আর দেখ, একটী স্ত্রীলোক, যাহাকে আঠারো বৎসর ধরিয়া দুর্ব্বলতার আত্মায় পাইয়াছিল, সে কুব্জা, কোন মতে সোজা হইতে পারিত না।
Cross references
পরে শয়তান সদাপ্রভুর সম্মুখ হইতে বাহির হইয়া ইয়োবের আপাদমস্তকে আঘাত করিয়া দুষ্ট স্ফোটক জন্মাইল।
হে সদাপ্রভু, আমাকে কৃপা কর, কেননা আমি ম্লান হইয়াছি; হে সদাপ্রভু, আমাকে সুস্থ কর, কেননা আমার অস্থি সকল বিহ্বল হইয়াছে।
আমি কুব্জ হইয়াছি, অত্যন্ত নুইয়া পড়িয়াছি, আমি সমস্ত দিন বিষণ্ণ হইয়া বেড়াইতেছি।
হে আমার প্রাণ, কেন অবসন্ন হও? আমার অন্তরে কেন ক্ষুব্ধ হও? ঈশ্বরে প্রত্যাশা রাখ; কেননা আমি আবার তাঁহার স্তব করিব; তিনি আমার মুখের পরিত্রাণ ও আমার ঈশ্বর।
সদাপ্রভু পতনোম্মুখ সকলকে ধরিয়া রাখেন, অবনত সকলকে উত্থাপন করেন।
সদাপ্রভু অন্ধদের চক্ষু খুলিয়া দেন; সদাপ্রভু অবনতদিগকে উত্থাপন করেন; সদাপ্রভু ধার্ম্মিকদিগকে প্রেম করেন।
তাহারা বাহিরে যাইতেছে, আর দেখ, লোকেরা এক ভূতগ্রস্ত গোঁগাকে তাঁহার নিকটে আনিল।
তখন তিনি তাহার পিতাকে জিজ্ঞাসা করিলেন, ইহার কত দিন এমন হইয়াছে? সে কহিল, ছেলে বেলা থেকে;
এবং যাঁহারা দুষ্ট আত্মা কিম্বা রোগ হইতে মুক্তা হইয়াছিলেন, এমন কএকটী স্ত্রীলোক ছিলেন, মগ্দলীনী নাম্নী মরিয়ম, যাঁহা হইতে সাত ভূত বাহির হইয়াছিল,
আর তিনি স্থলে নামিলে ঐ নগরের একটা ভূতগ্রস্ত লোক সম্মুখে উপস্থিত হইল; সে অনেক দিন হইতে কাপড় পরিত না, ও গৃহে বাস করিত না, কিন্তু কবরে থাকিত।
আর, একটী স্ত্রীলোক, যে বারো বৎসর অবধি প্রদর রোগগ্রস্ত হইয়াছিল, যে চিকিৎসকদের পিছনে সর্ব্বস্ব ব্যয় করিয়াও কাহারও দ্বারা সুস্থ হইতে পারে নাই,
তবে এই স্ত্রীলোক, অব্রাহামের কন্যা, যাহাকে শয়তান, দেখ, আজ আঠারো বৎসর ধরিয়া বাঁধিয়া রাখিয়াছিল, ইহার এই বন্ধন হইতে বিশ্রামবারে মুক্তি পাওয়া কি উচিত নয়?
আর সেখানে একটী লোক ছিল, সে আটত্রিশ বৎসরের রোগী।
এ কি তোমাদের পুত্র, যাহার বিষয়ে তোমরা বলিয়া থাক, এ অন্ধই জন্মিয়াছিল? তবে এখন কি প্রকারে দেখিতে পাইতেছে?
এমন সময়ে লোকেরা এক ব্যক্তিকে বহন করিয়া আনিতেছিল, সে মাতার গর্ভ হইতে খঞ্জ; তাহাকে প্রতিদিন ধর্ম্মধামের সুন্দর নামক দ্বারে রাখিয়া দেওয়া হইত, যেন, ধর্ম্মধামে যাহারা প্রবেশ করে, তাহাদের কাছে ভিক্ষা চাহিতে পারে।
কেননা সেই আরোগ্য-দানরূপ চিহ্ন-কার্য্য যে ব্যক্তিতে সাধিত হইয়াছিল, তাহার বয়ঃক্রম চল্লিশ বৎসরের অধিক হইয়াছিল।
লুস্ত্রায় এক ব্যক্তি বসিয়া থাকিত, তাহার পায়ে বল ছিল না, সে মাতৃগর্ভ হইতে খঞ্জ, কখনও চলে নাই।