আর এখন, যে ভূমি তোমার হস্ত হইতে তোমার ভ্রাতার রক্ত গ্রহণার্থে আপন মুখ খুলিয়াছে, সেই ভূমিতে তুমি শাপগ্রস্ত হইলে।
Cross references
পরে সদাপ্রভু ঈশ্বর সর্পকে কহিলেন, তুমি এই কর্ম্ম করিয়াছ, এই জন্য গ্রাম্য ও বন্য পশুগণের মধ্যে তুমি সর্ব্বাপেক্ষা অধিক শাপগ্রস্ত; তুমি বুকে হাঁটিবে, এবং যাবজ্জীবন ধূলি ভোজন করিবে।
দেখ, অদ্য তুমি ভূতল হইতে আমাকে তাড়াইয়া দিলে, আর তোমার দৃষ্টি হইতে আমি লুক্কায়িত হইব। আমি পৃথিবীতে পলাতক ও ভ্রমণকারী হইব, আর আমাকে যে পাইবে, সেই বধ করিবে।
যে কেহ আপন পিতাকে কি মাতাকে অবজ্ঞা করে, সে শাপগ্রস্ত। তখন সমস্ত লোক বলিবে, আমেন।
কিন্তু যদি তুমি আপন ঈশ্বর সদাপ্রভুর রবে কর্ণপাত না কর, আমি অদ্য তোমাকে তাঁহার যে সমস্ত আজ্ঞা ও বিধি আদেশ করিতেছি, যত্নপূর্ব্বক সেই সকল পালন না কর, তবে এই সমস্ত অভিশাপ তোমার প্রতি বর্ত্তিবে ও তোমাকে আশ্রয় করিবে।
এবং এই শাপের কথা শ্রবণকালে কেহ যেন মনে মনে আপনার ধন্যবাদ করিয়া না বলে, আমি সিক্তের সহিত শুষ্কের ধ্বংস করিবার জন্য আপন হৃদয়ের কঠিনতায় চলিলেও আমার শান্তি হইবে।
পৃথিবী! আমার রক্ত আচ্ছাদন করিও না; আমার ক্রন্দন যেন বিশ্রামস্থান না পায়।
আমার ভূমি যদি আমার প্রতিকূলে ক্রন্দন করে, তাহার সীতা সকল যদি রোদন করে,
কেননা দেখ, সদাপ্রভু আপন স্থান হইতে নির্গমন করিতেছেন, পৃথিবী-নিবাসীদের অপরাধের প্রতিফল দিবার নিমিত্ত; পৃথিবী আপনার [উপরে পাতিত] রক্ত প্রকাশ করিবে, আপনার নিহতদিগকে আর আচ্ছাদিত রাখিবে না।
বাস্তবিক যাহারা ব্যবস্থার ক্রিয়াবলম্বী, তাহারা সকলে শাপের অধীন, কারণ লেখা আছে, “যে কেহ ব্যবস্থাগ্রন্থে লিখিত সমস্ত কথা পালন করিবার জন্য তাহাতে স্থির না থাকে, সে শাপগ্রস্ত”।
আর পৃথিবী সেই স্ত্রীলোকটীকে সাহায্য করিল, পৃথিবী আপন মুখ খুলিয়া নাগের মুখ হইতে উদগীর্ণ নদী কবলিত করিল।