তখন এক জন লোক তাহাকে দেখিতে পাইল, আর দেখ, সে প্রান্তরে ভ্রমণ করিতেছে; সেই লোকটী তাহাকে জিজ্ঞাসা করিল, কিসের অন্বেষণ করিতেছ?
Cross references
পরে অব্রাহাম প্রত্যূষে উঠিয়া রুটী ও জলপূর্ণ কুপা লইয়া হাগারের স্কন্ধে দিয়া বালকটীকে সমর্পণ করিয়া তাহাকে বিদায় করিলেন। তাহাতে সে প্রস্থান করিয়া বের্-শেবা প্রান্তরে ঘূরিয়া বেড়াইল।
আর দেখ, বারক সীষরার পশ্চাতে তাড়া করিয়া যাইতে ছিলেন; তখন যায়েল তাঁহার সঙ্গে দেখা করিতে বাহিরে আসিয়া কহিলেন, আইস, তুমি যাহার অন্বেষণ করিতেছ, সেই মানুষ আমি তোমাকে দেখাই, তাহাতে তিনি তাঁহার তাম্বুতে প্রবেশ করিলেন, আর দেখ, সীষরা মৃত পড়িয়া আছেন, ও তাঁহার কর্ণমূলে গোঁজ বিদ্ধ রহিয়াছে।
পরে ইলীশায় তাহাদিগকে কহিলেন, এ সে পথ নয়, এবং এ সেই নগর নয়; তোমরা আমার পশ্চাতে পশ্চাতে আইস; যে ব্যক্তির অন্বেষণ করিতেছ, তাহার নিকট আমি তোমাদিগকে লইয়া যাইব। আর তিনি তাহাদিগকে শমরিয়ায় লইয়া গেলেন।
তাহাতে যীশু ফিরিয়া তাঁহাদিগকে পশ্চাৎ পশ্চাৎ আসিতে দেখিয়া বলিলেন, কিসের অন্বেষণ করিতেছ? তাঁহারা কহিলেন, রব্বি—অনুবাদ করিলে ইহার অর্থ গুরু—আপনি কোথায় থাকেন?
এই সময়ে তাঁহার শিষ্যগণ আসিলেন, এবং আশ্চর্য্য জ্ঞান করিলেন যে, তিনি স্ত্রীলোকের সহিত কথা কহিতেছেন, তথাপি কেহ বলিলেন না, আপনি কি চাহেন? কিম্বা, কি জন্য উহার সহিত কথা কহিতেছেন?
তখন যীশু, আপনার প্রতি যাহা যাহা ঘটিতেছে, সমস্তই জানিয়া বাহির হইয়া আসিলেন, আর তাহাদিগকে কহিলেন, কাহার অন্বেষণ করিতেছ?
পরে তিনি তাহাদিগকে আবার জিজ্ঞাসা করিলেন, কাহার অন্বেষণ করিতেছ? তাহারা বলিল, নাসরতীয় যীশুর।
যীশু তাঁহাকে বলিলেন, নারি, রোদন করিতেছ কেন? কাহার অন্বেষণ করিতেছ? তিনি তাঁহাকে বাগানের মালি মনে করিয়া কহিলেন, মহাশয়, আপনি যদি তাঁহাকে লইয়া গিয়া থাকেন, আমায় বলুন, কোথায় রাখিয়াছেন; আমিই তাঁহাকে লইয়া যাইব।