যীশু তাহাকে বলিলেন, তুমি ভালই বলিয়াছ যে, আমার স্বামী নাই; কেননা তোমার পাঁচটী স্বামী হইয়া গিয়াছে, আর এখন তোমার যে আছে, সে তোমার স্বামী নয়; এ কথা সত্য বলিলে।
Cross references
কিন্তু রাত্রিতে ঈশ্বর স্বপ্নযোগে অবীমেলকের নিকটে আসিয়া কহিলেন, দেখ, ঐ যে নারীকে গ্রহণ করিয়াছ, তাহার জন্য তুমি মৃত্যুর পাত্র, কেননা সে এক ব্যক্তির স্ত্রী।
আর হিব্বীয় হমোর নামক দেশাধিপতির পুত্র শিখিম তাহাকে দেখিতে পাইল, এবং তাহাকে হরণ করিয়া তাহার সহিত শয়ন করিল, তাহাকে ভ্রষ্ট করিল।
যাকোবের পুত্রগণও ঐ সংবাদ পাইয়া মাঠ হইতে আসিয়াছিল; তাহারা ক্ষুব্ধ ও অতি ক্রোধান্বিত হইয়াছিল, কেননা যাকোবের কন্যার সহিত শয়ন করাতে শিখিম ইস্রায়েলের মধ্যে মূঢ়তার ক্রিয়া ও অকর্ত্তব্য কর্ম্ম করিয়াছিল।
তাহারা উত্তর করিল, যেমন বেশ্যার সহিত, তেমনি আমাদের ভগিনীর সহিত ব্যবহার করা কি তাহার উচিত ছিল?
ইহা অন্তর্জ্বালা বিষয়ক ব্যবস্থা; স্ত্রীলোক স্বামীর অধীনা হইয়াও বিপথ-গমনপূর্ব্বক অশুচি হইলে,
আর আপন ভ্রাতৃগণের মধ্যে ও আপন বসতিস্থানের দ্বারে সেই মৃত ব্যক্তির নাম যেন লুপ্ত না হয়, এই জন্য সেই মৃত ব্যক্তির অধিকারে তাহার নাম উদ্ধারার্থে আমি আপন স্ত্রীরূপে মহলোনের স্ত্রী মোয়াবীয়া রূৎকেও ক্রয় করিলাম; অদ্য আপনারা সাক্ষী হইলেন।
হে ইস্রায়েল-কুল, সত্যই যে স্ত্রী বিশ্বাসঘাতকতা করিয়া আপন স্বামীকে ছাড়িয়া যায়, তাহার ন্যায় তোমরাও আমার কাছে বিশ্বাসঘাতকতা করিয়াছ, ইহা সদাপ্রভু কহেন।
ব্যভিচারিণী স্ত্রী! তুমি আপন স্বামীর পরিবর্ত্তে জারগণকে গ্রহণ করিয়া থাক।
অতএব, হে বেশ্যা, সদাপ্রভুর বাক্য শুন;
আর স্ত্রী যদি আপন স্বামীকে পরিত্যাগ করিয়া আর এক জনকে বিবাহ করে, তবে সেও ব্যভিচার করে।
যীশু তাহাকে বলিলেন, যাও, তোমার স্বামীকে এখানে ডাকিয়া লইয়া আইস।
সুতরাং যদি সে স্বামী জীবিত থাকিতে অন্য পুরুষের হয়, তবে ব্যভিচারিণী বলিয়া আখ্যাত হইবে; কিন্তু স্বামী মরিলে সে ঐ ব্যবস্থা হইতে স্বাধীন হয়, অন্য স্বামীর হইলেও ব্যভিচারিণী হইবে না।
আর বিবাহিত লোকদিগকে এই আজ্ঞা দিতেছি—আমি দিতেছি তাহা নয়, কিন্তু প্রভুই দিতেছেন—স্ত্রী স্বামীর নিকট হইতে চলিয়া না যাউক—
সকলের মধ্যে বিবাহ আদরণীয় ও সেই শয্যা বিমল [হউক]; কেননা ব্যভিচারীদের ও বেশ্যাগামীদের বিচার ঈশ্বর করিবেন।