কিন্তু সদাপ্রভু সমুদ্রে প্রচণ্ড বায়ু পাঠাইয়া দিলেন, সমুদ্রে ভারী ঝড় উঠিল, এমন কি, জাহাজ ভাঙ্গিয়া যাইবার উপক্রম হইল।
Cross references
তখন মোশি মিসর দেশের উপরে আপন যষ্টি বিস্তার করিলেন, তাহাতে সদাপ্রভু সমস্ত দিন ও সমস্ত রাত্রি দেশে পূর্ব্বীয় বায়ু বহাইলেন; আর প্রাতঃকাল হইলে পূর্ব্বীয় বায়ু পঙ্গপাল উঠাইয়া আনিল।
আর সদাপ্রভু অতি প্রবল পশ্চিম বায়ু আনিলেন; তাহা পঙ্গপালদিগকে উঠাইয়া লইয়া সূফসাগরে তাড়াইয়া দিল, তাহাতে মিসরের সমস্ত সীমাতে একটাও পঙ্গপাল থাকিল না।
মোশি সমুদ্রের উপরে আপন হস্ত বিস্তার করিলেন, তাহাতে সদাপ্রভু সেই সমস্ত রাত্রি প্রবল পূর্ব্বীয় বায়ু দ্বারা সমুদ্রকে সরাইয়া দিলেন, ও তাহা শুষ্ক ভূমি করিলেন, তাহাতে জল দুই ভাগ হইল।
তুমি নিজ বায়ু দ্বারা ফুঁ দিলে, সমুদ্র তাহাদিগকে আচ্ছাদন করিল; তাহারা প্রবল জলে সীসাবৎ তলাইয়া গেল।
পরে সদাপ্রভুর নিকট হইতে বায়ু নির্গত হইয়া সমুদ্র হইতে ভারুই পক্ষী আনিয়া শিবিরের উপরে ফেলিল; শিবিরের চারিদিকে এপার্শ্বে এক দিবসের পথ, ওপার্শ্বে এক দিবসের পথ পর্য্যন্ত ফেলিল, সেগুলি ভূমির উপরে দুই হস্ত ঊর্দ্ধ হইয়া রহিল।
যাহারা জাহাজে চড়িয়া সমুদ্রযাত্রা করে, মহাজলরাশির মধ্যে ব্যবসায় করে,
তিনি আজ্ঞা দ্বারা প্রচণ্ড বায়ু উত্থাপন করেন, তাহা জলের তরঙ্গমালা উঠায়।
তিনি পৃথিবীর প্রান্ত হইতে বাষ্প উত্থাপন করেন, তিনি বৃষ্টির নিমিত্ত বিদ্যুৎ গঠন করেন, আপন ভাণ্ডার হইতে বায়ু বাহির করিয়া আনেন।
অগ্নি ও শিলা, তুষার ও বাষ্প, তাঁহার বাক্যসাধক প্রচণ্ড বায়ু;
কেননা দেখ, তিনি পর্ব্বতগণের নির্ম্মাতা, ও বায়ুর সৃষ্টিকর্ত্তা; তিনি মানুষের কাছে তাহার চিন্তা প্রকাশ করেন; তিনি অরুণকে অন্ধকার করেন, ও পৃথিবীর উচ্চস্থলী সকলের উপর দিয়া গমনাগমন করেন; বাহিনীগণের ঈশ্বর সদাপ্রভু, এই তাঁহার নাম।
আর দেখ, সমুদ্রে ভারী ঝড় আসিল, এমন কি, নৌকা তরঙ্গে আচ্ছন্ন হইতেছিল; কিন্তু তিনি নিদ্রাগত ছিলেন।
পরে যখন দক্ষিণ বায়ু মন্দ মন্দ বহিতে লাগিল, তখন তাহারা, অভিপ্রায় সিদ্ধ হইল মনে করিয়া জাহাজ খুলিয়া ক্রীতীর কূলের অতি নিকট দিয়া চলিতে লাগিল।