এই নিমিত্ত তাহারা প্রাতঃকালের মেঘের ন্যায়, প্রত্যূষে অন্তর্হিত শিশিরের ন্যায়, ঘূর্ণ্যবায়ু দ্বারা খামার হইতে চালিত ভুসির ন্যায়, ও বাতায়ন হইতে নির্গত ধূমের ন্যায় হইবে।
Cross references
যে, তাহারা বায়ুর সম্মুখস্থ শুষ্ক তৃণের ন্যায়, ও ঝটিকা-বিতাড়িত তুষের ন্যায় হয়?
দুষ্টগণ সেরূপ নহে; কিন্তু তাহারা বায়ুচালিত তুষের ন্যায়।
যেমন ধূম চালিত হয়, তেমনি তুমি তাহাদিগকে চালিত কর; যেমন অগ্নির সম্মুখে মোম গলিয়া যায়, তেমনি ঈশ্বরের সম্মুখে দুষ্টগণ বিনষ্ট হউক।
ইহারা বলিয়াছে, আইস, আমরা অধিকার করিয়া লই আপনাদের জন্য ঈশ্বরের নিবাস সকল।
লোকবৃন্দ প্রবল বন্যার ন্যায় গর্জ্জন করিবে, কিন্তু তিনি তাহাদিগকে ধমক্ দিবেন, তাই তাহারা দূরে পলায়ন করিবে, এবং বায়ুর সম্মুখে পর্ব্বতস্থ ভুষীর ন্যায়, কিম্বা ঝড়ের সম্মুখে ঘূর্ণায়মান ধূলিরাশির ন্যায় তাড়িত হইবে।
দেখ, আমি তোমাকে তীক্ষ্ণ দন্তশ্রেণীবিশিষ্ট শস্যমাড়া নূতন গুঁড়ির ন্যায় করিব; তুমি পর্ব্বতগণকে মাড়িয়া চূর্ণ করিবে, উপপর্ব্বতগণকে ভুষীর সমান করিবে।
তখন সেই লৌহ, মৃত্তিকা, পিত্তল, রৌপ্য ও সুবর্ণ একসঙ্গে চূর্ণ হইয়া গ্রীষ্মকালীন খামারের তুষের ন্যায় হইল, আর বায়ু সে সকল উড়াইয়া লইয়া গেল, তাহাদের জন্য আর কোথাও স্থান পাওয়া গেল না। আর যে প্রস্তরখানি ঐ প্রতিমাকে আঘাত করিয়াছিল, তাহা বাড়িয়া মহাপর্ব্বত হইয়া উঠিল, এবং সমস্ত পৃথিবী পূর্ণ করিল।
হে ইফ্রয়িম, তোমার জন্য আমি কি করিব? হে যিহূদা, তোমার জন্য কি করিব? তোমাদের সাধুতা ত প্রাতঃকালের মেঘের ন্যায়, শিশিরের ন্যায়, যাহা প্রত্যূষে উড়িয়া যায়।
হাঁ, একত্র হও, কেননা দণ্ডাজ্ঞা সফল হইবার সময় হইল, দিন ত তুষের ন্যায় উড়িয়া যাইতেছে; সদাপ্রভুর ক্রোধাগ্নি তোমাদের উপরে আসিয়া পড়িল, সদাপ্রভুর ক্রোধের দিন তোমাদের উপরে আসিয়া পড়িল।