তিনি স্বীয় নিবিড় মেঘে জল বদ্ধ করেন, তথাপি জলধর তাহার ভারে বিদীর্ণ হয় না।
Cross references
[6-7] পরে ঈশ্বর কহিলেন, জলের মধ্যে বিতান হউক, ও জলকে দুই ভাগে পৃথক্ করুক। ঈশ্বর এইরূপে বিতান করিয়া বিতানের ঊর্দ্ধস্থিত জল হইতে বিতানের অধঃস্থিত জল পৃথক্ করিলেন; তাহাতে সেইরূপ হইল।
মেঘমালার বিস্তারণ কেহ কি বুঝিতে পারে? তাঁহার চন্দ্রাতপের গর্জ্জন কে বুঝে?
আরও ঈশ্বর ঘন মেঘে জল ভরেন, আপন বিজলির মেঘ বিস্তার করেন।
তৎকালে আমি মেঘকে তাহার বস্ত্র করিলাম, ঘন তিমিরকে তাহার পটিকা করিলাম;
কে প্রজ্ঞাবলে মেঘসমূহ গণিতে পারে? আকাশের কুপাগুলি কে উল্টাইতে পারে,
তিনি করূব আরোহণে উড্ডীন হইলেন, বায়ু-পক্ষভরে উড়িয়া আসিলেন।
তিনি পৃথিবীর প্রান্ত হইতে বাষ্প উত্থাপন করেন, তিনি বৃষ্টির নিমিত্ত বিদ্যুৎ গঠন করেন, আপন ভাণ্ডার হইতে বায়ু বাহির করিয়া আনেন।
যখন তিনি ঊর্দ্ধস্থ আকাশ দৃঢ়রূপে নির্ম্মাণ করিলেন, যখন জলধির প্রবাহ সকল প্রবল হইল,
কে স্বর্গারোহণ করিয়া নামিয়া আসিয়াছেন? কে আপন মুষ্টিদ্বয়ের বায়ু গ্রহণ করিয়াছেন? কে আপন বস্ত্রে জলরাশি বাঁধিয়াছেন? কে পৃথিবীর সমস্ত প্রান্ত স্থাপন করিয়াছেন? তাঁহার নাম কি? তাঁহার পুত্রের নাম কি? যদি জান, বল।
আমি তাহা উৎসন্ন করিব, তাহার লতা পরিষ্কার কি ভূমি খনন করা যাইবে না, আর তাহা শ্যাকুল ও কন্টকবৃক্ষের জঙ্গল হইবে, এবং আমি মেঘমালাকে আজ্ঞা দিব, যেন সে সকল তাহার উপরে জল বর্ষণ না করে।
তিনি রব ছাড়িলে আকাশে জলরাশির শব্দ হয়, তিনি পৃথিবীর প্রান্ত হইতে বাষ্প উত্থাপন করেন; তিনি বৃষ্টির নিমিত্ত বিদ্যুৎ গঠন করেন, তিনি আপন ভাণ্ডার হইতে বায়ু বাহির করিয়া আনেন।