আমি নিশ্চয় জানি, তাহাই বটে; ঈশ্বরের কাছে মর্ত্ত্য কি প্রকারে ধার্ম্মিক হইতে পারে?
Cross references
তাহারা যদি তোমার বিরুদ্ধে পাপ করে —কেননা পাপ না করে এমন কোন মনুষ্য নাই—এবং তুমি যদি তাহাদের প্রতি ক্রুদ্ধ হইয়া শত্রুর হস্তে তাহাদিগকে সমর্পণ কর, ও শত্রুগণ তাহাদিগকে বন্দি করিয়া দূরস্থ কিম্বা নিকটস্থ শত্রু—দেশে লইয়া যায়;
“ঈশ্বর অপেক্ষা মর্ত্ত্য কি ধার্ম্মিক হইতে পারে? নিজ নির্ম্মাতা অপেক্ষা মনুষ্য কি শুচি হইতে পারে?
তবু তুমি কি ঈদৃশ প্রাণীর প্রতি চক্ষু মেলিবে? আমাকে তোমার সঙ্গে কি বিচারে আনিবে?
তবে ঈশ্বরের কাছে মর্ত্ত্য কেমন করিয়া ধার্ম্মিক হইবে? অবলার সন্তান কেমন করিয়া বিশুদ্ধ হইবে?
দেখ, তাঁহার দৃষ্টিতে চন্দ্রও নিস্তেজ, তারাগণও নির্ম্মল নহে;
তখন রাম গোষ্ঠীজাত বূষীয় বারখেলের পুত্র ইলীহূর ক্রোধ প্রজ্বলিত হইল; ইয়োবের প্রতি তাঁহার ক্রোধ প্রজ্বলিত হইল, কারণ তিনি ঈশ্বর অপেক্ষা আপনাকে ধার্ম্মিক জ্ঞান করিয়াছিলেন।
“আমি শুচি, আমার অধর্ম্ম নাই; আমি নিষ্কলঙ্ক, আমাতে অপরাধ নাই;
দেখুন, ইয়োব বলিলেন, আমি ধার্ম্মিক, কিন্তু আমার যাহা ন্যায্য, ঈশ্বর তাহা হরণ করিয়াছেন;
হে সদাপ্রভু, তুমি যদি অপরাধ সকল ধর, তবে, হে প্রভু, কে দাঁড়াইতে পারিবে?
তোমার দাসকে বিচারে আনিও না, তোমার সাক্ষাতে ত কোন প্রাণী ধার্ম্মিক নয়।
যেহেতুক ব্যবস্থার কার্য্য দ্বারা কোন প্রাণী তাঁহার সাক্ষাতে ধার্ম্মিক গণিত হইবে না, কেননা ব্যবস্থা দ্বারা পাপের জ্ঞান জন্মে।