তখন যিহূদা নিকটে গিয়া কহিলেন, হে প্রভো, বিনয় করি, আপনার দাসকে প্রভুর কর্ণগোচরে একটি কথা বলিতে অনুমতি দিউন; এই দাসের প্রতি আপনার ক্রোধ প্রজ্বলিত না হউক,
Cross references
আবার তিনি কহিলেন, প্রভু বিরক্ত হইবেন না, আমি আরও কহি; যদি সেখানে ত্রিশ জন পাওয়া যায়? তিনি কহিলেন, সেখানে ত্রিশ জন পাইলে তাহা করিব না।
তিনি কহিলেন, প্রভু ক্রুদ্ধ হইবেন না, আমি কেবল আর এই এক বার বলি; যদি সেখানে দশ জন পাওয়া যায়? তিনি কহিলেন, সেই দশ জনের অনুরোধে তাহা বিনষ্ট করিব না।
সে তাহাদিগকে কহিল, আমি এক স্বপ্ন দেখিয়াছি, নিবেদন করি, তাহা শুন।
তুমিই আমার বাটীর অধ্যক্ষ হও; আমার সমস্ত প্রজা তোমার বাক্য শিরোধার্য্য করিবে, কেবল সিংহাসনে আমি তোমা হইতে বড় থাকিব।
আর ফরৌণ যোষেফকে কহিলেন, আমি ফরৌণ, তোমার আজ্ঞা ব্যতিরেকে সমস্ত মিসর দেশে কোন লোক হাত কি পা তুলিতে পারিবে না।
হারোণ কহিলেন, আমার প্রভুর ক্রোধ প্রজ্বলিত না হউক। আপনি লোকদিগকে জানেন যে, তাহারা দুষ্টতায় আসক্ত।
তখন সে স্ত্রী কহিল, নিবেদন করি, আপনার দাসীকে আমার প্রভু মহারাজের কাছে একটী কথা বলিতে দিউন। রাজা কহিলেন, বল।
কিন্তু বষ্টী রাণী নপুংসকদের দ্বারা প্রেরিত রাজার আজ্ঞামতে আসিতে সম্মতা হইলেন না; তাহাতে রাজা অতিশয় ক্রুদ্ধ হইলেন, তাঁহার অন্তরে ক্রোধাগ্নি প্রজ্বলিত হইয়া উঠিল।
ইয়োব, অবধান করুন, আমার কথা শুনুন; আপনি নীরব থাকুন, আমি বলি।
হে সদাপ্রভু, আর কতকাল তুমি নিরন্তর ক্রুদ্ধ থাকিবে? তোমার অন্তর্জ্বালা কি অগ্নির ন্যায় জ্বলিবে?
রাজার কোপ সিংহের হুঙ্কারের তুল্য; কিন্তু তাঁহার অনুগ্রহ তৃণের উপরিস্থ শিশিরবৎ।
এখনও যদি তোমরা শৃঙ্গ, বংশী, বীণা, চতুস্তন্ত্রী, পরিবাদিনী ও মৃদঙ্গ প্রভৃতি সর্ব্বপ্রকার যন্ত্রের বাদ্য শুনিবামাত্র আমার নির্ম্মিত স্বর্ণ-প্রতিমাকে উপুড় হইয়া প্রণাম করিতে প্রস্তুত হও, ভালই; কিন্তু যদি প্রণাম না কর, তবে সেই দণ্ডেই প্রজ্বলিত অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষিপ্ত হইবে; আর এমন দেবতা কে যে, আমার হস্ত হইতে তোমাদিগকে উদ্ধার করিবে?
তখন নবূখদ্নিৎসর ক্রোধে পরিপূর্ণ হইলেন, এবং শদ্রক, মৈশক ও অবেদ্-নগোর বিরুদ্ধে তাঁহার মুখ বিকটাকার হইল; তিনি বলিয়া দিলেন ও আদেশ করিলেন, অগ্নিকুণ্ড যে পরিমাণে উত্তপ্ত আছে, তাহা অপেক্ষা যেন সাত গুণ অধিক উত্তপ্ত করা হয়;
তিনি তাঁহাকে যে মহিমা দিয়াছিলেন, তৎপ্রযুক্ত সমস্ত লোকবৃন্দ, জাতি ও ভাষাবাদিগণ তাঁহার সাক্ষাতে কাঁপিত ও ভয় করিত; তিনি যাহাকে ইচ্ছা তাহাকে বধ করিতেন, যাহাকে ইচ্ছা তাহাকে সজীব রাখিতেন, এবং যাহাকে ইচ্ছা তাহাকে উচ্চপদ দিতেন, যাহাকে ইচ্ছা তাহাকে অবনত করিতেন।
কারণ পিতা কাহারও বিচার করেন না, কিন্তু সমস্ত বিচারভার পুত্রকে দিয়াছেন,
ভ্রাতৃগণ, সেই পিতৃকুলপতি দায়ূদের বিষয়ে আমি তোমাদিগকে মুক্তকণ্ঠে বলিতে পারি যে, তিনি প্রাণত্যাগ করিয়াছেন এবং কবরপ্রাপ্তও হইয়াছেন, আর তাঁহার কবর আজ পর্য্যন্ত আমাদের নিকটে রহিয়াছে।