সে স্থানে লোকেরা উচ্চৈঃস্বরে বলিল, মিসর-রাজ ফরৌণ শব্দমাত্র, সে সময় বহিয়া যাইতে দিয়াছে।
Cross references
শত্রু বলিয়াছিল, আমি পশ্চাৎ ধাবিত হইব, উহাদের সঙ্গ ধরিব, লুট বিভাগ করিয়া লইব; উহাদিগেতে আমার অভিলাষ পূর্ণ হইবে; আমি খড়গ নিষ্কোষ করিব, আমার হস্ত উহাদিগকে বিনাশ করিবে।
তখন তিনি তাঁহার কাছে লোক পাঠাইয়া কহিলেন, শমরিয়ার ধূলি যদি আমার পশ্চাদগামী সমস্ত লোকের মুষ্টিপূরণে কুলায়, তবে দেবগণ আমাকে অমুক ও ততোধিক দণ্ড দিউন।
তিনি বলিলেন, তাহারা যদি সন্ধির নিমিত্ত আসিয়া থাকে, তবে তোমরা তাহাদিগকে জীবন্ত ধর; যদি যুদ্ধের নিমিত্তও আসিয়া থাকে, তবু জীবন্ত ধর।
সকল বিষয়েরই সময় আছে, ও আকাশের নীচে সমস্ত ব্যাপারের কাল আছে। জন্মের কাল ও মরণের কাল;
সোয়নের প্রধানবর্গ নিতান্ত অজ্ঞান; ফরৌণের বিজ্ঞবর মন্ত্রিগণের মন্ত্রণা পশুবৎ হইল; তোমরা কেমন করিয়া ফরৌণকে বলিতে পার, আমি জ্ঞানীদের পুত্র, প্রাচীন রাজাদের সন্তান?
মিস্রীয়গণ ত মনুষ্যমাত্র, ঈশ্বর নয়; তাহাদের অশ্বগণ মাংসমাত্র, আত্মা নয়; এবং সদাপ্রভু আপন হস্ত বিস্তার করিলে সাহায্যকারী উছোট খাইবে, ও সাহায্যপ্রাপ্ত ব্যক্তি পতিত হইবে, সকলে একসঙ্গে নষ্ট হইবে।
আর তন্নিবাসিগণ ক্ষীণহস্ত, ক্ষুব্ধ ও লজ্জিত হইল; তাহারা ক্ষেত্রের শাক ও নবীন তৃণ, ছাদের উপরিস্থ ঘাস ও অপক্ব শস্যবিশিষ্ট ক্ষেত্রের ন্যায় হইল।
তুমি এই কথা বল, প্রভু সদাপ্রভু এই কথা কহেন, হে মিসর-রাজ ফরৌণ, দেখ, আমি তোমার বিপক্ষ; তুমি সেই প্রকাণ্ড কুম্ভীর, যে আপন স্রোতঃসমূহের মধ্যে শয়ন করে, বলে, আমার নদী আমারই, আমিই আপনার জন্য ইহা উৎপন্ন করিয়াছি।
এইরূপে তুমি প্রতাপে ও মহত্ত্বে এদনস্থ বৃক্ষসমূহের মধ্যে কাহার তুল্য? তথাপি এদনস্থ বৃক্ষগণের সহিত তুমিও অধোভুবনে অবনীত হইবে; অচ্ছিন্নত্বক্ সকলের মধ্যে খড়্গনিহত লোকদের সহিত শয়ন করিবে। এ সেই ফরৌণ ও তাহার সমস্ত লোকারণ্য; ইহা প্রভু সদাপ্রভু বলেন।