আর দ্বিতীয় তিরস্করিণীর পরে অতি পবিত্র স্থান নামক তাম্বু ছিল;
Cross references
আর তুমি নীল, বেগুনে ও লাল এবং পাকান সাদা মসীনা সূত্র দ্বারা এক তিরস্করিণী প্রস্তুত করিবে; তাহা শিল্পকারের কর্ম্ম হইবে, তাহাতে করূবগণের আকৃতি থাকিবে।
আর তিনি নীল, বেগুনে, লাল ও পাকান সাদা মসীনা সূত্র দিয়া তিরস্করিণী প্রস্তুত করিলেন, তাহাতে করূবাকৃতি করিলেন, তাহা শিল্পকারের কর্ম্ম।
আর তাহার মধ্যে সাক্ষ্য-সিন্দুক রাখিয়া তিরস্করিণী টাঙ্গাইয়া সেই সিন্দুক আড়াল করিবে।
আর আবাসের মধ্যে সিন্দুক আনিলেন এবং ব্যবধানের তিরস্করিণী টাঙ্গাইয়া সাক্ষ্য-সিন্দুক আড়াল করিলেন; যেমন সদাপ্রভু মোশিকে আজ্ঞা দিয়াছিলেন।
পরে যাজকেরা সদাপ্রভুর নিয়ম-সিন্দুক লইয়া গিয়া স্বস্থানে, গৃহের অন্তর্গৃহে, মহাপবিত্র স্থানে, দুই করূবের পক্ষের নীচে স্থাপন করিল।
আর তিনি নীল, বেগুনে ও রক্তবর্ণ এবং মসীনা-সূত্র নির্ম্মিত তিরস্করিণী প্রস্তুত করিলেন ও তাহাতে করূবাকৃতি করিলেন।
আর সর্ব্বদেশীয় লোকেরা যে ঘোমটায় আচ্ছাদিত আছে, ও সর্ব্বজাতীয় লোকদের সম্মুখে যে আবরক বস্ত্র টাঙ্গান আছে, সদাপ্রভু এই পর্ব্বতে তাহা বিনষ্ট করিবেন।
পরে তিনি তাহার দীর্ঘতা বিংশতি হস্ত ও মন্দিরের অগ্রদেশে তাহার প্রস্থ বিংশতি হস্ত মাপিলেন, এবং আমাকে কহিলেন, ইহাই অতি পবিত্র স্থান।
আর দেখ, মন্দিরের তিরস্করিণী উপর হইতে নীচ পর্য্যন্ত চিরিয়া দুইখান হইল, ভূমিকম্প হইল, ও শৈল সকল বিদীর্ণ হইল,
আমাদের সেই প্রত্যাশা আছে, তাহা প্রাণের লঙ্গরস্বরূপ, অটল ও দৃঢ়, এবং তিরস্করিণীর ভিতরে যায়।
ইহাতে পবিত্র আত্মা যাহা জ্ঞাপন করেন, তাহা এই, সেই প্রথম তাম্বু যাবৎ স্থাপিত থাকে, তাবৎ পবিত্র স্থানে প্রবেশের পথ প্রকাশিত হয় নাই।
অতএব, হে ভ্রাতৃগণ, যীশু আমাদের জন্য ‘তিরস্করিণী’ দিয়া, অর্থাৎ আপন মাংস দিয়া, যে পথ সংস্কার করিয়াছেন,