অহশ্বেরশের রাজত্বকালে, তাঁহার রাজত্বের আরম্ভকালে, লোকেরা যিহূদা ও যিরূশালেম-নিবাসীদের বিরুদ্ধে এক অভিযোগ-পত্র লিখিল।
Cross references
পরে তাঁহার দাসগণ আর এক কূপ খনন করিলে তাহারা সেটীর জন্যও বিবাদ করিল; তাহাতে তিনি সেটীর নাম সিট্না [বিপক্ষতা] রাখিলেন।
অহশ্বেরশের সময়ে এই ঘটনা হইল। ঐ অহশ্বেরশ হিন্দুস্থান হইতে কূশ দেশ পর্য্যন্ত এক শত সাতাশ প্রদেশের উপরে রাজত্ব করিতেন।
রাজার রাজত্বের সপ্তম বৎসরের দশম মাসে অর্থাৎ টেবেৎ মাসে ইষ্টের অহশ্বেরশ রাজার নিকটে রাজবাটীতে নীতা হইলেন।
পরে হানন অহশ্বেরশ রাজাকে কহিল, আপনার রাজ্যের সমস্ত প্রদেশস্থ জাতিগণের মধ্যে বিকীর্ণ অথচ পৃথক্কৃত এক জাতি আছে; অন্য সকল জাতির ব্যবস্থা হইতে তাহাদের ব্যবস্থা ভিন্ন, এবং তাহারা মহারাজের ব্যবস্থা পালন করে না; অতএব তাহাদিগকে থাকিতে দেওয়া মহারাজের অনুপযুক্ত।
মাদীয় বংশজাত অহশ্বেরশের পুত্র যে দারিয়াবস কল্দীয় রাজ্যের রাজপদে নিযুক্ত হইয়াছিলেন,
যাহা হউক, এখন আমি তোমাকে সত্য কথা জ্ঞাত করিব। দেখ, পারস্যে আর তিন রাজা উৎপন্ন হইবে, আর চতুর্থ রাজা সর্ব্বাপেক্ষা অধিক ধনশালী হইবে, এবং আপন ধনে শক্তিমান্ হইলে যবন-রাজ্যের বিরুদ্ধে সকলকে উত্তেজিত করিবে।
আর উহারা তাঁহার মস্তকের উপরে তাঁহার বিরুদ্ধে এই দোষের কথা লিখিয়া লাগাইয়া দিল, ‘এ ব্যক্তি যীশু, যিহূদীদের রাজা’।
কারণ আমরা দেখিতে পাইলাম, এই ব্যক্তি মহামারীস্বরূপ, জগতের সমস্ত যিহূদীর মধ্যে কলহ জনক, এবং নাসরতীয় দলের অগ্রণী,
আর এক্ষণে ইহারা আমার উপরে যে সকল দোষারোপ করিতেছে, আপনার কাছে সে সমস্ত সপ্রমাণ করিতে পারে না।
তিনি উপস্থিত হইলে যিরূশালেম হইতে আগত যিহূদীরা তাঁহার চারিদিকে দাঁড়াইয়া তাঁহার বিপক্ষে অনেক ভারী ভারী দোষের কথা উত্থাপন করিতে লাগিল, কিন্তু তাহার প্রমাণ দর্শাইতে পারিল না।
তখন আমি স্বর্গে এই উচ্চ রব শুনিলাম, ‘এখন পরিত্রাণ ও পরাক্রম ও রাজত্ব আমাদের ঈশ্বরের, এবং কর্ত্তৃত্ব তাঁহার খ্রীষ্টের অধিকার হইল; কেননা যে আমাদের ভ্রাতৃগণের উপরে দোষারোপকারী, যে দিবারাত্র আমাদের ঈশ্বরের সম্মুখে তাহাদের নামে দোষারোপ করে, সে নিপাতিত হইল।