সূত্রধর সূত্রপাত করে, সে সিন্দুর দ্বারা তাহার আকৃতি লিখে, তাহাতে রেঁদা বুলায়, কম্পাস দিয়া তাহার আকার নিরূপণ করে, এবং পুরুষের আকৃতি ও মনুষ্যের সৌন্দর্য্য অনুসারে তাহা নির্ম্মাণ করে, যেন তাহা বাটীতে বাস করিতে পারে।
Cross references
তৎকালে লাবন মেষলোম ছেদন করিতে গিয়াছিলেন; তখন রাহেল আপন পিতার ঠাকুরগুলাকে হরণ করিলেন।
এখন পিত্রালয়ে যাইবার আকাঙ্ক্ষায় ম্লানবদন হওয়াতে তুমি যাত্রা করিলে বটে; কিন্তু আমার দেবতাদিগকে কেন চুরি করিলে?
আপনি যাহার কাছে আপনার দেবতাদিগকে পাইবেন, সে বাঁচিবে না। আমাদের কুটুম্বদের সাক্ষাতে অন্বেষণ করিয়া আমার কাছে আপনার যাহা আছে, তাহা লউন। বাস্তবিক যাকোব জানিতেন না যে, রাহেল সেগুলা চুরি করিয়াছেন।
তখন যাকোব আপন পরিজন ও সঙ্গী লোক সকলকে কহিলেন, তোমাদের কাছে যে সকল ইতর দেবতা আছে, তাহাদিগকে দূর কর, এবং শুচি হও, ও অন্য বস্ত্র পর।
তুমি আপনার নিমিত্তে খোদিত প্রতিমা নির্ম্মাণ করিও না; উপরিস্থ স্বর্গে, নীচস্থ পৃথিবীতে ও পৃথিবীর নীচস্থ জলমধ্যে যাহা যাহা আছে, তাহাদের কোন মূর্ত্তি নির্ম্মাণ করিও না;
পাছে তোমরা ভ্রষ্ট হইয়া আপনাদের জন্য কোন আকারের মূর্ত্তিতে ক্ষোদিত প্রতিমা নির্ম্মাণ কর;
আর তোমরা সেখানে মনুষ্যের হস্তকৃত দেবগণের—দর্শনে, শ্রবণে, ভোজনে ও আঘ্রাণে অসমর্থ কাষ্ঠ ও প্রস্তরখণ্ডের—সেবা করিবে।
যে ব্যক্তি কোন ক্ষোদিত কিম্বা ছাঁচে ঢালা প্রতিমা, সদাপ্রভুর ঘৃণিত বস্তু, শিল্পকরের হস্তনির্ম্মিত বস্তু নির্ম্মাণ করিয়া গোপনে স্থাপন করে, সে শাপগ্রস্ত। তখন সমস্ত লোক উত্তর করিয়া বলিবে, আমেন।
সে আপন মাতাকে ঐ রৌপ্য ফিরাইয়া দিলে তাহার মাতা দুই শত রৌপ্য মুদ্রা লইয়া স্বর্ণকারকে দিল; আর সে এক ছাঁচে ঢালা ও এক ক্ষোদিত প্রতিমা নির্ম্মাণ করিলে তাহা মীখার গৃহে থাকিল।
সে কহিল, তোমরা আমার নির্ম্মিত দেবগণ ও পুরোহিতকে চুরি করিয়া লইয়া যাইতেছ, এখন আমার আর কি আছে? অতএব “তোমার কি হইয়াছে?” ইহা আমাকে কেন জিজ্ঞাসা করিতেছ?
মুখ থাকিতেও তাহারা কথা কহে না; চক্ষু থাকিতেও দেখিতে পায় না;
শিল্পকর স্বর্ণকারকে আশ্বাস দিল, এবং হাতুড়িতে সমানকারী লোক নেহাইর উপরে আঘাতকারীকে জোড়ের বিষয়ে কহিল, উত্তম হইয়াছে; এবং প্রেক দিয়া [প্রতিমাটা] দৃঢ় করিল, যেন তাহা না নড়ে।
তখন তিনি আমাকে কহিলেন, হে মনুষ্য-সন্তান, ইস্রায়েল-কুলের প্রাচীন-বর্গ অন্ধকারে, প্রত্যেকে আপন আপন ঠাকুরঘরে, কি কি কার্য্য করে, তাহা কি তুমি দেখিলে? কারণ তাহারা বলে, সদাপ্রভু আমাদিগকে দেখিতে পান না, সদাপ্রভু দেশ ত্যাগ করিয়াছেন।
অতএব আমরা যখন ঈশ্বরের বংশ, তখন ঈশ্বরের স্বরূপকে মনুষ্যের শিল্প ও কল্পনা অনুসারে ক্ষোদিত স্বর্ণের কি রৌপ্যের কি প্রস্তরের সদৃশ জ্ঞান করা আমাদের কর্ত্তব্য নহে।
এবং ক্ষয়ণীয় মনুষ্যের ও পক্ষীর ও চতুষ্পদের ও সরীসৃপের মূর্ত্তিবিশিষ্ট প্রতিকৃতির সহিত অক্ষয় ঈশ্বরের গৌরব পরিবর্ত্তন করিয়াছে।