তুমি যে ধ্বংসিত না হইয়াও ধ্বংস করিতেছ, প্রতারিত না হইয়াও প্রতারণা করিতেছ, ধিক্ তোমাকে; ধ্বংস-কার্য্যের সমাপ্তি করিলে পর তুমি ধ্বংসিত হইবে, প্রতারণা করিয়া শেষ করিলে পর লোকে তোমাকে প্রতারণা করিবে।
Cross references
তখন অদোনী-বেষক কহিলেন, যাঁহাদের হস্তপদের বৃদ্ধাঙ্গুলি ছিন্ন করা হইয়াছিল, এমন সত্তর জন রাজা আমার মেজের নীচে খাদ্য কুড়াইতেন; আমি যেমন কর্ম্ম করিয়াছি, ঈশ্বর আমাকে তদনুরূপ প্রতিফল দিয়াছেন। পরে লোকেরা তাঁহাকে যিরূশালেমে আনিলে তিনি সেই স্থানে মরিলেন।
পরে হিষ্কিয় রাজার চতুর্দ্দশ বৎসরে অশূর-রাজ সন্হেরীব যিহূদার প্রাচীর-বেষ্টিত সমস্ত নগরের বিরুদ্ধে আসিয়া সে সকল হস্তগত করিতে লাগিলেন।
ঐ সময়ে আহস রাজা সাহায্য প্রার্থনা করিতে অশূর-রাজগণের নিকটে লোক পাঠাইলেন।
কেননা সদাপ্রভু তাহাদের পক্ষ সমর্থন করিবেন, আর যাহারা তাহাদের দ্রব্য হরণ করে, তাহাদের প্রাণ হরণ করিবেন।
ধিক্ অশূরকে! সে আমার ক্রোধের দণ্ড! সে সেই যষ্টি, যাহার হস্তে আমার কোপ।
অতএব এইরূপ ঘটিবে; সিয়োন পর্ব্বতে ও যিরূশালেমে প্রভু আপনার সমস্ত কার্য্য সমাপ্ত করিলে পর আমি অশূর-রাজের চিত্তস্ফীতিরূপ ফলের ও তাহার উচ্চদৃষ্টিরূপ আড়ম্বরের প্রতিফল দিব।
সন্ধ্যাকালে, দেখ, ত্রাস; প্রভাতের পূর্ব্বেই তাহারা নাই। এই আমাদের সর্ব্বস্ব-হরণকারীদের অধিকার, এই আমাদের লুটকারীদের ভাগ্য।
এক নিদারুণ দর্শন আমাকে জ্ঞাত করা হইল; বিশ্বাসঘাতক বিশ্বাসঘাতকতা করিতেছে, বিনাশক বিনাশ করিতেছে। হে এলম, উঠিয়া যাও; হে মাদিয়া, অবরোধ কর; আমি উহার ঘটিত সমস্ত বিলাপ নিবৃত্ত করিয়াছি।
আমরা পৃথিবীর প্রান্ত হইতে সঙ্গীত শুনিয়াছি, ‘ধার্ম্মিকেরই নিমিত্ত শোভা’। কিন্তু আমি কহিলাম, আমি ক্ষীণ হইতেছি, আমি ক্ষীণ হইতেছি, আমাকে ধিক্। বিশ্বাসঘাতকেরা বিশ্বাসঘাতকতা করিয়াছে, হাঁ, বিশ্বাসঘাতকেরা অতিশয় বিশ্বাসঘাতকতা করিয়াছে।
পরে সদাপ্রভুর দূত যাত্রা করিয়া অশূরীয়দের শিবিরে এক লক্ষ পঁচাশী সহস্র লোককে বধ করিলেন; লোকেরা প্রত্যূষে উঠিল, আর দেখ, সমস্তই মৃত দেহ।
সদাপ্রভু আরও কহেন, সত্তর বৎসর সম্পূর্ণ হইলে আমি বাবিল-রাজকে ও সেই জাতিকে তাহাদের অপরাধের সমুচিত প্রতিফল দিব, কল্দীয়দের দেশকে [দিব], এবং তাহা চিরস্থায়ী ধ্বংসস্থান করিব।
তোমার ভ্রাতা যাকোবের প্রতি কৃত দৌরাত্ম্য প্রযুক্ত তুমি লজ্জায় আচ্ছন্ন হইবে ও চিরকালের জন্য উচ্ছিন্ন হইবে।
আবার মদ্য প্রযুক্ত সে বিশ্বাসঘাতক; সে অভিমানী বীর, সে ঘরে থাকে না; সে পাতালের ন্যায় অপরিমিত লোভী, সে মৃত্যুর সদৃশ, তৃপ্ত হয় না, কিন্তু সর্ব্বজাতিকে একত্র করিয়া আত্মসাৎ করে, এবং সর্ব্বলোকবৃন্দকে আপনার কাছে সংগ্রহ করে।
তুমি অনেক জাতির সম্পত্তি লুট করিয়াছ; এই হেতু জাতিগণের সমস্ত শেষাংশ তোমার সম্পত্তি লুট করিবে; ইহার কারণ মনুষ্যদের রক্তপাত, এবং দেশ, নগর ও তন্নিবাসীদের প্রতি কৃত দৌরাত্ম্য।
দেখ, যে সকল লোক তোমাকে দুঃখ দেয়, সেই সময়ে আমি তাহাদের প্রতি যাহা করিবার, তাহা করিব; আর আমি খঞ্জাকে পরিত্রাণ করিব, ও দূরীকৃতাকে সংগ্রহ করিব; এবং যাহাদের লজ্জা সমস্ত পৃথিবীতে ব্যাপিয়াছে, আমি তাহাদিগকে প্রশংসার ও কীর্ত্তির পাত্র করিব।
দেখ, সদাপ্রভুর এক দিন আসিতেছে; সেই দিন তোমার মধ্যে তোমার সম্পত্তি লুট হইয়া বিভক্ত হইবে।
কেননা যেরূপ বিচারে তোমরা বিচার কর, সেইরূপ বিচারে তোমরাও বিচারিত হইবে; এবং যে পরিমাণে পরিমাণ কর, সেই পরিমাণে তোমাদের নিমিত্ত পরিমাণ করা যাইবে।
যদি কেহ বন্দিত্বের পাত্র থাকে, সে বন্দিত্বে যাইবে; যদি কেহ খড়গ দ্বারা হত্যা করে, তাহাকে খড়গ দ্বারা হত হইতে হইবে। এস্থলে পবিত্রগণের ধৈর্য্য ও বিশ্বাস দেখা যায়।
কেননা উহারা পবিত্রগণের ও ভাববাদীদের রক্তপাত করিয়াছিল; আর তুমি উহাদিগকে পানার্থে রক্ত দিয়াছ; তাহারা ইহার যোগ্য।
আর তুমি যে দশ শৃঙ্গ দেখিলে, সে দশ রাজা; তাহারা এ পর্য্যন্ত রাজ্য প্রাপ্ত হয় নাই, কিন্তু এক ঘন্টার নিমিত্তে সেই পশুর সহিত রাজাদের ন্যায় কর্ত্তৃত্ব পাইবে।
কেননা ঈশ্বর তাহাদের হৃদয়ে এই প্রবৃত্তি দিয়াছিলেন, যেন তাহারা তাঁহারই মানস পূর্ণ করে, এবং একমনা হয়; আর যে পর্য্যন্ত ঈশ্বরের বাক্য সকল সিদ্ধ না হয়, সেই পর্য্যন্ত আপন আপন রাজ্য সেই পশুকে দেয়।