কোন কর্ম্ম কি সদাপ্রভুর অসাধ্য? নিরূপিত সময়ে এই ঋতু আবার উপস্থিত হইলে আমি তোমার কাছে ফিরিয়া আসিব, আর সারার পুত্র হইবে।
Cross references
আর আমি তাহাকে আশীর্ব্বাদ করিব, এবং তাহা হইতে এক পুত্রও তোমাকে দিব; আমি তাহাকে আশীর্ব্বাদ করিব, তাহাতে সে জাতিগণের [অাদিমাতা] হইবে, তাহা হইতে লোকবৃন্দের রাজগণ উৎপন্ন হইবে।
কিন্তু আগামী বৎসরের এই ঋতুতে সারা তোমার নিমিত্তে যাহাকে প্রসব করিবে, সেই ইস্হাকের সহিত আমি আপন নিয়ম স্থাপন করিব।
তাহাতে তাঁহাদের এক ব্যক্তি কহিলেন, এই ঋতু পুনরায় উপস্থিত হইলে আমি অবশ্য তোমার কাছে ফিরিয়া আসিব; আর দেখ, তোমার স্ত্রী সারার এক পুত্র হইবে। এই কথা সারা তাম্বুদ্বারে তাঁহার পশ্চাৎ থাকিয়া শুনিলেন।
আর সারা গর্ভবতী হইয়া ঈশ্বরের উক্ত নিরূপিত সময়ে অব্রাহামের বৃদ্ধকালে তাঁহার নিমিত্ত পুত্র প্রসব করিলেন।
সদাপ্রভু, মোশিকে কহিলেন, সদাপ্রভুর হস্ত কি সঙ্কুচিত হইয়াছে? তোমার কাছে আমার বাক্য ফলিবে কি না, এখন দেখিবে।
তুমি তাহাদের হইতে ত্রাসযুক্ত হইও না, কেননা তোমার ঈশ্বর সদাপ্রভু তোমার মধ্যবর্ত্তী, তিনি মহান্ ও ভয়ঙ্কর ঈশ্বর।
তবে তোমার ঈশ্বর সদাপ্রভু তোমার বন্দিত্ব ফিরাইবেন, তোমার প্রতি করুণা করিবেন, ও যে সকল জাতির মধ্যে তোমার ঈশ্বর সদাপ্রভু তোমাকে ছিন্নভিন্ন করিয়াছিলেন, তথা হইতে আবার তোমাকে সংগ্রহ করিবেন।
পরে সদাপ্রভুর দূত সেই স্ত্রীকে দর্শন দিয়া কহিলেন, দেখ, তুমি বন্ধ্যা, তোমার সন্তান হয় না, কিন্তু গর্ভধারণ করিয়া পুত্র প্রসব করিবে।
আর যোনাথন আপন অস্ত্রবাহক যুবককে কহিলেন, চল, আমরা ঐ দিকে অচ্ছিন্নত্বক্দের প্রহরিদলের নিকটে যাই; হয় ত সদাপ্রভু আমাদের অন্য কর্ম্ম করিবেন; কেননা অনেকের দ্বারা হউক বা অল্পের দ্বারা হউক, নিস্তার করিতে সদাপ্রভুর কোন প্রতিবন্ধক নাই।
তখন ইলীশায় কহিলেন, এই ঋতুতে এই সময় পুনরায় উপস্থিত হইলে আপনি পুত্র ক্রোড়ে করিবেন। কিন্তু তিনি কহিলেন, না; হে প্রভু, হে ঈশ্বরের লোক, আপনার দাসীকে মিথ্যা কথা কহিবেন না।
ইলীশায় কহিলেন, তোমরা সদাপ্রভুর বাক্য শুন; সদাপ্রভু এই কথা কহেন, কল্য এই বেলায় শমরিয়ার দ্বারে শেকলে এক পসুরী সূজী ও শেকলে দুই পসুরী যব বিক্রয় হইবে।
দেখুন, ঈশ্বর পরাক্রমী, তবু কাহাকেও তুচ্ছ করেন না; তিনি বুদ্ধিবলে পরাক্রমী।
আমি জানি, তুমি সকলই করিতে পার; কোন সঙ্কল্প সাধন তোমার অসাধ্য নয়।
হে সদাপ্রভু, ফির, কত কাল? তোমার দাসগণের প্রতি সদয় হও।
সদাপ্রভু রাজত্ব করেন; তিনি মহিমাতে সজ্জিত; সদাপ্রভু সজ্জিত, তিনি পরাক্রমে বদ্ধকটি; আর জগৎও অটল, তাহা বিচলিত হইবে না।
কেননা সদাপ্রভু মহান্ ঈশ্বর, তিনি সমুদয় দেবতার উপরে মহান্ রাজা।
হা, প্রভু সদাপ্রভু! দেখ, তুমিই আপন মহাপরাক্রম ও বিস্তারিত বাহু দ্বারা আকাশমণ্ডল ও পৃথিবী নির্ম্মাণ করিয়াছ; তোমার অসাধ্য কিছুই নাই।
দেখ, আমিই সদাপ্রভু সমুদয় মর্ত্ত্যের ঈশ্বর; আমার অসাধ্য কি কিছু আছে?
