তখন সূর্য্য স্থগিত হইল, ও চন্দ্র স্থির থাকিল, যাবৎ সেই জাতি শত্রুদিগের প্রতিশোধ না লইল। এই কথা কি যাশের গ্রন্থে লিখিত নাই? আর আকাশের মধ্যস্থানে সূর্য্য স্থির থাকিল, অস্তগমন করিতে প্রায় সম্পূর্ণ এক দিবস ত্বরা করিল না।
Cross references
এই জন্য সদাপ্রভুর যুদ্ধপুস্তকে উক্ত আছে, শূফাতে বাহেব, আর অর্ণোনের উপত্যকা সকল,
তুমি ইস্রায়েল-সন্তানগণের জন্য মিদিয়নীয়দিগকে প্রতিফল দেও; তৎপরে তুমি আপন লোকদের নিকটে সংগৃহিত হইবে।
আর ইস্রায়েলের সম্মুখ হইতে পলায়নকালে যখন তাহারা বৈৎহোরোণের অবরোহণ পথে ছিল, তখন সদাপ্রভু অসেকা পর্য্যন্ত আকাশ হইতে তাহাদের উপরে মহাশিলা বর্ষাইলেন, তাহাতে তাহারা মারা পড়িল; ইস্রায়েল-সন্তানগণ যাহাদিগকে খড়গ দ্বারা বধ করিল, তদপেক্ষা অধিক লোক শিলাপাতে মরিল।
তাহার পূর্ব্বে কি পরে সদাপ্রভু যে মনুষ্যের রবে এইরূপ কর্ণপাত করিলেন, এমন আর কোন দিন হয় নাই; কেননা সদাপ্রভু ইস্রায়েলের পক্ষে যুদ্ধ করিতেছিলেন।
ইস্রায়েলে নায়কগণ নেতৃত্ব করিলেন, প্রজারা স্ব-ইচ্ছায় আপনাদিগকে উৎসর্গ করিল, এজন্য তোমরা সদাপ্রভুর ধন্যবাদ কর।
তখন শিম্শোন সদাপ্রভুকে ডাকিয়া কহিলেন, হে প্রভু সদাপ্রভু, অনুগ্রহ করিয়া আমাকে স্মরণ করুন; হে ঈশ্বর, অনুগ্রহ করিয়া কেবল এই একটী বার আমাকে বলবান করুন, যেন আমি পলেষ্টীয়দিগকে আমার দুই চক্ষুর নিমিত্ত একেবারেই প্রতিশোধ দিতে পারি।
এবং যিহূদার সন্তানদিগকে এই ধনুর্গীত শিখাইতে আজ্ঞা দিলেন; দেখ, তাহা যাশের গ্রন্থে লিখিত আছে।
হিষ্কিয় কহিলেন, ছায়াটা যে দশ ধাপ আগে সরিয়া যায়, এ ক্ষুদ্র বিষয়; ছায়াটা বরং দশ ধাপ পিছাইয়া পড়ুক।
আর প্রত্যেক প্রদেশে রাজাজ্ঞা বলিয়া প্রচারিত হইবার জন্য, এবং যিহূদীরা যেন আপন শত্রুদের প্রতিশোধ দানার্থে সেই দিনের নিমিত্ত প্রস্তুত হয়, তজ্জন্য সেই লিপির অনুলিপি সমস্ত জাতিকে জ্ঞাত করা গেল।
তিনি সূর্য্যকে বারণ করিলে সে উদিত হয় না, তিনি তারাগণকে মুদ্রাঙ্কিত করেন।
তাহাদের মানরজ্জু সমস্ত পৃথিবীতে ব্যাপ্ত, তাহাদের বাক্য জগতের সীমা পর্য্যন্ত ব্যাপ্ত; তাহাদের মধ্যে তিনি সূর্য্যের নিমিত্ত এক তাম্বু স্থাপন করিয়াছেন।
দিবস তোমার, রাত্রিও তোমার; তুমিই জ্যোতিষ্ক ও সূর্য্য রচনা করিয়াছ।
যিনি বৃহৎ জ্যোতির্গণ নির্ম্মাণ করিয়াছেন; —তাঁহার দয়া অনন্তকালস্থায়ী—
হে সূর্য্য ও চন্দ্র, তাঁহার প্রশংসা কর; হে দীপ্তিময় সমস্ত তারা, তাঁহার প্রশংসা কর।
