তোমার চিত্ত ঐ ত্রাসের বিষয় আন্দোলন করিবে; কোথায় সেই লিপিকর্ত্তা, কোথায় সেই মুদ্রা-তৌলকারী? কোথায় সেই দুর্গ-গণনাকারী?
Cross references
তখন অব্রাহাম ইফ্রোণের বাক্যে অবধান করিলেন; ইফ্রোণ হেতের সন্তানদের কর্ণগোচরে যে রৌপ্যের কথা বলিয়াছিলেন, অব্রাহাম তাহা, অর্থাৎ বণিক্দের মধ্যে প্রচলিত চারি শত শেকল রৌপ্য তৌল করিয়া ইফ্রোণকে দিলেন।
আর ধন্য তোমার সুবিচার, এবং ধন্যা তুমি, কারণ অদ্য তুমি রক্তপাত ও স্বহস্তে প্রতিশোধ লইতে আমাকে নিবৃত্ত করিলে।
তখন দায়ূদ অতিশয় ব্যাকুল হইলেন, কারণ প্রত্যেক জনের মন আপন আপন পুত্র কন্যার জন্য শোকাকুল হওয়াতে লোকেরা দায়ূদকে প্রস্তরাঘাত করিবার কথা কহিতে লাগিল; তথাপি দায়ূদ আপন ঈশ্বর সদাপ্রভুতে আপনাকে সবল করিলেন।
অশূর-রাজ পূল দেশের বিরুদ্ধে আসিলেন; তাহাতে পূলের সাহায্যে রাজ্য যেন আপনার হস্তে স্থির থাকে, এই জন্য মনহেম তাঁহাকে এক সহস্র তালন্ত রৌপ্য দিলেন।
তাহাতে যিহূদা-রাজ হিষ্কিয় লাখীশে অশূর-রাজের নিকটে এই কথা বলিয়া পাঠাইলেন, আমি দোষ করিয়াছি, আমার নিকট হইতে ফিরিয়া যাউন; আপনি আমাকে যে ভার দিবেন, তাহা আমি বহন করিব। তাহাতে অশূরের রাজা যিহূদা-রাজ হিষ্কিয়ের তিন শত তালন্ত রৌপ্য ও ত্রিশ তালন্ত স্বর্ণ দণ্ড নিরূপণ করিলেন।
তোমরা হিষ্কিয়ের কথা শুনিও না; কেননা অশূর-রাজ এই কথা কহেন, তোমরা আমার সঙ্গে সন্ধি কর, বাহির হইয়া আমার কাছে আইস; তোমরা প্রত্যেক জন আপন আপন দ্রাক্ষাফল ও ডুমুরফল ভোজন কর, এবং আপন আপন কূপের জল পান কর;
আমি তোমার দয়াতে উল্লাস ও আনন্দ করিব, কেননা তুমি আমার দুঃখ দেখিয়াছ, তুমি দুর্দ্দশাকালে আমার প্রাণের তত্ত্ব লইয়াছ।
আমি অধৈর্য্য হেতু বলিয়াছিলাম, আমি তোমার নয়নগোচর হইতে বিচ্ছিন্ন, কিন্তু তোমার উদ্দেশে আর্ত্তনাদ করিলে তুমি আমার বিনতির রব শ্রবণ করিলে।
তুমি আমাদিগকে অনেক দারুণ সঙ্কট দেখাইয়াছ, তুমি ফিরিয়া আমাদিগকে সঞ্জীবিত করিবে, পৃথিবীর অধঃস্থান হইতে পুনর্ব্বার উঠাইবে।
অতএব প্রভু, বাহিনীগণের সদাপ্রভু, তাহার স্থূলকায় লোকদের মধ্যে কৃশতা প্রেরণ করিবেন, ও তাহার প্রতাপের নীচে অগ্নিদাহের ন্যায় দাহ হইবে।
সন্ধ্যাকালে, দেখ, ত্রাস; প্রভাতের পূর্ব্বেই তাহারা নাই। এই আমাদের সর্ব্বস্ব-হরণকারীদের অধিকার, এই আমাদের লুটকারীদের ভাগ্য।
যিহূদার রাজা হিষ্কিয়ের লিপি; তিনি পীড়িত হইয়া যখন পীড়া হইতে আরোগ্য লাভ করেন, তখনকার লেখা।
জ্ঞানবান্ কোথায়? অধ্যাপক কোথায়? এই যুগের বাদানুবাদকারী কোথায়? ঈশ্বর কি জগতের জ্ঞানকে মূর্খতায় পরিণত করেন নাই?
কারণ, হে ভ্রাতৃগণ, এশিয়ায় আমাদের যে ক্লেশ ঘটিয়াছিল, তোমরা যে সে বিষয় অজ্ঞাত থাক, ইহা আমাদের ইচ্ছা নয়; ফলতঃ আত্যন্তিক দুঃখভারে আমরা শক্তির অতিরিক্তরূপে ভারগ্রস্ত হইয়া পড়িয়াছিলাম; এমন কি, জীবনের আশাও ছাড়িয়া দিয়াছিলাম;
আন্তিয়খিয়াতে, ইকনিয়ে, লুস্ত্রায় আমার প্রতি কি কি ঘটিয়াছিল; কত তাড়না সহ্য করিয়াছি। আর সেই সমস্ত হইতে প্রভু আমাকে উদ্ধার করিয়াছেন।