কে তোমার তুল্য ঈশ্বর? —অপরাধ ক্ষমাকারী, ও আপন অধিকারের অবশিষ্টাংশের অধর্ম্মের প্রতি উপেক্ষাকারি! তিনি চিরকাল ক্রোধ রাখেন না, কারণ তিনি দয়ায় প্রীত।
বাহিনীগণের সদাপ্রভু এই কথা কহেন, এই লোকদের অবশিষ্টাংশের দৃষ্টিতে তাহা যদি তৎকালে অসম্ভব বোধ হয়, তবে কি আমার দৃষ্টিতেও অসম্ভব বোধ হইবে? ইহা বাহিনীগণের সদাপ্রভু বলেন।
আর ভাবিও না যে, তোমরা মনে মনে বলিতে পার, অব্রাহাম আমাদের পিতা; কেননা আমি তোমাদিগকে বলিতেছি, ঈশ্বর এই সকল পাথর হইতে অব্রাহামের জন্য সন্তান উৎপন্ন করিতে পারেন।
তখনই যীশু হাত বাড়াইয়া তাঁহাকে ধরিলেন, আর তাঁহাকে কহিলেন, হে অল্পবিশ্বাসি, কেন সন্দেহ করিলে?
যীশু তাঁহাদের প্রতি দৃষ্টি করিয়া কহিলেন, তাহা মনুষ্যের অসাধ্য বটে, কিন্তু ঈশ্বরের সকলই সাধ্য।
যীশু তাঁহাদের প্রতি দৃষ্টি করিয়া কহিলেন, ইহা মনুষ্যের অসাধ্য বটে, কিন্তু ঈশ্বরের অসাধ্য নয়, কারণ ঈশ্বরের সকলই সাধ্য।
কিন্তু দূত তাঁহাকে বলিলেন, সখরিয়, ভয় করিও না, কেননা তোমার বিনতি গ্রাহ্য হইয়াছে, তোমার স্ত্রী ইলীশাবেৎ তোমার জন্য পুত্র প্রসব করিবেন, ও তুমি তাহার নাম যোহন রাখিবে।
তখন সখরিয় দূতকে কহিলেন, কিসে ইহা জানিব? কেননা আমি বৃদ্ধ এবং আমার স্ত্রীরও অধিক বয়স হইয়াছে।
কেননা ঈশ্বরের কোন বাক্য শক্তিহীন হইবে না।
তাহা শুনিয়া যীশু তাঁহাকে উত্তর করিলেন, ভয় করিও না, কেবল বিশ্বাস কর, তাহাতে সে সুস্থ হইবে।
এবং নিশ্চয় জানিলেন, ঈশ্বর যাহা প্রতিজ্ঞা করিয়াছেন, তাহা সফল করিতে সমর্থও আছেন।
পরন্তু, যে শক্তি আমাদিগেতে কার্য্য সাধন করে, সেই শক্তি অনুসারে যিনি আমাদের সমস্ত যাচ্ঞার ও চিন্তার নিতান্ত অতিরিক্ত কর্ম্ম করিতে পারেন,
তিনি আমাদের দীনতার দেহকে রূপান্তর করিয়া নিজ প্রতাপের দেহের সমরূপ করিবেন, যে কার্য্যসাধক-শক্তিতে তিনি সকলই আপনার বশীভূত করিতে পারেন, তাহারই গুণে করিবেন।
যিনি আমাকে শক্তি দেন, তাঁহাতে আমি সকলই করিতে পারি।
তিনি মনে স্থির করিয়াছিলেন, ঈশ্বর মৃতগণের মধ্য হইতেও উত্থাপন করিতে সমর্থ; আবার তিনি তথা হইতে দৃষ্টান্তরূপে তাঁহাকে ফিরিয়া পাইলেন।