করিল।
তখন তিনি সেই অন্ধের হাত ধরিয়া তাহাকে গ্রামের বাহিরে লইয়া গেলেন; পরে তাহার চক্ষুতে থুথু দিয়া ও তাহার উপরে হস্তার্পণ করিয়া তাহাকে জিজ্ঞাসা করিলেন, কিছু দেখিতে পাইতেছ?
তখন তিনি তাহার পিতাকে জিজ্ঞাসা করিলেন, ইহার কত দিন এমন হইয়াছে? সে কহিল, ছেলে বেলা থেকে;
তাহারা সর্প তুলিবে, এবং প্রাণনাশক কিছু পান করিলেও তাহাতে কোন মতে তাহাদের হানি হইবে না; তাহারা পীড়িতদের উপরে হস্তার্পণ করিবে, আর তাহারা সুস্থ হইবে।
পরে তিনি সমাজ-গৃহ হইতে উঠিয়া শিমোনের বাটীতে প্রবেশ করিলেন; তখন শিমোনের শাশুড়ী ভারী জ্বরে পীড়িতা ছিলেন, তাই তাঁহারা তাঁহার নিমিত্তে তাঁহাকে বিনতি করিলেন।
পরে সূর্য্য অস্ত যাইবার সময়ে, নানা রোগে রোগী যাহাদের ছিল, তাহারা সকলে তাহাদিগকে তাঁহার নিকটে আনিল; আর তিনি প্রত্যেক জনের উপরে হস্তার্পণ করিয়া তাহাদিগকে সুস্থ করিলেন।
তখন এক জন শতপতির একটী দাস পীড়িত হইয়া মৃতপ্রায় হইয়াছিল, সে তাঁহার প্রিয়পাত্র ছিল।
যখন তিনি নগর-দ্বারের নিকটবর্ত্তী হইলেন, দেখ, লোকেরা একটী মরা মানুষকে বহন করিয়া বাহিরে লইয়া যাইতেছিল; সে আপন মাতার একমাত্র পুত্র, এবং সেই মাতা বিধবা; আর নগরের অনেক লোক তাহার সঙ্গে ছিল।
পরে তিনি তাহার উপরে হস্তার্পণ করিলেন; তাহাতে সে তখনই সোজা হইয়া দাঁড়াইল, আর ঈশ্বরের গৌরব করিতে লাগিল।
পরে তিনি আবার গালীলের সেই কান্না নগরে গেলেন, যেখানে জলকে দ্রাক্ষারস করিয়াছিলেন। আর, এক জন রাজপুরুষ ছিলেন, তাঁহার পুত্র কফরনাহূমে পীড়িত ছিল।
অতএব ভগিনীরা তাঁহাকে বলিয়া পাঠাইলেন, প্রভু, দেখুন, আপনি যাহাকে ভাল বাসেন তাহার পীড়া হইয়াছে। যীশু শুনিয়া কহিলেন,
তাহারা ইহাঁদিগকে প্রেরিতগণের সম্মুখে উপস্থিত করিল, এবং তাঁহারা প্রার্থনা করিয়া ইহাঁদের উপরে হস্তার্পণ করিলেন।
আর সে দেখিয়াছে, অননিয় নামে এক ব্যক্তি আসিয়া তাহার উপরে হস্তার্পণ করিতেছে, যেন সে দৃষ্টি পায়।
তখন অননিয় চলিয়া গিয়া সেই বাটীতে প্রবেশ করিলেন, এবং তাঁহার উপরে হস্তার্পণ করিয়া কহিলেন, ভ্রাতঃ শৌল, প্রভু, সেই যীশু, যিনি তোমার আসিবার পথে তোমাকে দর্শন দিলেন, তিনি আমাকে প্রেরণ করিয়াছেন, যেন তুমি দৃষ্টি পাও এবং পবিত্র আত্মায় পরিপূর্ণ হও।
তৎকালে পুব্লিয়ের পিতা জ্বর ও আমাশয় রোগে পীড়িত হইয়া শয্যাগত ছিলেন। আর পৌল ভিতরে তাঁহার নিকটে গিয়া প্রার্থনাপূর্ব্বক তাঁহার উপরে হস্তার্পণ করিয়া তাঁহাকে সুস্থ করিলেন।
তোমাদের মধ্যে কেহ কি রোগগ্রস্ত? সে মণ্ডলীর প্রাচীনবর্গকে আহ্বান করুক; এবং তাঁহারা প্রভুর নামে তাহাকে তৈলাভিষিক্ত করিয়া তাহার উপরে প্রার্থনা করুন।