ইহার প্রমাণের জন্য আমি ঊরিয় যাজক ও যিবেরিখিয়ের পুত্র সখরিয়, এই দুই বিশ্বস্ত পুরুষকে আপনার সাক্ষী করিব।
Cross references
পরে বোয়স নগরের দশ জন প্রাচীনকে লইয়া কহিলেন, আপনারাও এই স্থানে বসুন। তাঁহারা বসিলেন।
আর আপন ভ্রাতৃগণের মধ্যে ও আপন বসতিস্থানের দ্বারে সেই মৃত ব্যক্তির নাম যেন লুপ্ত না হয়, এই জন্য সেই মৃত ব্যক্তির অধিকারে তাহার নাম উদ্ধারার্থে আমি আপন স্ত্রীরূপে মহলোনের স্ত্রী মোয়াবীয়া রূৎকেও ক্রয় করিলাম; অদ্য আপনারা সাক্ষী হইলেন।
পরে আহস রাজা অশূর-রাজ তিগ্লৎ-পিলেষরের সহিত সাক্ষাৎ করিতে দম্মেশকে গেলেন; এবং দম্মেশকস্থ যজ্ঞবেদি দেখিয়া আহস রাজা সেই বেদির আকৃতি ও তাহাতে যে যে শিল্পকর্ম্ম ছিল, তাহার আদর্শ লিখিয়া ঊরিয় যাজকের নিকটে পাঠাইলেন।
তাহাতে ঊরিয় যাজক এক যজ্ঞবেদি নির্ম্মাণ করিলেন; আহস রাজা দম্মেশক হইতে যাহা যাহা পাঠাইয়াছিলেন, ঊরিয় যাজক দম্মেশক হইতে আহস রাজার আগমনের পূর্ব্বেই তদনুসারে সকলই করিলেন।
পরে আহস রাজা ঊরিয় যাজককে এই আজ্ঞা দিলেন, বড় বেদির উপরে প্রাতঃকালীন হোমবলি ও সন্ধ্যাকালীন ভক্ষ্য-নৈবেদ্য, এবং রাজার হোমবলি ও তাঁহার ভক্ষ্য-নৈবেদ্য, এবং দেশের সমস্ত লোকের হোমবলি এবং তাহাদের ভক্ষ্য ও পানীয় নৈবেদ্য দগ্ধ করিও, আর তাহার উপরে হোমবলির সকল রক্ত ও অন্য বলির সকল রক্ত প্রক্ষেপ করিও; কিন্তু পিত্তলময় বেদি অন্বেষণার্থে আমার জন্য থাকিবে।
ঊরিয় যাজক আহস রাজার আজ্ঞানুসারে সমস্ত কার্য্য করিলেন।
তিনি পঁচিশ বৎসর বয়সে রাজত্ব করিতে আরম্ভ করেন, এবং ঊনত্রিশ বৎসর কাল যিরূশালেমে রাজত্ব করেন, তাঁহার মাতার নাম অবী, তিনি সখরিয়ের কন্যা।
এই তৃতীয় বার আমি তোমাদের কাছে যাইতেছি। “দুই কিম্বা তিন সাক্ষীর মুখে সকল কথা নিষ্পন্ন হইবে।”