তিনি কূপে প্রবেশ করা হইতে আমার প্রাণকে মুক্ত করিয়াছেন, আমার জীবন আলোক দর্শন করিবে।”
Cross references
তাহার সান্ধ্য নক্ষত্র সকল অন্ধকার হউক, সে যেন দীপ্তির অপেক্ষায় থাকিলেও দীপ্তি না পায়, সে যেন ঊষার চক্ষের পাতা দেখিতে না পায়।
কিম্বা গুপ্ত গর্ভস্রাবের মত প্রাণহীন হইতাম। আলোক-দর্শন অপ্রাপ্ত শিশুর তুল্য হইতাম।
দুঃখার্ত্তকে কেন দীপ্তি দেওয়া হয়? তিক্তপ্রাণকে কেন জীবন দেওয়া হয়?
তাহা পাতালের অর্গল পর্য্যন্ত নামিয়া যাইবে, যখন একবার ধূলায় বিশ্রাম পাওয়া যায়।
তুমি কিছু মনস্থ করিলে তাহা তোমার পক্ষে সফল হইবে, তোমার পথে দীপ্তি আলো প্রদান করিবে।
তিনি কূপ হইতে তাহার প্রাণ, অস্ত্রাঘাত হইতে তাহার জীবন রক্ষা করেন।
আহারেও তাহার জীবনের রুচি হয় না, সুস্বাদু খাদ্যও তাহার প্রাণে ভাল লাগে না,
তাহার প্রাণ কূপের নিকটস্থ হয়, তাহার জীবন বিনাশকদের নিকটবর্ত্তী হয়।
তবে উনি তাহার প্রতি কৃপা করিয়া বলেন, “কূপে নামিয়া যাওয়া হইতে ইহাকে মুক্ত কর, আমি প্রায়শ্চিত্ত পাইলাম।”
সে আপন পিতৃবংশের কাছে যাইবে, তাহারা দীপ্তির দর্শন কখনও পাইবে না।
কিন্তু হে ঈশ্বর, তুমিই উহাদিগকে বিনাশের কূপে নামাইবে; রক্তপাতী ও ছলপ্রিয়েরা আয়ুর অর্দ্ধকালও বাঁচিবে না; কিন্তু আমি তোমার উপরে নির্ভর করিব।
জলের বন্যা আমার উপর ছাপিয়া না উঠুক, অগাধ জল আমাকে গ্রাস না করুক; আমার উপরে কূপ আপন মুখ বদ্ধ না করুক।
তিনি কূপ হইতে তোমার জীবন মুক্ত করেন, দয়া ও করুণার মুকুটে তোমাকে ভূষিত করেন।
যে জাতি অন্ধকারে ভ্রমণ করিত, তাহারা মহা-আলোক দেখিতে পাইয়াছে; যাহারা মৃত্যুচ্ছায়ার দেশে বাস করিত, তাহাদের উপরে আলোক উদিত হইয়াছে।
দেখ, আমার শান্তির নিমিত্তই আমার তিক্ততা, তিক্ততা উপস্থিত হইল; কিন্তু তুমি প্রেমেই আমার প্রাণকে বিনাশকূপ হইতে উদ্ধার করিলে, তুমি ত আমার সমস্ত পাপ তোমার পশ্চাতে ফেলিয়াছ।
যীশু উত্তর করিলেন, দিনে কি বারো ঘন্টা নাই? যদি কেহ দিনে চলে, সে উছোট খায় না, কেননা সে এই জগতের দীপ্তি দেখে।
পরে আমি স্বর্গ হইতে এক দূতকে নামিয়া আসিতে দেখিলাম, তাঁহার হস্তে অগাধলোকের চাবি এবং বড় এক শৃঙ্খল ছিল।