বস্তুতঃ উভয়ে জীবিত অবস্থায় থাকিলেও বিক্রেতা বিক্রীত [অধিকারের] নিকটে ফিরিয়া যাইবে না, কেননা এই দর্শন তথাকার সমস্ত লোকারণ্য বিষয়ক; কেহ ফিরিয়া যাইবে না; আপন জীবনের অপরাধে কেহ আপন জীবাত্মা সবল করিতে পারিবে না।
Cross references
ঐ যোবেল বৎসরে তোমরা প্রতিজন আপন আপন অধিকারে ফিরিয়া যাইবে।
আর তোমরা আপনাদের অধিকৃত দেশের সর্ব্বত্র ভূমি মুক্ত করিতে দিও।
কিন্তু প্রাচীরহীন গ্রামে স্থিত গৃহ দেশের ভূমির মধ্যে গণ্য হইবে; তাহা মুক্ত করা যাইতে পারে, এবং যোবেলে তাহা মুক্ত হইবে।
কারণ সে ঈশ্বরের বিরুদ্ধে হস্ত বিস্তার করিয়াছে, সর্ব্বশক্তিমানের বিরুদ্ধে আস্ফালন করিয়াছে;
‘দেখ, ঐ ব্যক্তি ঈশ্বরকে আপন বল করিত না, সে আপনার ধনবাহুল্যে নির্ভর করিত; সে দুষ্টতায় আপনাকে বলবান করিত।’
আত্মা রাখিতে আত্মার উপরে কোন মনুষ্যের কর্ত্তৃত্ব নাই, এবং মরণদিনের উপরে কর্ত্তৃত্ব কাহারও নাই, এবং [সেই] যুদ্ধে ছুটী সম্ভবে না, আর দুষ্টতা দুষ্টকে বাঁচাইবে না।
কেননা আমি সদাপ্রভু, আমি কথা কহিব; আর আমি যে বাক্য বলিব, তাহা অবশ্য সফল হইবে, বিলম্ব আর হইবে না; কারণ, হে বিদ্রোহী-কুল, তোমাদের বর্ত্তমান সময়েই আমি কথা কহিব, এবং তাহা সফলও করিব, ইহা প্রভু সদাপ্রভু কহেন।
এই জন্য তুমি তাহাদিগকে বল, প্রভু সদাপ্রভু এই কথা কহেন, আমার সমস্ত বাক্য সফল হইতে আর বিলম্ব হইবে না; আমি যে বাক্য বলিব, তাহা সফল হইবে; ইহা প্রভু সদাপ্রভু কহেন।
আমি যে ধার্ম্মিককে বিষণ্ণ করি নাই, তোমরা মিথ্যাকথা দ্বারা তাহার অন্তঃকরণ দুঃখার্ত্ত করিয়াছ, এবং দুষ্ট লোকের হস্ত সবল করিয়াছ, যেন সে জীবনপ্রাপ্তির নিমিত্ত আপন কুপথ হইতে না ফিরে;
তোমরা আপন আপন খড়্গে নির্ভর করিয়া থাক, ঘৃণার্হ কার্য্য করিয়া থাক, ও প্রত্যেকে আপন আপন প্রতিবাসীর স্ত্রীকে অশুচি করিয়া থাক; তোমরা কি দেশের অধিকারী হইবে?