যাকোব ফরৌণকে কহিলেন, আমার প্রবাসকালের এক শত ত্রিশ বৎসর হইয়াছে; আমার আয়ুর দিন আল্প ও কষ্টকর হইয়াছে, এবং আমার পিতৃপুরুষদের প্রবাসকালের আয়ুর তুল্য হয় নাই।
Cross references
সর্ব্বশুদ্ধ মথূশেলহের নয় শত ঊনসত্তর বৎসর বয়স হইলে তাঁহার মৃত্যু হইল।
অর্ফক্ষদের জন্ম দিলে পর শেম পাঁচ শত বৎসর জীবৎ থাকিয়া আরও পুত্রকন্যার জন্ম দিলেন।
নাহোর ঊনত্রিশ বৎসর বয়সে তেরহের জন্ম দিলেন।
অব্রাহামের জীবনকাল এক শত পঁচাত্তর বৎসর; তিনি এত বৎসর জীবিত ছিলেন।
ইস্হাকের বয়স এক শত আশী বৎসর হইয়াছিল।
মিসর দেশে যাকোব সতের বৎসর জীবিত রহিলেন; যাকোবের আয়ুর পরিমাণ এক শত সাতচল্লিশ বৎসর হইল।
যোষেফ এক শত দশ বৎসর বয়সে মরিলেন; আর লোকেরা তাঁহার দেহে ক্ষয়-নিবারক দ্রব্য দিয়া তাহা মিসর দেশে এক শবাধারের মধ্যে রাখিল।
আর আমি তাহাদের সহিত এই নিয়ম স্থির করিয়াছি, আমি তাহাদিগকে কনান দেশ দিব, যে দেশে তাহারা প্রবাস করিত, তাহাদের সেই প্রবাস-দেশ দিব।
ফরৌণের সহিত আলাপ করিবার সময়ে মোশির আশী ও হারোণের তিরাশী বৎসর বয়স হইয়াছিল।
মরণকালে মোশির বয়স এক শত বিংশতি বৎসর হইয়াছিল; তাঁহার চক্ষু ক্ষীণ হয় নাই, ও তাঁহার তেজের হ্রাস হয় নাই।
এই সকল ঘটনার পরে নূনের পুত্র, সদাপ্রভুর দাস যিহোশূয় এক শত দশ বৎসর বয়সে মরিলেন।
বর্সিল্লয় অতি বৃদ্ধ, আশী বৎসর বয়স্ক ছিলেন; আর মহনয়িমে রাজার অবস্থিতিকালে তিনি রাজার খাদ্য যোগাইয়াছিলেন, কারণ তিনি এক জন খুব বড় মানুষ ছিলেন।
কেননা আমাদের সমস্ত পিতৃপুরুষ যেমন ছিলেন, তেমনি আমরাও তোমার সম্মুখে বিদেশী ও প্রবাসী, পৃথিবীতে আমাদের আয়ু ছায়াসদৃশ ও আশাবিহীন।
বিনয় করি, তুমি পূর্ব্বকালীন লোককে জিজ্ঞাসা কর, তাহাদের পিতৃগণের অনুসন্ধান-ফলে মনোযোগ কর।
মনুষ্য, অবলাজাত সকলে, অল্পায়ু ও উদ্বেগে পরিপূর্ণ।
পরে ইয়োব আর এক শত চল্লিশ বৎসর জীবিত থাকিয়া আপন পুত্র পৌত্রাদি চারি পুরুষ পর্য্যন্ত দেখিলেন।
দেখ, তুমি আমার আয়ু কতিপয় মুষ্টি পরিমিত করিয়াছ, আমার জীবনকাল তোমার দৃষ্টিতে অবস্তবৎ; সত্য, প্রত্যেক মনুষ্য স্থিরীকৃত হইলেও নিতান্ত অসার। সেলা।
হে সদাপ্রভু, আমার প্রার্থনা শ্রবণ কর, আমার আর্ত্তনাদে কর্ণ দেও, আমার অশ্রুপাতে নীরব থাকিও না; কেননা আমি তোমার কাছে বিদেশী, আমার সমস্ত পিতৃলোকের ন্যায় প্রবাসী।
আমা হইতে দৃষ্টি ফিরাও, যেন প্রফুল্ল হই, যাবৎ প্রয়াণ না করি, ও আর না থাকি।
স্মরণ কর, আমি কেমন ক্ষণিক; তুমি মনুষ্যসন্তান সকলকে কেমন অলীকতার নিমিত্ত সৃষ্টি করিয়াছ।
তুমি মর্ত্ত্যকে ধূলিতে ফিরাইয়া থাক, বলিয়া থাক, মনুষ্য-সন্তানেরা, ফিরিয়া যাও।
আমি পৃথিবীতে প্রবাসী, আমা হইতে তোমার আজ্ঞা সকল লুকাইও না।
তোমার বিধিকলাপ হইয়াছে আমার গীত আমার প্রবাস-গৃহে।
অতএব আমরা সর্ব্বদা সাহস করিতেছি, আর জানি, যত দিন এই দেহে নিবাস করিতেছি, তত দিন প্রভু হইতে দূরে প্রবাস করিতেছি;
বিশ্বাসে তিনি বিদেশের ন্যায় প্রতিজ্ঞাত দেশে প্রবাসী হইলেন, তিনি সেই প্রতিজ্ঞার সহাধিকারী ইস্হাক ও যাকোবের সহিত তাম্বুতেই বাস করিতেন;
কারণ এখানে আমাদের চিরস্থায়ী নগর নাই; কিন্তু আমরা সেই আগামী নগরের অন্বেষণ করিতেছি।
তোমরা ত কল্যকার তত্ত্ব জান না; তোমাদের জীবন কি প্রকার? তোমরা ত বাষ্পস্বরূপ, যাহা ক্ষণেক দৃশ্য থাকে, পরে অন্তর্হিত হয়।
প্রিয়তমেরা, আমি নিবেদন করি, তোমরা বিদেশী ও প্রবাসী বলিয়া মাংসিক অভিলাষ সকল হইতে নিবৃত্ত হও, সেগুলি আত্মার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে।