আর ব্যবস্থানুসারে প্রায় সকলই রক্তে শুচিকৃত হয়, এবং রক্তসেচন ব্যতিরেকে পাপমোচন হয় না।
Cross references
সে ঐ পাপার্থক বলির বৎসকে যেরূপ করে, ইহাকেও তদ্রূপ করিবে; এইরূপে যাজক তাহাদের জন্য প্রায়শ্চিত্ত করিবে, তাহাতে তাহাদের পাপের ক্ষমা হইবে।
আর মঙ্গলার্থক বলিদানের মেদের ন্যায় তাহার সমস্ত মেদ লইয়া বেদিতে দগ্ধ করিবে; এইরূপে যাজক তাহার পাপমোচনার্থ প্রায়শ্চিত্ত করিবে, তাহাতে তাহার পাপের ক্ষমা হইবে।
পরে মঙ্গলার্থক বলির যে মেষশাবক, তাহার মেদ যেমন ছাড়ান যায়, তেমনি যাজক ইহার সকল মেদ ছাড়াইয়া লইবে, এবং সদাপ্রভুর উদ্দেশে অগ্নিকৃত উপহারের রীতি অনুসারে তাহা বেদিতে দগ্ধ করিবে; এইরূপে যাজক তাহার কৃত পাপের প্রায়শ্চিত্ত করিবে; তাহাতে তাহার পাপের ক্ষমা হইবে।
পরে সে বিধিমতে দ্বিতীয়টী হোমার্থে উৎসর্গ করিবে; এইরূপে যাজক তাহার কৃত পাপের জন্য প্রায়শ্চিত্ত করিবে, তাহাতে তাহার পাপের ক্ষমা হইবে।
পরে সে তাহা যাজকের নিকটে আনিলে যাজক তাহার স্মরণার্থক অংশ বলিয়া তাহা হইতে এক মুষ্টি লইয়া সদাপ্রভুর উদ্দেশে অগ্নিকৃত উপহারের রীতি অনুসারে বেদিতে দগ্ধ করিবে; ইহা পাপার্থক বলি।
সে তোমার নিরূপিত মূল্য দিয়া পাল হইতে এক নির্দ্দোষ মেষ আনিয়া দোষার্থক বলিরূপে যাজকের নিকটে উপস্থিত করিবে, এবং সে প্রমাদবশতঃ অজ্ঞাতসারে যে দোষ করিয়াছে, যাজক তাহার জন্য প্রায়শ্চিত্ত করিবে, তাহাতে তাহার পাপের ক্ষমা হইবে।
পরে যাজক সদাপ্রভুর সম্মুখে তাহার নিমিত্তে প্রায়শ্চিত্ত করিবে; তাহাতে যে কোন কর্ম্ম দ্বারা সে দোষী হইয়াছে, তাহার ক্ষমা পাইবে।
পরে সে ঐ জীবিত পক্ষী, এরস কাষ্ঠ, লোহিতবর্ণ লোম ও এসোব লইয়া ঐ স্রোতোজলের উপরে হত পক্ষীর রক্তে জীবিত পক্ষীর সহিত সে সকল ডুবাইবে,
পরে যাজক ঐ দোষার্থক বলির কিঞ্চিৎ রক্ত লইয়া ঐ শোধ্যমান ব্যক্তির দক্ষিণ কর্ণের প্রান্তে, দক্ষিণ হস্তের অঙ্গুষ্ঠে ও দক্ষিণ পাদের অঙ্গুষ্ঠে দিবে।
পরে সে দোষার্থক বলির মেষশাবক হনন করিবে, এবং যাজক দোষার্থক বলির কিঞ্চিৎ রক্ত লইয়া শোধ্যমান ব্যক্তির দক্ষিণ কর্ণের প্রান্তে ও তাহার দক্ষিণ হস্তের অঙ্গুষ্ঠে ও দক্ষিণ পাদের অঙ্গুষ্ঠে দিবে।
পরে সে ঐ এরসকাষ্ঠ, এসোব, লোহিতবর্ণ লোম ও জীবিত পক্ষী, এই সকল লইয়া হত পক্ষীর রক্তে ও স্রোতোজলে ডুবাইয়া সাত বার গৃহে ছিটাইয়া দিবে।
কেননা রক্তের মধ্যেই শরীরের প্রাণ থাকে, এবং তোমাদের প্রাণের জন্য প্রায়শ্চিত্ত করণার্থ আমি তাহা বেদির উপরে তোমাদিগকে দিয়াছি; কারণ প্রাণের গুণে রক্তই প্রায়শ্চিত্তসাধক।