আর চন্দ্র মলিন ও সূর্য্য লজ্জিত হইবে, কেননা বাহিনীগণের সদাপ্রভু সিয়োন পর্ব্বতে ও যিরূশালেমে রাজত্ব করিবেন; এবং তাঁহার প্রাচীনবর্গের সম্মুখে প্রতাপ থাকিবে।
দেখ, আহসের সোপানে ছায়া সূর্য্যের সহিত ধাপগুলিতে যত ধাপ নামিয়া গিয়াছে, আমি তাহার দশ ধাপ পিছে ফিরাইয়া দিব। পরে সূর্য্য যত ধাপ নামিয়া গিয়াছে, তাহার দশ ধাপ ফিরিয়া গেল।
তাহাদের সম্মুখে পৃথিবী কাঁপে, আকাশমণ্ডল কম্পমান হয়, চন্দ্র ও সূর্য্য অন্ধকারময় হয়, নক্ষত্রগণ আপন আপন তেজ গুটাইয়া লয়।
সদাপ্রভুর ঐ মহৎ ও ভয়ঙ্কর দিনের আগমনের পূর্ব্বে সূর্য্য অন্ধকার ও চন্দ্র রক্ত হইয়া যাইবে।
সূর্য্য ও চন্দ্র অন্ধকার হইতেছে, নক্ষত্রগণ আপন আপন তেজ গুটাইয়া লইতেছে।
সূর্য্য ও চন্দ্র স্ব স্ব বাসস্থানে দাঁড়াইয়া থাকিল,— তোমার দ্রুতগামী বাণ-সমূহের দীপ্তিতে, তোমার বজ্ররূপ বড়শার তেজে।
যেন তোমরা আপনাদের স্বর্গস্থ পিতার সন্তান হও, কারণ তিনি ভাল মন্দ লোকদের উপরে আপনার সূর্য্য উদিত করেন, এবং ধার্ম্মিক অধার্ম্মিকগণের উপরে জল বর্ষান।
আর সেই সময়ের ক্লেশের পরেই “সূর্য্য অন্ধকার হইবে, চন্দ্র জ্যোৎস্না দিবে না, আকাশ হইতে তারাগণের পতন হইবে ও আকাশমণ্ডলের পরাক্রম সকল বিচলিত হইবে”।
তবে ঈশ্বর কি আপনার সেই মনোনীতদের পক্ষে অন্যায়ের প্রতীকার করিবেন না, যাহারা দিবারাত্র তাঁহার কাছে রোদন করে, যদিও তিনি তাহাদের বিষয়ে দীর্ঘসহিষ্ণু?
প্রভুর সেই মহৎ ও প্রসিদ্ধ দিনের আগমনের পূর্ব্বে সূর্য্য অন্ধকার হইয়া যাইবে, চন্দ্র রক্ত হইয়া যাইবে;
তাঁহারা উচ্চ রবে ডাকিয়া কহিলেন, হে পবিত্র সত্যময় অধিপতি, বিচার করিতে এবং পৃথিবী নিবাসীদিগকে আমাদের রক্তপাতের প্রতিফল দিতে কত কাল বিলম্ব করিবে?
পরে আমি দেখিলাম, তিনি যখন ষষ্ঠ মুদ্রা খুলিলেন, তখন মহাভূমিকম্প হইল; এবং সূর্য্য লোমজাত কম্বলের ন্যায় কৃষ্ণবর্ণ ও পূর্ণচন্দ্র রক্তের ন্যায় হইল;
পরে চতুর্থ দূত তূরী বাজাইলেন, আর সূর্য্যের তৃতীয় অংশ ও চন্দ্রের তৃতীয় অংশ ও তারাগণের তৃতীয় অংশ আহত হইল, যেন প্রত্যেকের তৃতীয় অংশ অন্ধকারময় হয়, এবং দিবসের তৃতীয় ভাগ আলোকরহিত হয়, আর রাত্রিও তদ্রূপ হয়।
পরে চতুর্থ দূত সূর্য্যের উপরে আপন বাটি ঢালিলেন; তাহাতে অগ্নি দ্বারা মনুষ্যদিগকে তাপিত করিবার ক্ষমতা তাহাকে দত্ত হইল।
“আর সেই নগরে দীপ্তিদানার্থে সূর্য্যের বা চন্দ্রের কিছু প্রয়োজন নাই; কারণ ঈশ্বরের প্রতাপ তাহা আলোকময় করে, এবং মেষশাবক তাহার প্রদীপস্বরূপ।