আমি অনেক দিন চূপ করিয়া আছি, নীরব আছি, ক্ষান্ত রহিয়াছি; এখন প্রসবকারিণী স্ত্রীর ন্যায় কোঁকাইয়া উঠিব; আমি এককালে নিঃশ্বাস টানিয়া ফুৎকার করিব।
Cross references
কেননা আমি কথায় পরিপূর্ণ, আমার অন্তরস্থ আত্মা আমাকে প্রবর্ত্তনা করিতেছে।
আমি কথা কহিব, কহিলে উপশম পাইব, আমি ওষ্ঠাধর খুলিয়া উত্তর করিব।
সিয়োন হইতে, পরম সৌন্দর্য্যের স্থান হইতে, ঈশ্বর দেদীপ্যমান হইয়াছেন।
তুমি এই সকল করিয়াছ, আমি নীরব হইয়া রহিয়াছি; তুমি মনে করিয়াছ, আমি তোমারই মতন; আমি তোমাকে ভর্ৎসনা করিব, ও তোমার সাক্ষাতে সমস্তের বিন্যাস করিব।
হে ঈশ্বর, মৌনী থাকিও না; হে ঈশ্বর, নীরব ও নিস্তব্ধ হইও না।
দুষ্কর্ম্মের দণ্ডাজ্ঞা ত্বরায় সিদ্ধ হয় না, এই কারণ মনুষ্যসন্তানদের অন্তঃকরণ দুষ্কর্ম্ম করিতে সম্পূর্ণরূপে রত হয়।
সদাপ্রভু কহেন, তুমিই আমাকে ত্যাগ করিয়াছ, তুমি পিছাইয়া পড়িয়াছ, এই জন্য আমি তোমার বিরুদ্ধে আপন হস্ত বিস্তার করিয়া তোমাকে নষ্ট করিয়াছি; আমি ক্ষমা করিতে করিতে ক্লান্ত হইলাম।
সদাপ্রভু তোমাদের আচারের দুষ্টতা ও তোমাদের কৃত ঘৃণার্হ ক্রিয়া প্রযুক্ত আর সহ্য করিতে পারিলেন না, এই জন্য তোমাদের দেশ অদ্য যেমন রহিয়াছে, তেমনি উৎসন্ন, বিস্ময়জনক, শাপগ্রস্ত ও নিবাসী-বিহীন হইল।
তবে ঈশ্বর কি আপনার সেই মনোনীতদের পক্ষে অন্যায়ের প্রতীকার করিবেন না, যাহারা দিবারাত্র তাঁহার কাছে রোদন করে, যদিও তিনি তাহাদের বিষয়ে দীর্ঘসহিষ্ণু?
প্রভু নিজ প্রতিজ্ঞা বিষয়ে দীর্ঘসূত্রী নহেন—যেমন কেহ কেহ দীর্ঘসূত্রিতা জ্ঞান করে—কিন্তু তোমাদের পক্ষে তিনি দীর্ঘসহিষ্ণু; কতকগুলি লোক যে বিনষ্ট হয়, এমন বাসনা তাঁহার নাই; বরং সকলে যেন মনপরিবর্ত্তন পর্য্যন্ত পঁহুছিতে পায়, এই তাঁহার বাসনা।
আর আমাদের প্রভুর দীর্ঘসহিষ্ণুতাকে পরিত্রাণ জ্ঞান কর; যেমন আমাদের প্রিয় ভ্রাতা পৌলও তাঁহাকে দত্ত জ্ঞান অনুসারে তোমাদিগকে লিখিয়াছেন,