তোমাদের হৃদয় উদ্বিগ্ন না হউক; ঈশ্বরে বিশ্বাস কর, আমাতেও বিশ্বাস কর।
Cross references
আমার কাতরোক্তি কি মনুষ্যের কাছে? আমার মন অধৈর্য্য হইবে না কেন?
এই কারণ আমি তাঁহার সাক্ষাতে বিহ্বল হই; যখন বিবেচনা করি তাঁহা হইতে ভীত হই।
হে আমার প্রাণ, কেন অবসন্ন হও? আমার অন্তরে কেন ক্ষুব্ধ হও? ঈশ্বরে প্রত্যাশা রাখ; কেননা আমি আবার তাঁহার স্তব করিব; তিনি আমার মুখের পরিত্রাণ ও আমার ঈশ্বর।
সদাপ্রভু দিবসে আপন দয়াকে আদেশ করিবেন, রাত্রিতে তাঁহার স্তোত্র আমার সঙ্গী হইবে, আমার জীবনেশ্বরের কাছে প্রার্থনা [করিব]।
হে আমার প্রাণ, কেন অবসন্ন হও? আমার অন্তরে কেন ক্ষুব্ধ হও? ঈশ্বরের অপেক্ষা কর; কেননা আমি আবার তাঁহার স্তব করিব; তিনি আমার মুখের পরিত্রাণ ও আমার ঈশ্বর।
সঙ্কটের দিনে আমি প্রভুর অন্বেষণ করিলাম; রাত্রিকালে আমার হস্ত বিস্তারিত থাকিল, সঙ্কুচিত হইল না; আমার প্রাণ প্রবোধ মানিল না।
পরে আমি কহিলাম, ইহা আমার পীড়া, পরাৎপরের দক্ষিণ হস্তের বৎসর সকল [স্মরণ করিব] ।
দেখ, ঈশ্বর আমার পরিত্রাণ; আমি সাহস করিব, ভীত হইব না; কেননা সদাপ্রভু যিহোবা আমার বল ও গান; তিনি আমার পরিত্রাণ হইয়াছেন।
যাহার মন তোমাতে সুস্থির, তুমি তাহাকে শান্তিতে, শান্তিতেই রাখিবে, কেননা তোমাতেই তাহার নির্ভর।
কিন্তু এখন, হে যাকোব, তোমার সৃষ্টিকর্ত্তা, হে ইস্রায়েল, তোমার নির্ম্মাণকর্ত্তা সদাপ্রভু এই কথা কহেন, ভয় করিও না, কেননা আমি তোমাকে মুক্ত করিয়াছি, আমি তোমার নাম ধরিয়া তোমাকে ডাকিয়াছি, তুমি আমার।
আহা, আমি যদি দুঃখে সাত্ত্বনা পাইতাম! আমার মধ্যে হৃদয় মূর্চ্ছিত।
তুমি আমার প্রাণ শান্তি হইতে দূর করিয়াছ; আমি মঙ্গল ভুলিয়া গিয়াছি।
যেন সকলে যেমন পিতাকে সমাদর করে, তেমনি পুত্রকে সমাদর করে। পুত্রকে যে সমাদর করে না, সে পিতাকে সমাদর করে না, যিনি তাঁহাকে পাঠাইয়াছেন।
কারণ আমার পিতার ইচ্ছা এই, যে কেহ পুত্রকে দর্শন করে ও তাঁহাকে বিশ্বাস করে, সে যেন অনন্ত জীবন পায়; আর আমিই তাহাকে শেষ দিনে উঠাইব।
যীশু তাঁহাকে কহিলেন, আমিই পুনরুত্থান ও জীবন; যে আমাতে বিশ্বাস করে, সে মরিলেও জীবিত থাকিবে;
যীশু যখন দেখিলেন, তিনি রোদন করিতেছেন, ও তাঁহারা সঙ্গে সঙ্গে যে যিহূদীরা আসিয়াছিল, তাহারাও রোদন করিতেছে, তখন আত্মাতে উত্তেজিত হইয়া উঠিলেন ও উদ্বিগ্ন হইলেন, আর কহিলেন, তাহাকে কোথায় রাখিয়াছ?
এখন আমার প্রাণ উদ্বিগ্ন হইয়াছে; ইহাতে কি বলিব? পিতঃ, এই সময় হইতে আমাকে রক্ষা কর? কিন্তু ইহারই নিমিত্ত আমি এই সময় পর্য্যন্ত আসিয়াছি।
যীশু উচ্চৈঃস্বরে বলিলেন, যে আমাতে বিশ্বাস করে, সে আমাতে নয়, কিন্তু যিনি আমাকে পাঠাইয়াছেন, তাঁহাতেই বিশ্বাস করে;
এখন হইতে, ঘটিবার পূর্ব্বে, আমি তোমাদিগকে বলিয়া রাখিতেছি, যেন, ঘটিলে পর তোমরা বিশ্বাস কর যে, আমিই তিনি।
শান্তি আমি তোমাদের কাছে রাখিয়া যাইতেছি, আমারই শান্তি তোমাদিগকে দান করিতেছি; জগৎ যেরূপ দান করে, আমি সেরূপ দান করি না। তোমাদের হৃদয় উদ্বিগ্ন না হউক, ভীতও না হউক।
তাহারা এই সকল করিবে, কারণ তাহারা না পিতাকে, না আমাকে জানিতে পারিয়াছে।
কিন্তু তোমাদিগকে এই সমস্ত কহিলাম, সেই জন্য তোমাদের হৃদয় দুঃখে পরিপূর্ণ হইয়াছে।
ভাল, তোমরাও এখন দুঃখ পাইতেছ, কিন্তু আমি তোমাদিগকে আবার দেখিব তাহাতে তোমাদের হৃদয় আনন্দিত হইবে, এবং তোমাদের সেই আনন্দ কেহ তোমাদের হইতে হরণ করে না।
কিন্তু তোমরা জীবনের আদিকর্ত্তাকে বধ করিয়াছিলে; তাঁহাকে ঈশ্বর মৃতগণের মধ্য হইতে উঠাইয়াছেন, আমরা ইহার সাক্ষী।
অতএব তোমরা বরং তাহাকে ক্ষমা করিলে ও সান্ত্বনা করিলে ভাল হয়, পাছে অতিরিক্ত মনোদুঃখে তাদৃশ ব্যক্তি কবলিত হয়।
আমরা সর্ব্বপ্রকারে ক্লিষ্ট হইতেছি, কিন্তু সঙ্কটাপন্ন হই না;
আর তিনি আমাকে বলিয়াছেন, আমার অনুগ্রহ তোমার পক্ষে যথেষ্ট; কেননা আমার শক্তি দুর্ব্বলতায় সিদ্ধি পায়। অতএব আমি বরং অতিশয় আনন্দের সহিত নানা দুর্ব্বলতায় শ্লাঘা করিব, যেন খ্রীষ্টের শক্তি আমার উপরে অবস্থিতি করে।
উদ্দেশ্য এই, পূর্ব্ব হইতে খ্রীষ্টে প্রত্যাশা করিয়াছি যে আমরা, আমাদের দ্বারা যেন ঈশ্বরের প্রতাপের প্রশংসা হয়।
এই কারণ প্রভু যীশুতে যে বিশ্বাস এবং সমস্ত পবিত্র লোকের প্রতি যে প্রেম তোমাদের মধ্যে আছে,
এই জন্য, স্বর্গস্থ ও পৃথিবীস্থ সমস্ত পিতৃকুল যাঁহা হইতে নাম পাইয়াছে,
যেন এই সকল ক্লেশে কেহ চঞ্চল না হয়; কারণ তোমরা আপনারাই জান, আমরা ইহারই জন্য নিযুক্ত।
তোমরা কোন আত্মা দ্বারা, বা কোন বাক্য দ্বারা, অথবা, আমরা লিখিয়াছি মনে করিয়া কোন পত্র দ্বারা, মনের স্থিরতা হইতে বিচলিত বা উদ্বিগ্ন হইও না, ভাবিও না যে প্রভুর দিন উপস্থিত হইল;
অতএব তোমরা শিথিল হস্ত ও অবশ হাঁটু সবল কর;
তোমরা তাঁহারই দ্বারা সেই ঈশ্বরে বিশ্বাসী হইয়াছ, যিনি তাঁহাকে মৃতগণের মধ্য হইতে উঠাইয়াছেন ও গৌরব দিয়াছেন; এইরূপে তোমাদের বিশ্বাস ও প্রত্যাশা ঈশ্বরের প্রতি রহিয়াছে।
যে কেহ পুত্রকে অস্বীকার করে, সে পিতাকেও পায় নাই; যে ব্যক্তি পুত্রকে স্বীকার করে, সে পিতাকেও পাইয়াছে।
ঈশ্বরের পুত্রে যে বিশ্বাস করে, ঐ সাক্ষ্য তাহার অন্তরে থাকে; ঈশ্বরে যে বিশ্বাস না করে, সে তাঁহাকে মিথ্যাবাদী করিয়াছে; কারণ ঈশ্বর আপন পুত্রের বিষয়ে যে সাক্ষ্য দিয়াছেন, তাহা সে বিশ্বাস করে নাই।